Wednesday, 09 June 2021 11:42

নবীগঞ্জ নোয়াগাঁও ধর্ষণ হামলার ঘটনায় আহত পরিবারের মানবতার জীবন যাপন,জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে ধর্ষিতা

মোঃ হাসান চৌধুরী.

বার্তা সম্পাদক : দৈনিক নবীগঞ্জের ডাক। 

নবীগঞ্জ উপজেলায় পানিউমদা ইউনিয়নর নোয়াগাঁও গ্রামে রাতের আধারে ফিশারীর পাড়ে অবস্থিত একটি ঘরে ডুকে স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করেছে একদল দুর্বৃত্তরা। ওই সময় হামলাকারীরা গৃহবধুকে জোর পূবর্ক ধষন ও তাদের অবুঝ শিশুকে ঘর থেকে জমিতে ফেলে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। ঘটনায়  নবীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। দূর্বত্তদের হামলায় আহত  আবুল মিয়া ও তার অবুঝ শিশু  কিছুটা সুস্থ বাড়ি ফিরলে হাসাপাতালে  এখন তার স্ত্রী চিকিৎসারত অবস্থায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনের মাঝে রয়েছেন। তাদের একমাত্র ১ বছরের দুধের শিশুটি মাকে না পেয়ে দনি দিন অসুস্থ হয়ে পরেছে। আবুলের পিতা একজন মানসিক রোগি পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী আবুল বিছনায় থাকায় মানবতার জীবন যাপন করচ্ছে তার পরিবার। এলাকার লোকজনের সাহায্য সহযোগিতায় এখন তার পরিবারের ভরসা। হামলার ঘটনার পর থেকে সে নিজে এখন আবুল তাবুল কথা বলে। সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, গজনাইপুর ইউনিয়নের সাতাইহাল পূর্বপাড়া গ্রামের আব্দুর নূরের ছেলে আবুল মিয়া (২৭) ও আবুলের স্ত্রী ঝারু বেগম (২২), সাতাইহাল গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর উদ্দিন (বীর প্রতীক) এর মালিকানাধীন মৎস্য ফিশারী কেয়ারটেকারের কাজে নিয়োজিত ছিল। ওই ফিসারীটি উপজেলার গুঙ্গিয়াজুড়ি হাওড়ের নোয়াগাঁও গ্রামের রোক্কা বিলের পাশে অবস্থিত।সেই ফিশারী দেখা শোনা করে আসছিলেন আবুল মিয়া ও ঝারু বেগম। ফিশারীর মধ্যেই একটি ঘরে আবুল ও ঝারু এক শিশু সন্তানসহ বসবাস করে আসছিলেন।আহত আবুল জানান , নোয়াগাঁও গ্রামের এমরান মিয়া,রমজান মিয়া,হেলাল মিয়াগংরা প্রতি নিয়ত ফিশারীর মাছ চুরি করে নিয়ে যেত। আহত আবুল মিয়া এতে বাধা দিলে তাকে প্রাণে হত্যার হুমকি দেয়। নিরোপায় হয়ে সে স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের কাছে বিচার দায়ের করেন। বিচার দায়ের করার পর ওই দিন রাতেই অভিযোক্তরা ফিশারীর মধ্যে অবস্থিত ঘরের বিতরে প্রবেশ করে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর উপর প্রতিকল্পিত ভাবে দাড়াঁলো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এমনকি তাদের হাত থেকে রেহায় পায়নি কোলে থাকা শিশু বাচ্চাটি।এ সময় ঝারু বেগমকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে স্বামী আবুল এতে বাঁধা দেয়। ক্ষিপ্ত হয়ে এমরান মিয়া,রমজান মিয়া,হেলাল মিয়াগংরা স্বামী-স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি দাড়াঁলো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করে। পরে তাদেরকে মৃত ভেবে তারা চলে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও গোপলার বাজার তদন্ত কেন্দ্রের একদল পুলিশ আহত স্বামী-স্ত্রীকে আশংকাজনক অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। আহত স্বামী-স্ত্রীর মাথা ও শরীরে বিভিন্ন স্থানে দাড়াঁলো অস্ত্রের অসংখ্য আঘাত রয়েছে। হামলার শিকার পরিবারটি এখন মানবতার জীবন পার করছেন। পরিবারের একমাত্র আয়েয় উৎস ছিল একমাত্র ছেলে আবুল মিয়া। আহতের আবুলের মা কান্নার কন্ঠশুরে বলেন, আমার একমাত্র সম্বল ছিল আমার ছেলে। তারা আমার ছেলেকে পুঙ্গ করে দিয়েছে হামলাকারীরা।হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে আমার ছেলের বউ ঝাড়ু বেগম। মাকে না পেয়ে দুধের শিশুটি কান্নায় পাগল প্রায়।এলাকা ও গ্রামের মানুষের সহযোগিতার হাতই এখন আমার পরিবারের ভরসা। আবুলের মা আরো বলেন,আমি আমার ছেলে,ছেলের বউ ও আমার নাতির উপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্ত মূলক দাবি করচ্ছেন।

Login to post comments
  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular