হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ পশ্চিম বাজার জামে মসজিদের নাম করণ ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নিয়ে দীর্ঘ ৩১ বছরের বিরোধ অবশেষে নিরসন হলো। বৃহস্পতিবার ২৯ জুলাই রাত ৮টায় নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অফিস কক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভাটি পরিচালনা হয় । বৈঠক ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, শতবর্ষ ঐতিহ্যবহিী  ইনাতগঞ্জ বাজার জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে সুন্দর ভাবে চলে আসছিল পরবর্তীতে মসজিদ টি ১৯৮৯ ইং সালে সংস্কার করে নাম পরিবর্তন করাকে নিয়ে দুইটি পক্ষের মধ্যে বিরোধের সূচনা হয়। বিভিন্ন সময় পক্ষ বিপক্ষ আইনের শরণাপন্ন হয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরে এবং সামাজিকভাবে স্থানীয় ময় মুরুব্বী সমাধানের স্বার্থে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। গত ২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার নবীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দুই পক্ষের সমঝোতার মধ্য দিয়ে মসজিদের নাম নাম ফলকম প্রতিষ্টাতা ভুমিদাতা সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সর্ব সম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। উপস্থিত সর্ব উপস্থিতি মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত উপনীত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিন্ধান্ত হয় মসজিদ প্রতিষ্ঠাতা ভুমিদাতা সদস্য মরহুম ওহাব উল্যাহ উত্তরসুরী হিসাবে সাংবাদিক আশাহিদ আলী আশার পরিবারকে স্বীকৃতি দিয়ে মসজিদ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এলাকাবাসী কর্তৃক নাম করন করা ইনাতগঞ্জ সালেহা জামে মসজিদ নাম বহাল থাকবে। অপর সরকারি সম্পদ বন্দোবস্ত ক্রয় কৃত মালিক দাতা জামাল উদ্দিন কে যথাযথ মুল্যায়ন করা হবে । অচিরেই নির্দিষ্ট তারিখে নামফলক তৈরী করে সংসদ সদস্য গাজী মোঃ শাহনেওয়াজ মিলাদ এমপি এর মাধ্যমে উদ্বোধন করা হবে। উক্ত সভায় বিশেষ অবদান রাখেন, নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ডালিম আহমদ ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) উত্তম কুমার দাশ,ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ সামছুদ্দিন খাঁন, ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বজলুর রশিদ, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন মিঠু, সাবেক সভাপতি এম এ আহমদ আজাদ,সাবেক সভাপতি ও প্যানেল মেয়র এটি এম সালাম,সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর মিয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,দৈনিক শাখা বরাক সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক এটি এম জাকিরুল ইসলাম, নবীগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওহী দেওয়ান চৌধুরী ,নবীগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কাজী হাসান আলী, ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল খালিক, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক আশাহীদ আলী আশা, সাধারণ সম্পাদক জামাল আহমেদ সুমন, দীঘলবাক ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সভাপতি গোলাম রব্বানী, নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি নাবেদ মিয়া,মসজিদ কমিটির সভাপতি রুপ উদ্দিন, সহ সভাপতি আজিজুল রহমান, সাধারণ সম্পাদক হেলিম উদ্দিন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান, সদস্য আবিদ হোসেন খান, ইনাতগঞ্জ বাজার কমিটির সভাপতি দিলবার হোসেন, ব্যাবসায়ী রাসেল আহমেদ, আলাল মিয়া, দৈনিক ইনাতগঞ্জ বার্তার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী জাবেদ মান্না, সাবেক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অঞ্জন রায়, সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আলাল মিয়া , সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল হোসেন তালুকদার, সদস্য জাফর ইকবাল, সাংবাদিক সাগর আহমেদ সহ সব শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত আলোচনা সভা শেষে ৩১ বছরের বিরোধ ভূলে পক্ষ বিপক্ষ কুশল বিনিময় করে। একত্রিত হয়ে ছবির ফ্রেমে সচল হয় হাসি।

নবীগঞ্জ উপজেলায় এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়েরী মামলায় মাহমুদ আলী (৩০) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে ধৃত মাহমুদ’কে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেফতারকৃত মাহমুদ আলী বানিয়াচং উপজেলার কদুপুর গ্রামের সঞ্জব আলীর ছেলে। পুলিশ ও মামলা সুত্রে জানা যায়, নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরীকে ২০ জুলাই সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ থেকে পাশ^বর্তী বানিয়াচং উপজেলার কদুপুর গ্রামের মাহমুদ আলী ও তার সহযোগীরা সিএনজি অটোরিকশায় তুলে অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে রাতভর বিভিন্ন স্থানে নিয়ে তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। ২১ ও ২২ জুলাই সিলেট নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে রেখেও তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে অভিযুক্ত মাহমুদ ওই কিশোরীকে নিয়ে তার নিজ বাড়িতে কদুপুর গ্রামে আসলে পবিারের লোকজন কিশোরীকে তার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। বাড়ি ফিরে কিশোরী ধর্ষণের বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়। পরে ২৫ জুলাই ওই কিশোরীকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) এ ঘটনায় ওই কিশোরীর বাবা কালিয়ারভাঙ্গা ইউপির পুরানগাওঁ গ্রামের আব্দুল কাদির বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় মামলা (নম্বর-৯ তাং ২৯/০৭/২০২১ইং দায়ের করেন। ভোররাতে নবীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ ডালিম আহমেদ ও পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে উপজেলার সদর ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ বাজার থেকে ঘটনার মূলহোতা মাহমুদ আলীকে গ্রেফতার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম।

 

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নবীগঞ্জের রুস্তুমপুর টোল প্লাজায় একটি প্রাইভেট কার নিয়ে ৫০ কেজি গাজাঁ বাজারজাত করার খবর পেয়ে র‌্যাব-৯ এর একটি টিম আনসার ভিডিপি’র এপিসি ও নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর বাসার নিরাপত্তাকর্মী জুয়েলসহ ৩ জন আটক’র ঘটনায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ নিন্দা এবং তদন্ত সাপেক্ষে এপিসি জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বুধবার দৈনিক হবিগঞ্জ এক্সপ্রেস’সহ স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এ ব্যাপারে উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল আউয়াল তার লিখিত বক্তব্যে বলেছেন, নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার-এর সার্বক্ষণিক  নিরাপত্তায় নিয়োজিত অঙ্গীভূত আনসার সদস্য এপিসি মোঃ জুয়েল মিয়া (৮৯৪২), পিতা ঃ মোঃ মর্তুজ আলী  গ্রামঃ নুরপুর,শায়েস্তাগঞ্জ, হবিগঞ্জ  বিগত ২০/০৭/২০২১ খ্রিঃ তারিখে গাজাসহ র‌্যাবের হাতে আটক হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ওই দিন সকালে এপিসি মোঃ জুয়েল মিয়া ইউএনও মহোদয় ও উপজেলা আনসার ও ভিডিপি অফিসার ( ভারপ্রাপ্ত) এর অনুমতি ব্যতিত উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবন (আনসার ক্যাম্প) ত্যাগ করে। এটা তার ব্যক্তিগত অপরাধ। এ বিষয়ে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বা প্রশাসন দায় নিবে না। তিনি জানান, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী এ ঘটার তীব্র নিন্দা জানান। তদন্ত সাপেক্ষে এপিসি মোঃ জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে বাহিনীর পক্ষ হতে আইনানুগ  ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়েরী মামলায় মাহমুদ আলী (৩০) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে ধৃত মাহমুদ’কে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেফতারকৃত মাহমুদ আলী বানিয়াচং উপজেলার কদুপুর গ্রামের সঞ্জব আলীর ছেলে।
পুলিশ ও মামলা সুত্রে জানা যায়, নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরীকে ২০ জুলাই সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ থেকে পাশ^বর্তী বানিয়াচং উপজেলার কদুপুর গ্রামের মাহমুদ আলী ও তার সহযোগীরা সিএনজি অটোরিকশায় তুলে অপহরন করে নিয়ে যায়। পরে রাতভর বিভিন্নস্থানে নিয়ে তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। ২১ ও ২২ জুলাই সিলেট নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে রেখেও তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে অভিযুক্ত মাহমুদ ওই কিশোরীকে নিয়ে তার নিজ বাড়িতে কদুপুর গ্রামে আসলে পবিারের লোকজন কিশোরীকে তার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। বাড়ি ফিরে কিশোরী ধর্ষণের বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়। পরে ২৫ জুলাই ওই কিশোরীকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) এ ঘটনায় ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় মামলা (নম্বর-৯(০৭)২০২১) দায়ের করেন। ভোররাতে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. ডালিম আহমেদ ও পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে উপজেলার সদর ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ বাজার থেকে ঘটনার মূলহোতা মাহমুদ আলীকে গ্রেফতার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম।


আদর চাইলে আদর দিমু রে (সওদাগর) (সোহাগী) মন দিমু না হায় রে তোমায়,হায় রে হায়।পুরুষের  মন প্রেমের খনি’রে সোহাগী যে দেখিতে পায় জাহাঙ্গীর রানা সেই কথা গানে গানে গায় ।তুমি ঘর ছেড়েছ বাহির পাইয়া রে সোহাগী ঘর দিমুনা হায় রে তোমায়,হায় রে হায়। এমন এই  অসাধারণ কথা ও সুরে নারী-পুরুষের অভিমানী ভালোবাসার  অনুভূতি প্রকাশ হয়েছে গানটিতে ।কিন্তু  কেন এমন অভিমান। প্রিয়জনকে মন না দিয়ে শুধু বাহিরের রূপ আর চাকচিক্য  দিতে চান গায়ক-গায়িকা! গানের এমন রহস্য  উদঘাটন করতে হলে কথা বলতে হবে গানটির  সওদাগরের সঙ্গে ।হবিগঞ্জ তথা সিলেট বিভাগের অন্যতম কবি লেখক সাহিত্যিক ও গীতিকার; জাহাঙ্গীর রানা বলছিলেন,আদর চাইলে আদর দিমু রে সওদাগর ও সোহাগীর রহস্য । তিনি বলেন, একজন নারী-পুরুষ যদি তাঁর প্রিয়জনের কাছ থেকে ভালোবাসার বিনিময়ে ভালোবাসা না পান সেই নারী বা পুরুষ যদি দেখেন তাঁর প্রিয়জন, সঙ্গী ,স্বামী-স্ত্রী কাছে তাঁর অন্তর নিঃসৃত মায়া মমতা ,চিরায়ত প্রেমের কোনো মূল্য নেই ,বরং তাঁর আরাধ্য নারী বা পুরুষ মানুষটি বহির্মুখী ; তখন তাঁর অন্তরের মনোবেদনা এমনি হবার কথা | আমি সেই কথাটাই গানে ফুটিয়ে তুলবার চেষ্টা করেছি| নারী-পুরুষ তাঁর যোগ্য ভালোবাসা সম্মান দেবার পক্ষে কথা বলেছি ।আর নারী-পুরুষের এই অভিমানী ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে  ‘সওদাগর ও সোহাগী’ গানটিতে। এবং মিষ্টি কন্ঠে  পুরুষের প্রতি নারীর এমন আবেগি ভালোবাসার প্রকাশ হয়েছে কণ্ঠশিল্পী পুষ্পিতা মিত্র পুষ্পর কন্ঠে ।এদিকে সওদাগরের বেশ দশক জনপ্রিয়তার মধ্যে শ্রোতাদের অনুরোধে আকাশ মাহমুদের কন্ঠে ‘সোহাগীর’ বাজিমাত। সওদাগর ও সোহাগী গান দু:টি  সিলেট বিভাগের অন্যতম গীতিকার: জাহাঙ্গীর রানার কথা সুর ও প্রযোজনায়।গান দু:টি পরিচালনায় ছিলেন, দেশের জনপ্রিয় ও প্রতিভাবান সংগীত পরিচালক আকাশ মাহমুদ। (সোহাগী) গানটি আকাশ মাহমুদ নিজেই গেয়েছেন।এছাড়াও সার্বিক সংযোগীতায় ছিলেন,আশিক আহমুদ,এইচএম রিদয়, শিউল বাবু  প্রমূখ।সম্প্রতি জনপ্রিয় মিউজিক্যাল চ্যানেল poraner gan ইউটিউব চ্যানেল থেকে এ দুটি গান রিলিজ হয়েছে। গান দুটি রিলিজ হওয়ার পর  থেকেই বেশ সাড়া পড়েছে দর্শক মহলে।যার ভিউয়ার্স প্রতিদিন বেড়েই চলেছে । সওদাগর ও সোহাগী গানটির বিষয়ে সংগীত পরিচালক আকাশ মাহমুদ বলেন, শ্রদ্ধেয় জাহাঙ্গীর  রানা বরাবরই ভালো গান লিখেন।ব্যক্তিগত ভাবে উনি আমার খুব প্রিয় একজন লেখক।এটা নিয়ে আসলে নতুন করে বলার কিছু নেই।এছাড়াও উনার বেশ কিছু গান আমি করেছি তার মধ্যে ‘যে রূপ লইয়া বড়াই করো রে বেইমান’ সওদাগর ও সোহাগী অন্যতম। সওদাগর ও সোহাগী আমার ভালো লাগার গান গুলির মধ্যে একটি।দর্শক জনপ্রিয় কন্ঠ শিল্পী পুষ্পিতার সঙ্গে ইতিমধ্যে আমার অনেক গুলো গানের কাজ হয়েছে।তার মধ্যে ‘সওদাগর’ গানটিতে  অন্য রকম  ভালো লাগা ও ভালোবাসা মিশে আছে।পুষ্পিতার সুন্দর গায়কি ও মডেলিং গানটিকে শ্রোতাদের কাছে আর বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে ।গানটিতে অভিমানী ভালোবাসার রোমান্স খুঁজে পাবেন শ্রোতারা।ইতিমধ্যে ‘সওদাগর ও সোহাগী’ সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দর্শকদের অনেক সুন্দর সুন্দর মন্তব্য আমাকে মুগ্ধ করেছে। দেশ-বিদেশ থেকে অনেকেই গানটি নিয়ে প্রশংসা করছেন।অনেকেই ম্যাসেঞ্জারে তাদের ভালো লাগার কথা জানাচ্ছেন, এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।অত্যন্ত যত্ন নিয়ে গানটি  তৈরি  করা হয়েছে যেটা শুনলেই দর্শক-শ্রোতারা উপলব্ধি করতে পারবে বলে মনে করছি।সওদাগর গানটিতে পুষ্পিতা নিজেই মডেলিং করেছেন।এবং ‘সোহাগী’ গানটি আকাশ মাহমুদ নিজেই গেয়েছেন ও মডেলিং করেছেন।গানটির প্রসঙ্গে শ্রোতাপ্রিয় সংগীত শিল্পী পুষ্পিতার সঙ্গে কথা  হলে তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই গান নিয়ে মেতে আছি। স্বপ্ন দেখি,গান গেয়ে একদিন সবার মন জয় করব। সেই স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলা ।পরিবারের সবাই কমবেশি গানের সঙ্গে জড়িত।পরিবারের সবার ছোট্ট মেয়ে আমি তাই পরিবার থেকে ভীষণ সাপোর্ট পাই।সেটাই আমার শক্তি।শ্রোতারা আমাকে অনেক অনুপ্রেরণা ও ভালোবাসা দিচ্ছেন।সেই ভালোবাসাই এবারের “সওদাগর” গানটি শ্রেতাদের জন্য উপহার।গানটি  আমার অনেক শ্রদ্ধেয় ও  অত্যন্ত গুণী ব্যাক্তিত্ব গীতিকার; জাহাঙ্গীর রানা ভাইয়ার সুর ও কথায়,জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক আকাশ মাহমুদ ভাইয়া পরিচালনা করেছেন ।গানটিতে কণ্ঠ দিতে পেরে খুবই ভালো লাগছে।ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই, সওদাগর’ এর সুরকার গীতিকার প্রযোজক,পরিচালক, poraner gan ইউটিউব চ্যানেল’সহ পুরো টিম মেম্বারদেরকে।উনাদের কারণেই গানটি এত সুন্দর ভাবে উপহার দিতে পেরেছি ।এবং আমি দর্শকদের ভালবাসার কাছে চির ঋণী ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।আশা করছি আমার ভক্ত-শ্রোতাদের কাছে গানটি অনেক ভালো লাগছে।জনপ্রিয় মিউজিক্যাল চ্যানেল poraner gan এ গানটি শোনতে পারবেন সবাই। সওদাগর ও সোহাগী গানটির রচয়িতা  জাহাঙ্গীর রানা জানান, গানটি নারী -পুরুষের অভিমানী   রোমান্সকে কেন্দ্র করে লেখেছি ।গতানুগতিক গানের মাঝে এবার ভিন্ন আঙ্গিকে তুলে ধরেছি ভালোবাসাকে।আশা করি সকলের ভাল লাগছে। যেহেতু নিজে লিখে সুর করি, নতুন কী দিতে পেরেছি, সেটাই আমার কাছে বড় বিষয়।শ্রোতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে গানটি তৈরি করেছি।শ্রোতাদের অনেক ভালো সাড়া পাচ্ছি।গানটিতে ভিন্নধারার  কথা ও সুর দেওয়ার চেষ্টা করেছি ।ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গান দুটি বেশ সাড়া ফেলেছে  ।আকাশ মাহমুদ  এবং পুষ্পিতা মিত্র পুষ্পার  কথা না বললেই নয়,অন্তত চমৎকার গেয়েছেন। তাদের অসাধারণ গায়কীতে গানটির সুর শ্রুতিমধুর হয়েছে। আকাশ মাহমুদ একজন প্রতিভাবান শিল্পী।এবং পুষ্পিতার মিষ্টি কন্ঠ সুর ও মিষ্টি স্বভাব সাথে তার অভিব্যক্তি দৃষ্টি আকর্ষণ করে সকলের । তাদের  জন্য আগামী দিনের অনেক অনেক শুভকামনা ও শুভেচ্ছা রইল।আমরা সব সময় এধরণের মূলধারার গানের চর্চা করে থাকেন যারা  তাদের নিয়ে কাজ করে আসছি। আমাদের দেশে  আকাশ ও পুষ্পিতার মতো শিল্পীদের গান হলো কন্ঠসম্পদ। তাদের লালন করার দায়িত্ব আমাদেরই। আশা করি আমাদের এই প্রয়াস সবার ভাল লাগবে।গানটি কতটুকু ভালো করতে পেরেছি জানিনা ।তার মাপকাঠি করা জন্য গানটি শ্রোতা ও দর্শকদের শোনার জন্য বলব।আমরা আশাবাদী ভক্ত এবং শ্রোতাদের কাছে গানটি ভালো লাগবে।এদিকে গানটির সম্পর্কে সাধারণ শ্রোতারা বলেন,গানটির কথা এবং সুর এক কথায় অসাধারণ ।কন্ঠশিল্পী  আকাশ মাহমুদ  এবং   পুষ্পিতার কন্ঠে গানটি অনেক ভালো মানিয়েছে। এক কথায় মনোমুগ্ধ করার মতো গান এটি ।গীতিকার; জাহাঙ্গীর রানার কাছে এই রকম অসাধারণ  আরো গানের  অপেক্ষায় শ্রোতারা।

নবীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বড় ভাকৈর ইউনিয়নের হলিমপুর গ্রামে জমির রমজমার টাকা নিয়ে ছোট ভাইর হাতে বড় ভাইর খুনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার বিকেলে হলিমপুর তাদের নিজ বাড়িতে এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানাযায়,নবীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বড় ভাকৈর ইউনিয়নের হলিমপুর গ্রামের উমান প্রবাসী নিহত গৌরাঙ্গ দাস (৫৫) মৃত বিরীন্দ্র দাশের পুত্র। জমির রমজমার টাকা নিয়ে দুই ভাইয়ের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে  বাকবিতন্ডা সৃষ্টি হয়। সোমবার এক পর্যায়ে ছোট ভাই গোপেন্দ দাস তার বড় ভাই গৌরাঙ্গ দাসের গলা টিপে ধরে শ্বাসরোধ করে দেয়ালে ধাক্কা দিয়ে পেলে দেয়। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় লোকজন গৌরাঙ্গ দাসকে উদ্ধার করে ইনাতগঞ্জ পল্লি ক্লিনিকে নিয়ে আসলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটির সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশ টি উদ্ধার করে  নবীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসেন।ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হয়। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের করা হয়নি তবে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদ জানান,লাশটি উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর ঘটনার মূল রহস্য জানা যাবে।

নবীগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে প্রায় অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ৩ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।বাকিদের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।শনিবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের গুজাখাইর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।স্থানীয়রা জানান, কঠোর লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি অপেক্ষা করে শনিবার বিকেলে গুজাখাইর মাঠে লম্বাহাটি ও পশ্চিমহাটির যুবকদের মধ্যে প্রীতি ফুটবল খেলা চলছিল।খেলার শেষ পর্যায়ে লম্বাহাটি দলের এক খেলোয়াড় মাঠ থেকে নেমে যান। নিয়ম অনুযায়ি ৫ মিনিট পর তিনি পুণরায় মাঠে নামার নিয়ম থাকলেও দুই মিনিট পরও তিনি মাঠে নামতে চান। এ নিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।এ পর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরেন। সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হন।আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় নূরুল ইসলামের ছেলে তাজুল ইসলাম (২০), কুদরত উল্ল্যার ছেলে সাদিকুর রহমান (১৭) ও নূর খাঁ’র ছেলে মুহিন খাঁ’কে (২৪) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ডালিম আহমেদ বলেন, ‘ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

সারাদেশের ন্যায় নবীগঞ্জে লকডাউনের প্রথম দিনে  উপজেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে মাস্ক পরিধান না করায় এবং সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্য বিধি অমান্য করার দায়ে ৬টি মামলা ও ৩ হাজার ৪শত টাকা জরিমানা প্রদান করছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত । শুক্রবার (২৩জুলাই) সকালে নবীগঞ্জ উপজেলা পৌর এলাকায়,সহ কাজিরবাজার, ইনাতগঞ্জ বাজার, আউশকান্দি বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয় । ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উত্তম কুমার দাশ।অভিযানে সহযোগীতা করেন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন শিয়াবুজ্জামান শিহাবসহ একদল সেনা। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে জরুরী পণ্যর দোকান পাঠ খোলার নির্দেশ দেয়া হয় । কিন্তু লোকজন স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে বেশি সংখ্যক লোকজন এক সাথে কেনাকাটা করতে আসেন । দোকান গুলোতে ভীড় জমান । এদের অনেকেরই নেই মাস্ক । লকডাউনের  শক্রবার সকালে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখার দায়ে ও স্বাস্থ্য বিধি অমান্যকারি ব্যক্তিকে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ , নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল আইন অনুযায়ী মোট ৩হাজার ৪শত টাকা জরিমানা করা হয় এবং ৬ টি মামলা দেয়া হয়েছে । তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি ) উত্তম কুমার দাশ জানান। এ অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। অপর  দিকে লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়নে থানা অফিসার ইনর্চাজ মোঃ ডালিম আহমদের নেতৃত্বে পুলিশও মাঠে রয়েছে।

নবীগঞ্জ থেকে ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।এ ঘটনায় আনসারের প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) জুয়েল মিয়া (৩২), মো. আব্দুল্লাহ (৩৪) ও কামাল মিয়াকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।মঙ্গলবার (২০ জুলাই) গভীর রাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের গোপাল বাজার টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব তাদের গ্রেপ্তার করে।এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছে। র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯ এর একটি দল ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের গোপাল বাজার টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার ও গাঁজা বহনকাজে ব্যবহৃত কার জব্দসহ আনসারের প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) জুয়েল মিয়া, মো. আব্দুল্লাহ ও কামাল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে জুয়েল মিয়া নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসারের প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) বলে জানা গেছে।এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ডালিম আহমেদ বলেন, ‘র‌্যাব গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করেছে। এরমধ্যে একজন নবীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনাসার টিমের কমান্ডার বলে জানা গেছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে থানায় মামলা হয়েছে।

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার গুঙ্গিয়াজুড়ি হাওড়ে সাবেক এমপির মৎস্য ফিশারীতে জাহাঙ্গীর মিয়া (৩৫) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের গুঙ্গিয়াজুড়ি হাওড়ে সাবেক এমপি মুনিম চৌধুরী বাবুর মালিকানাধীন ফিশারীর উপর অবস্থিত একটি ঘর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। জাহাঙ্গীর মিয়া উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের কুর্শি গ্রামের মতিন মিয়ার ছেলে। সে সাবেক এমপি মুনিম চৌধুরী বাবুর মালিকানাধীন ফিশারীর পাহাড়াদার হিসেবে কর্মরত ছিল।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয়  পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এম এ মুনিম চৌধুরীর বাবুর মালিকানাধীন মৎস্য ফিশারী উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের গুঙ্গিয়াজুড়ি হাওড়ে অবস্থিত।দীর্ঘদিন ধরে ওই ফিশারীর পাহাড়াদার হিসেবে কর্মরত ছিলেন জাহাঙ্গীর মিয়া। পাহাড়াদার জাহাঙ্গীর ফিশারীর পাড়ে একটি ঘরে বসবাস করতো। মঙ্গলবার বিকেলে বসত ঘরের তীরের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় জাহাঙ্গীরের দেহ দেখেন পান স্থানীয় লোকজন। পরে খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ ডালিম আহমেদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবুল খায়ের।এ প্রসঙ্গে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ডালিম আহমেদ বলেন, বসত ঘরের তীরের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় জাহাঙ্গীরের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আপাতত কিছু বলা যাচ্ছেনা আমরা কাজ করছি, ছুরতহাল রিপোর্ট ও ময়না তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular