Monday, 16 September 2019 18:14

চাদপুরের প্রেমিক যুগল নবীগঞ্জে আশ্রয়দাতাসহ পুলিশের হাতে আটক

✍ নিজেস্ব প্রতিনিধি





 প্রেম মানে না জাতপাত ধর্ম। মানে না কোনো বাধা বিপত্তি। পেতে চায় ভালাবাসার মানুষ। এমনই এক মনের টান নাম তার প্রেম। চাঁদপুর জেলার  ফরিদগঞ্জ উপজেলা পূর্ব আলোনিয়া গ্রামের শাহজান মিয়ার পুত্র আলামিন (২০) ও একই গ্রামের  ঈসমাইল মিয়ার  নাবালক কন্যা আলেয়া আক্তার (১৫) প্রেমিক জুটি ভালবাসা সুখের ঘর বাধার স্বপ্নে গত ৩ সেপ্টেম্বর  ফরিদগঞ্জ থেকে নবীগঞ্জ উপজেলা কালিয়ার ভাঙ্গা ইউনিয়েন শ্রীমতপুর গ্রামে  মীর হোসেনর পুত্র তোফাজ্জল হোসেন রনির বাড়ীতে উঠে। তোফাজ্জলের বাড়ীতে উঠার ১৩ দিন থাকার পর আলামিন ও আলেয়া আক্তার  গতকাল সোমাবার কোটে নোটারীর অফিসে গিয়ে  শ্রীমতপুর গ্রামের নবী হোসেনের মাধ্যমে নবী হোসেন অপর আরেকজন স্বাক্ষীর মাধ্যমে নোটারী পাবলিক করেন। নোটারী পাবলিক করে শ্রীমতপুর আসার পর নবীগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রেমকি জুটিসহ তাদের গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসেন।
পুলিশ ও আটকসুত্রে জানাযায়, আলামিনদের ঢাকার লালমাটিয়ার   ধানমন্ডি ২৭ নম্বর রোডে  মুদির দোকানে কাজ করতো নবীগঞ্জের শ্রীমতপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন রনি। রনির সাথে যোগাযোগ মূলে আলামিন তাদের   গ্রামের বাড়ীর প্রেমিকা আলেয়াকে সাথে  সুখে থাকার আসায় দোকান থেকে নগদ ৪৯ হাজার টাকা নিয়ে নবীগঞ্জে আসে। আসার পর তার কাছে থাকা ৩৩ হাজার টাকা রনির কাছে জমা রাখে। রনি  গতকাল সোমবার ২০ হাজার টাকা খরচ দেখায় নোটরী পাবলিকসহ  গাড়ী খাওয়া  ধাওয়া বাবদ।  ২০ হাজার খরচের কথা শুনে নবী হোসেন ও রনি  মধ্য  কথা-কাটাকাটি হয়। পরে  আলামিনের কাছ থেকে নবী হোসেন  তার বাবা মোবাইল নাম্বার নিয়ে ফোন করে বিস্তারিত বললে আলামিনের পিতা নবী হোসেনের কাছে তার ছেলে নিতে বলেন। আলামিনের পিতা নবীগঞ্জ থানা পুলিশকে বিষয়টি জানালে নবীগঞ্জ থানা একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে আলমিন ও আলেয়া এবং  নবী হোসেনকে আটক করে থানা নিয়ে আসেন।   আলেয়া এবং আলামিনের পিতা শাহজান মিয়া আসার পর বিষয়টি  মিমাংসা হলে পুলিশ  তাদের জিম্মা ছেড়ে দিবে বলে জানায়।                                  

Login to post comments
  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular
X

দুঃখিত !

ওয়েব সাইটে এই অপশন নাই।