নবীগঞ্জে পৌর নির্বাচনে ২ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হচ্ছেন আকমল হোসেন আজাদ টিটু নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ আসন্ন নবীগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হচ্ছেন ইউনাইটেড নবীগঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আকমল হোসেন আজাদ টিটু। সময় ও পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড থেকে নির্বাচন করবেন তিনি । বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে আলােচনায় আছেন আকমল হোসেন আজাদ টিটু। বিভিন্ন সূত্রে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে আকমল হোসেন আজাদ টিটু নামও শােনা যাচ্ছে ।নবীগঞ্জ পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড ওসমানী রোড,অভয়নগর, রাজনগর নিয়ে গঠিত । এই এলাকার মানুষের সুখে দুঃখে আকমল হোসেন আজাদ টিটু সর্বদা পাশে ছিলেন । করােনার এই মহামারীর মধ্যেও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মানুষকে সচেতন হওয়ার আহবান জানিয়ে আসছেন ২ নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী আকমল হোসেন আজাদ টিটু। আকমল হোসেন আজাদ টিটু - কাউন্সিলর প্রার্থী হলে তার পক্ষে বিরাট একটি অংশ কাজ করবে। এছাড়াও ওসমানী রোডে- অভয়নগর,রাজনগর গ্রামে রয়েছে তার বিশাল ভােট ব্যাংক । এ ব্যাপারে আকমল হোসেন আজাদ টিটু বলেন, সময় এবং পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিস্থিতি পরিলক্ষিত হলে আমি পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড থেকে নির্বাচন করবাে।আপনাদের সবার দোয়া ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

নবীগঞ্জ পৌরশহরস্থ রাজাবাদ গ্রামে একটি মোটরসাইকেল রাতে আধারে চুরি করেছে একদল চোরচক্র।গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে এই দুঃসাহসিক চুরির ঘটনাটি ঘটে।জানাযায়,রাজাবাদ গ্রামের ৫ নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী রাজ আহমদের মোটরসাইকেল চুরি করেছে একদল চোরচক্র।প্রতিদিনের মত গতকালও তিনি মোটরসাইকেল বাসার বারান্দার মধ্যে রাখেন।ভোর রাতে হঠাৎ যখন ঘুম থেকে উঠলেন উঠে বারান্দার দিকে তাকিয়ে দেখেন মোটরসাইকেল নেই।আশে পাশে অনকে খোঁজাখুঁজি করলেন কিন্তু কোনো সন্ধান মিলেনি মোটরসাইকেলের।রাজ আহমদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ১০০ সিসি বাজাজ ডিসকভার যার প্লেট নাম্বার হলো (হবিগঞ্জ-হ ১১-৫২৬৯)।রাজ আহমদ জানান,মামলা দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আজিজুর রহমান জানান,এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি তবে অভিযোগ পেলে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহণ করব। 

হবিগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আবু জাহিরকে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়েছে।বুধবার সকাল ১০টায় কোভিড–১৯ রোগে আক্রান্ত ওই সাংসদকে ঢাকায় পাঠানো হয়। বুধবার হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন মো. মুখলেছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জ-৩ (হবিগঞ্জ সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ) আসনের সাংসদ মো. আবু জাহির অসুস্থ বোধ করলে গত রোববার তাঁর নমুনা সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের ল্যাবে পাঠানো হয়। সেখান থেকে গত সোমবার রাতে প্রতিবেদন আসে সাংসদ আবু জাহির কোভিড–১৯ আক্রান্ত। এরপর থেকে সাংসদ হবিগঞ্জ শহরে তাঁর বাসায় আইসোলেশনে ছিলেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় গতকাল রাতেই তাঁকে সিএমএইচ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার।  আজ সকাল ১০টায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অবতরণ করে। এ সময় সেখান থেকে সাংসদ আবু জাহিরকে নিয়ে সিএমএইচের উদ্দেশে রওনা দেয় হেলিকপ্টরটি। সাংসদের ব্যক্তিগত সহকারী সুদীপ দাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।  ডেপুটি সিভিল সার্জন মো. মুখলেছুর রহমান জানান, সাংসদ আবু জাহির আইসোলেশন চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। গতকাল মঙ্গলবার রাতে সিদ্ধান্ত হয় তাঁকে সিএমএইচে নেওয়ার। এ পর্যন্ত হবিগঞ্জে কোভিড-১৯ পজিটিভ শনাক্ত হন ১ হাজার ৮০৫ জন। তাঁর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৫১৬ জন। এই জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ১৬ জন।

নবীগঞ্জ-হবিগঞ্জ রোডস্থ ইমামবাড়ী বাজারে সিএনজি চালকের হামলায় বাস চালক গুরুতর আহত হয়েছেন।বুধবার দুপুরে উপজেলার কালিয়ার ভাঙ্গা ইউনিয়নের ইমামবাড়ী বাজারে ঘটনাটি ঘটে।গুরুতর আহত বাসচালক হলেন, নতুন বাজারের মুরাদপুর গ্রামের মৃত কিরু দাশের পুত্র খোকন দাশ (৫০)। জানাযায়, পূর্ব বিরোধের জের ধরে বুধবার দুপুরে ইমামবাড়ী বাজারে শরীফের নেতৃত্বে একদল সিএনজি চালক বাসের সামনে সিএনজি দাঁড় করিয়ে বাস থামায়।এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটি নিয়ে সিএনজি চালকরা রড দিয়ে বাস চালকের উপর হামলা চালায়।হামলায় গুরুতর আহত হন বাস চালক। বাসের শ্রমিকরা ও স্থানীয় লোকজন এসে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ঘটনার খবর পেয়ে তদন্ত ওসি আমিনুল ইসলামের নির্দেশনায় এস আই মহিউদ্দিন রতন,এস আই হানিফের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাস যাত্রী জানান,হঠাৎ করে সিএনজি চালক সিএনজি নিয়ে বাসের সামনে এসে দাঁড়ায়।বাস চালক ও সিএনজি চালকের মধ্যে কথা কাটাকাটি নিয়ে সিএনজি চালক বাস চালকের উপর রড দিয়ে হামলা চালায়।এমন ঘটনা যদি ঘটে তাহলেত আমরা নিজেকে নিরাপদ মনে করব কিভাবে। এ ব্যাপারে ইমামবাড়ী বাজার সমিতির ব্যাবসায়ীর যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান বলেন,নবীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত ঘটনাস্থলে আসার পরে আমরা চেয়ে ছিলাম সামাজিকভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য।কিন্তু ওসি তদন্ত বাস মালিক সমিতির সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেছেন আমরা পরে জানাবো। এ ব্যাপারে মালিক সমিতির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল বাছিত মিয়া জানান,শ্রমিকরা বাস বন্ধ করে রেখেছে।মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলতেছে। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি ইয়াওর মিয়া বলেন, এখনো এটা কোনো সমাধান হয়নি।বাস শ্রমিকরা ধর্মঘট ডেকেছে বাস বন্ধ রয়েছে। উপযুক্ত বিচার না পাওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের দাবি বাস চলবে না। পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার তদন্ত ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, তাৎক্ষণিক ঘটনার খবর পেয়ে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনেন।এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আসন্ন নবীগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক নবীগঞ্জ মিনিবাস মালিক সমিতির কোষাধক্ষ্য, সাবেক ২ নং ওয়ার্ডেরর পৌরছাত্র দলের সভাপতি,নবীগঞ্জ ডিলার সমিতির সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ওসমানী রোডের স্থায়ী বাসিন্দা রাকিব হোসেন । সময় ও পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড থেকে নির্বাচন করবেন তিনি । বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে আলােচনায় আছেন রাকিব হোসেন । বিভিন্ন সূত্রে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে রাকিব হোসেন নামও শােনা যাচ্ছে ।নবীগঞ্জ পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড ওসমানী রোড,অভয়নগর, রাজনগর নিয়ে গঠিত । এই এলাকার মানুষের সুখে দুঃখে রাকিব হোসেন সর্বদা পাশে ছিলেন । করােনার এই মহামারীর মধ্যেও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মানুষকে সচেতন হওয়ার আহবান জানিয়ে আসছেন ২ নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী রাকিব হোসেন । রাকিব হোসেন - কাউন্সিলর প্রার্থী হলে তার পক্ষে বিরাট একটি অংশ কাজ করবে। এছাড়াও ওসমানী রোডে- অভয়নগর,রাজনগর গ্রামে রয়েছে তার বিশাল ভােট ব্যাংক । এ ব্যাপারে রাকিব হোসেন বলেন,দেশ এখন ক্লান্তি কাল অতিক্রম করছে , করােনার মহামারীর মধ্যে মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছেন , পর্যাপ্ত পরিমান খাদ্য সহায়তা মানুষ পাচ্ছেনা , সময় এবং পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিস্থিতি পরিলক্ষিত হলে আমি পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড থেকে নির্বাচন করবাে ।

নবীগঞ্জ  উপজেলার ৮ নং সদর ইউ/পির গুজাখাইর গ্রামের সাহিদ উল্লাহ'র পুত্র আবেদ উল্লাহ সেজু (১৮) গত শনিবার রাত ৯ টায় সময় ব্যাটারী চালিত রিকশা চালানো অবস্থায় রিকশাসহ নিখোঁজ হয়। নবীগঞ্জ পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড পূর্ব তিমির পুর এম আর সি ব্রিক ফিল্ডের পাশে ধানক্ষেত থেকে লাশ উদ্বার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে নবীগঞ্জ -হবিগঞ্জ রোডে পূর্ব তিমির পুর এম আর সি ব্রিক ফিল্ড এর সংলগ্ন ধানের জমি হতে লাশ উদ্বার করা হয়।নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল রহমান জানান- গত শনিবার (২৪ অক্টাবর) দুপুরে খাওয়া দাওয়া শেষে সেজু বাড়ি থেকে বের হন। কিন্তু গভীর রাত হয়ে গেলেও তিনি আর ফিরে আসেননি। এমনকি তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। পরদিন রোববার সেজুর পরিবারের পক্ষ থেকে নবীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়। (যার নং ১৩৩৭)। নিখোঁজ ডায়েরি পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ বিভিন্ন স্থানে সেজুর সন্ধান চালায়। অবশেষে পূর্ব তিমিরপুর এলাকায় একটি ধান ক্ষেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।তিনি আরও বলেন- লাশটি প্রায় পঁচে গেছে।ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন নবীগঞ্জ - বাহুবল'র সার্কেল এ এসপি পারভেজ আলম।

নবীগঞ্জে এক ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে দায়েরী ধর্ষণ মামলা নিয়ে এলাকায় ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। গুচ্ছগ্রামে ২য় ঘর নির্মাণ করতে বাধাঁ দেয়ায় নিজের স্ত্রীকে দিয়ে উক্ত মামলার সৃষ্টি করেছেন বিয়ে পাগল মুহিবুর। এলাকাবাসীর দাবী উক্ত মুহিবুর নিজেকে পুলিশের সোর্স দাবী করে গ্রামের নিরীহ লোকদের হয়রানী, মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় আতংকে রয়েছে মানুষ। এছাড়া উক্ত ধর্ষণ মামলার খবরে ফুসে উঠেছে এলাকাবাসী। তারা ওই মামলাকে মিথ্যা আখ্যায়িত করে প্রত্যাহারের দাবী জানান। অন্যতায় গণ আন্দোলনের ডাক দেয়ারও হুমকী দেয়া হয়েছে। স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের পারকুলঁ গ্রামের বিয়ে পাগল মুহিবুর একাধিক বিয়ে করে। সে নিজেকে পুলিশের সোর্স দাবী করে বিদ্যুৎ প্লান্টে কর্মরত স্থানীয় শ্রমিকদের পরিবারে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়। এছাড়া নিরীহ লোকদের নানা ভাবে হয়রানী করারও অভিযোগ উঠেছে। অপর দিকে পারকুল গ্রামে সরকারী ভাবে তৈরী হওয়া গুচ্ছগ্রামে মুহিবুর রহমানকে একটি ঘর বরাদ্ধ দেয়া হয়। কিন্তু ওই ঘর তার দখলে নিয়ে আরেকটি (২য়) ঘর নিমার্ণের উদ্দ্যোগ নিলে স্থানীয় মেম্বার দুলাল মিয়া বাধাঁ দেয় এবং উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করেন। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) সরজমিনে গিয়ে মুহিবুর রহমানের ২য় ঘর ভেঙ্গে দিয়ে আসেন। এ ঘটনার পরপরই মেম্বার দুলালের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন মুহিবুর। এছাড়া গত ১৭ অক্টোবর শনিবার উপজেলার সকল ইউনিয়নের বিট পুলিশিং এর উদ্যেগে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সমাবেশ করে পুলিশ প্রসাশন। এর অংশ হিসেবে আউশকান্দি ইউনিয়নে পুলিশের উর্ধ্বতণ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিট পুলিশিং সমাবেশে স্থানীয় লোকজন উক্ত মুহিবুর রহমানের বিরুদ্ধে নালিশ দেয়। এই খবর মুহিবুরের কানে গেলে চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুনের বিরুদ্ধেও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে নিজের স্ত্রী কে দিয়ে ধর্ষনের নাটক সাজিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ্য করে অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনকে আসামী করে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে মামলা করান মুহিবুর। অপর দিকে উক্ত মামলার মানিত ৯ জন স্বাক্ষী এফিডেভিটের মাধ্যমে ঘটনা মিথ্যা ও সাজানো উল্লেখ করে এফিডেভিট করেছেন। এ ব্যাপারে মেম্বার দুলাল মিয়া বলেন, গুচ্ছগ্রামে অন্যায়ভাবে ২য় ঘর নিমার্ণ কাজে আপত্তি দেয়াটাই ছিল আমার অপরাধ। ঘটনা কি, কোন দিন ঘটেছে তা আদৌ জানিনা। মামলার খবর পেয়ে কপি এনে দেখলাম। ঘটনা তারিখ দেয়া হয়েছে ৮ই অক্টোবর, উদ্ধার নিজে করেছেন ১১ অক্টোবর। হাসপাতাল ভর্তি করেছেন ১২ অক্টোবর। তাহলে ১১ অক্টোবর সারা রাত কোথায় ছিলেন মুহিবুরের স্ত্রী ? এটা বিবেকমান মানুষে বিচার করবেন। চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুন বলেন, মামলা হয়েছে শুনেছি। কিন্তু ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানিনা। বাদী তার মামলার আরজিতে উল্লেখ্য করেছেন, ঘটনার তারিখ বিকাল বেলা শেরপুর থেকে তার স্ত্রী রিক্সা যোগে বাড়ি যাবার পথে আসামীরা জোরপুর্বক সিএনজি যোগে অপহরন করে নিয়ে যায়। ৩ দিন পর আউশকান্দি বাজারে একটি হোটেলের সামনে পেলে যায়। পরে তার স্বামী উদ্ধার করে হাসপাতাল ভর্তি করেন। পুরো ঘটনাটিই রহস্য জনক বলে দাবী করেছেন এলাকাবাসী। এলাকাবাসী করেন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই মুল রহস্য উদঘাটিত হবে।

হবিগঞ্জ শহরে প্রবেশ করা মাত্রই স্বাগত জানাবে মাথার ওপর নুয়ে থাকা ঝুলন্ত তার। হায় রে তার। এ যেন তারের শহর। তারের গলি। তারের মেলা। রাস্তা ঘেঁষে বিদ্যুতের খুঁটি বা ল্যাম্পপোস্টে তার ঝুলতে দেখা যায়। তারের মেলা এত বেশি। তাই সেখানে বাসা বেঁধেছে কাক। তারের জঞ্জাল কাকের জন্য নিরাপদ আশ্রয় হলেও এই তার গোটা শহরের সৌন্দর্যকে ম্লান করেছে। তেমনি বাড়াচ্ছে নিরাপত্তা ঝুঁকিও। যদিও তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা, সমালোচনা চললেও বিহিত করারও প্রস্তুতি নেই। কিস্তু এর বাস্তবায়ন দেখা মিলছে না।
শহরের শায়েস্তানগর, বেবিষ্ট্যান্ড, সার্কিট হাউজ সড়ক, হাসপাতাল সড়ক, তিনকোনা পুকুরপাড়, সিনেমা হল, টাউন হল সড়ক, খাঁজা গার্ডেন সিটি সংলগ্ন, পুরান মুন্সেফী, সাবেক রূপালী ব্যাংক সড়ক, বদিউজ্জামান খান সড়ক, ডাকঘর সড়কসহ বিভিন্ন এলাকাতে এরকম চিত্র দেখা গেছে। দেখে মনে হয় নাগরিক জীবন ঘেরা বৈদ্যুতিক তারে। সব খানেই তার আর তার। সচেতন মহলের প্রশ্ন হলো, মাটির ওপর এত কিসের তার? এর জবাবইবা কি। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অনুমোদনহীন তারের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বিদ্যুতের খুঁটিতে যে যার ইচ্ছেমতো বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায় তার ঝুলিয়ে দিচ্ছেন। এ নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যথা নেই। একের পর এক তারে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। এ নিয়ে মাথা ঘামানোরও কেউ নেই। এটা কেমন কথা। এজন্য আছে পৌর কর্তৃপক্ষ। আছে বিদ্যুত বিভাগ, পুলিশ, মোবাইল কোর্টসহ পরিবেশ অধিদফতর। কারো চোখেই কি এরকম অরাজকতা পড়ে না। হয়ত পড়ে। কিন্তু কেউই এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। অগ্নিকা-সহ বিদ্যুতের তার ছিড়ে পড়ে সৃষ্টি হচ্ছে সমস্যা।
এরকম পরিস্থিতিতে শহরকেই দ্রুত তারের জঞ্জালমুক্ত করা জরুরী হয়ে পড়েছে। তা না হলে অগ্নিকান্ডের আশঙ্কার পাশাপাশি মানুষের মৃত্যুঝুঁকি থেকেই যাবে। তাছাড়া পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তুলতে ঝুলন্ত তার অপসারণের বিকল্প নেই বলেও মনে করেন তারা।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ বিদ্যুত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, বিষয়টি শুনেছি, সরেজমিনে ঘুরে পর্যালোচনা করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বাহুবল উপজেলার শিবপাশা গ্রামে গাছের ডাল পড়ে হাশিম মিয়া (৭০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি ওই গ্রামের ছৈদ আলীর পুত্র। জানা যায়, ওই সময় তিনি বাড়ির পাশে রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ করে গাছের একটি ডাল ভেঙ্গে তার মাথায় পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ লাশের সুরতহাল তৈরি করে লাশ মর্গে প্রেরণ করেছে।

মেছোবাঘের সঙ্গে মানুষের নিষ্টুরতা। বানিয়াচঙ্গে মেছোবাঘের বাচ্চাদের নিষ্টুরভাবে হত্যা করে এলাকাবাসী অনন্য নজির স্থাপন করেছে। হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে মেছোবাঘের বাচ্চা তিনটিকে পিঠিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। বানিয়াচংয়ের ২ নম্বর ইউনিয়নের গরীব হোসেন মহল্লার ডাক্তার বাড়ীর (জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক সাখাওয়াত কাওসারের বসত বাড়ী) পরিত্যাক্ত বাংলো ঘরের চাঙ্গের উপর মেছোবাঘ আবাস গেড়ে বাচ্চা তিনটিকে নিয়ে বাস করতো। ২৬ অক্টোবর বিকাল ৫টায় এলাকার উৎসুক জনতা বাঘ দেখতে পেয়ে তাড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে বাচ্চা তিনটিকে নির্মমভাবে পিঠিয়ে হত্যা করা হয়।

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular
X

দুঃখিত !

ওয়েব সাইটে এই অপশন নাই।