Saturday, 24 October 2020 09:06

মাদকের বিরোদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জের; প্রজন্মকণ্ঠ প্রতিনিধিকে গ্রেফতার

✍ অনলাইন ডেস্ক:

দেশের বৃহত্তম দৌলতদিয়া পতিতালয়ে কড়া পুলিশী পাহাড়া থাকা স্বর্তেও অসহায় নারী ঐক্য সংগঠনের সভানেত্রী’র মুখোশ লাগিয়ে ঝুমুর বেগম ও তার কথিত স্বামী দৌলতদিয়া ৫নং ওয়ার্ডের ইউ.পি সদস্য জলিল ফকির দীর্ঘদিন যাবৎ প্রকাশ্যে আমদানী নিষিদ্ধ বিয়ার ও বিদেশী মদের রমরমা ব্যবসা করে আসছে। তাদের এই মাদক কারবার নিয়ে বিভিন্ন সময় বহু পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়। তারই ধারাবাহিকতায় মাদক ব্যবসায়ী ঝুমুর ও জলিল ফকির কে নিয়ে প্রজন্মকণ্ঠে একটি অনুসন্ধানীমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সংবাদ প্রকাশের পর থেকে ঝুমুর ও জলিলসহ তাদের লালিত ক্যাডার বাহিনী প্রজন্মকণ্ঠ’র প্রতিনিধিদের মেরে পদ্মায় ভাসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। তাছাড়া প্রকাশিত সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে যারা শেয়ার করেছে তাদেরকেও হুমকি দেয় তারা। এতাবস্থায় শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০ টায় গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ রাজবাড়ী সরকারী কলেজের অনার্স ৪র্থ বর্ষের ছাত্র ও প্রজন্মকণ্ঠ’র ভিডিও এডিটর রবিন হোসেন’কে প্রজন্মকণ্ঠ’র দৌলতদিয়া শাখা অফিস থেকে রহস্যজনকভাবে পুলিশী হেফাজতে নিয়ে যায়। তারপর রবিন হোসেনকে দৌলতদিয়া পতিতালয়ের একটি ভাংচুর মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। যে মামলার উল্লেখিত ঘটনায় রবিন হোসেনে এর কোন প্রকার যোগসাজস নেই। রবিন হোসেনের গ্রেফতার প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা- তায়েবীর এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, পতিতালয়ের একটি ভাংচুর মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।উল্লেখ থাকে যে, রবিন হোসেন দৌলতদিয়া পতিতালয়ে মাদক ব্যবসায়ী ঝুমুর ও জলিল ফকিরের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে বিষয়টি টের পেয়ে ঝুমুর ও জলিল ফকির ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাকে জখমের উদ্দেশ্য ধাওয়া করে। তারপর রবিন হোসেন, মাদক ব্যবসায়ী ঝুমুর ও জলিলের এ ঘটনা উল্লেখ করে রাজবাড়ীর মাননীয় পুলিশ সুপার বরাবর একটি স্বারকলিপি দেয়। যার অনুলিপি রয়েছে মাননীয় জেলা প্রশাসক রাজবাড়ী, যুগ্ম-পরিচালক–ডি আই ওয়ান রাজবাড়ী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার- গোয়ালন্দ, ডি আই ওয়ান রাজবাড়ী জেলা পুলিশ, রাজবাড়ী ও গোয়ালন্দের সকল সাংবাদিক বৃন্দ।এছাড়াও উল্লেখ থাকে যে, ফেসবুকের একটি ফেক এ্যাকাউন্ট থেকে মাদক ব্যবসায়ী ঝুমুর ও জলিল ফকির এর বিরুদ্ধে পোষ্ট করা সন্দেহে দৌলতদিয়া পতিতালয়ের দোকানদার নাসির’কে পিটিয়ে আহত করে জলিল ফকির। মাদক ব্যবসা ছাড়াও  ঝুমুর ও জলিল ফকির অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদের দিয়ে যৌন-পল্লীতে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা করায়। তাছাড়া তারা পল্লীর অন্যন্যা মাদক কারবারীদের কাছ থেকে মাসোয়ারা আদায় করে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাদের লালিত ক্যাডার বাহিনী দিয়ে মারধর সহ মৃত্যুর হুমকি দেয়।সংবাদ প্রকাশের কারণে রবিন হোসেনের গ্রেফতার ও দৌলতদিয়া পতিতালয়ে পুলিশী পহরা থাকার পরও মাদক ব্যবসা করে ঝুমুর-জলিলের গ্রেফতার না হওয়ার বিষয়টি ঘুরপাক খাচ্ছে সর্ব মহলে। দৌলতদিয়া’র সর্ব সাধারণের মুখে একই কথা মাদক কারবারী ঝুমুর ও জলিলের বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় কি কোন তথ্য নেই, নাকি তথ্য থাকার পরও তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না।

Login to post comments
  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular