Login to your account

Username *
Password *
Remember Me

Create an account

Fields marked with an asterisk (*) are required.
Name *
Username *
Password *
Verify password *
Email *
Verify email *
Captcha *
Reload Captcha

কোপা আমেরিকায় কলম্বিয়ার বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও শেষ সময়ের রোমাঞ্চে জয় পেয়েছে শিরোপা প্রত্যাশী ব্রাজিল। দীর্ঘ সময় পিছিয়ে থাকা দলকে সমতায় ফেরান রবের্তো ফিরমিনো। পরে যোগ করা সময়ে গোল করে সেলেকাওদের জয় নিশ্চিত করেন কাসিমিরো।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) রিও ডি জেনেইরোর নিল্তন সান্তোস স্টেডিয়ামে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচ ২-১ গোলে জিতেছে ব্রাজিল। টানা দুই ম্যাচে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ড্র করার পর এবার জিততে পারল তারা।

ম্যাচের ১০ম মিনিটেই দুর্দান্ত একটি গোল দিয়ে বসেন কলম্বিয়ান স্ট্রাইকার লুইজ দিয়াজ। ব্রাজিলের বক্সের মধ্যে জটলার মধ্যেই হুয়ান কুয়াদ্রাদোর নেয়া একটি ক্রসকে মাথার ওপর দিয়ে বাইসাইকেল কিক নেন দিয়াজ। গোলরক্ষক ওয়েভার্টনের কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেটি গিয়ে আশ্রয় নেয় ব্রাজিলের জালে।

একটি গোল দেয়ার পরই পুরোপুরি ডিফেন্সিভ হযে যায় কলম্বিয়া। তাদের ডিফেন্সিভ হাফেই বল নিয়ে প্রবেশ করা কঠিন হয়ে পড়ে নেইমারদের জন্য। বল নিয়ে প্রবেশ করতে গেলেই তুমুল বাধার সম্মুখিন কলম্বিয়ানদের কাছ থেকে। শেষ পর্যন্ত অনেক চেষ্টা করেও প্রথমার্ধে কলম্বিয়ার গোলের তালা আর খুলতে পারেনি ব্রাজিল।

কোপা আমেরিকায় কলম্বিয়ার বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও শেষ সময়ের রোমাঞ্চে জয় পেয়েছে শিরোপা প্রত্যাশী ব্রাজিল। দীর্ঘ সময় পিছিয়ে থাকা দলকে সমতায় ফেরান রবের্তো ফিরমিনো। পরে যোগ করা সময়ে গোল করে সেলেকাওদের জয় নিশ্চিত করেন কাসিমিরো।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) রিও ডি জেনেইরোর নিল্তন সান্তোস স্টেডিয়ামে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচ ২-১ গোলে জিতেছে ব্রাজিল। টানা দুই ম্যাচে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ড্র করার পর এবার জিততে পারল তারা।

ম্যাচের ১০ম মিনিটেই দুর্দান্ত একটি গোল দিয়ে বসেন কলম্বিয়ান স্ট্রাইকার লুইজ দিয়াজ। ব্রাজিলের বক্সের মধ্যে জটলার মধ্যেই হুয়ান কুয়াদ্রাদোর নেয়া একটি ক্রসকে মাথার ওপর দিয়ে বাইসাইকেল কিক নেন দিয়াজ। গোলরক্ষক ওয়েভার্টনের কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেটি গিয়ে আশ্রয় নেয় ব্রাজিলের জালে।

একটি গোল দেয়ার পরই পুরোপুরি ডিফেন্সিভ হযে যায় কলম্বিয়া। তাদের ডিফেন্সিভ হাফেই বল নিয়ে প্রবেশ করা কঠিন হয়ে পড়ে নেইমারদের জন্য। বল নিয়ে প্রবেশ করতে গেলেই তুমুল বাধার সম্মুখিন কলম্বিয়ানদের কাছ থেকে। শেষ পর্যন্ত অনেক চেষ্টা করেও প্রথমার্ধে কলম্বিয়ার গোলের তালা আর খুলতে পারেনি ব্রাজিল।

বিরতির পর নিজেদের লিড ধরে রাখতে আরো রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলে কলম্বিয়া। ব্রাজিলের একের পর এক আক্রমণ রুখে দেয় তারা। তবে ৭৮ মিনিটে গোল হজম করে তারা। এ সময় বামদিক থেকে ব্রাজিলের রেনান লোদি ক্রসে বক্সের মধ্যে বল বাড়িয়ে দেন। বলকে অনুসরণ করে পেনাল্টি বক্সের সামনে গিয়ে হেড নেন রবার্তো ফিরমিনো। বল কলম্বিয়ার গোলরক্ষক ডেভিড ওসপিনার হাত ছুঁয়ে গোললাইন অতিক্রম করে।

যদিও এই গোলটি নিয়ে ব্যাপক আপত্তি তোলে কলম্বিয়া। বেশ কিছু সময় নষ্ট হয় রেফারির সঙ্গে কলম্বিয়ার খেলোয়াড়দের দেন-দরবারে। শেষ পর্যন্ত গোলটি টিকে যায়।

গোল নিয়ে আপত্তি করে সময় নষ্ট করার কারণে যোগ করা সময় দেওয়া হয় ১০ মিনিট। আর এই যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে কর্নার পায় ব্রাজিল। নেইমারের নেওয়া কর্নার কিক থেকে কাসেমিরো গোল করে জয় নিশ্চিত করেন।

অবশ্য এই হারে ঝুঁকিতে আছে ৪ ম্যাচ খেলে ফেলা কলম্বিয়া। ইকুয়েডর ও ভেনেজুয়েলিয়া তাদের শেষ ম্যাচে বড় জয় পেলে ছিটকে যেতে পারে তারা।

‘বি’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিল ৩-০ গোলে হারিয়েছিল ভেনেজুয়েলাকে। পরের ম্যাচে পেরুকে উড়িয়ে দিয়েছিল ৪-০ গোলে। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে আগেই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে সেলেকাওরা।

নবীগঞ্জে রহস্যজনকভাবে হারিয়ে যাওয়া পুত্রকে ফিরে পেলেন পিতা। গতকাল মঙ্গলবার সকালে নবীগঞ্জ থানা থেকে পুত্র রনজু শব্দকরকে বুঝিয়ে নিলেন। অবশেষে রহস্য জনক ঘটনাটির অবসান হলো।
স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, নবীগঞ্জ উপজেলার করগাওঁ ইউপির কমলাপুর গ্রামের সনৎ শব্দকর এর ছেলে রঞ্জু শব্দকর দীর্ঘদিন যাবৎ পৌর এলাকার রাজাবাদ গ্রামের কুরুশ আলীর ছেলে মামুন মিয়ার বাড়িতে হাসেঁর খামারে কাজ করতো। সম্প্রতি সে সকলের অগোচরে স্বেচ্ছায় ধর্মান্তরিত হয়। প্রায় ১ মাস পুর্বে উক্ত রনজু শব্দকর (২২ )কে খামার মালিক মামুন ৪০ হাজার টাকা দিয়ে নবীগঞ্জ বাজারে এক দোকানে দেয়ার জন্য পাটায়। সে ওই দোকানে না গিয়ে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দেয়। নানা স্থানে খোজাঁখুজি করে তাকে না পেয়ে মামুন মিয়া তার বাড়িতে গিয়ে তার বাবা সনৎ শব্দকরকে বিষয়টি জানায়। এ সময় সনৎ শব্দকর তার ছেলের দায় নিতে অস্বীকার করে। ফলে মামুন মিয়া নবীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এর দু’দিন পর রনজু শব্দকরের বাবা সনৎ শব্দকরও ঘটনার বর্ণনা দিয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি হারানো জিডির জন্য দরখাস্ত দেন। দুটি অভিযোগই তদন্ত করেন এএসআই সৌরভ দাস। ইতিমধ্যে লোকমুখে জানাযায়, নিখোজঁ রনজু শব্দকর গোপনে তার বোন জামাই, বাবা সনৎ শব্দকরসহ আত্মীয় স্বজনের সাথে যোগাযোগ করে। তবে উক্ত তথ্য গোপন রেখে সনৎ শব্দকর তার ছেলেকে বের করে দেয়ার জন্য মামুনকে চাপ প্রয়োগ করে। গত সোমবার রাতে রনজু শব্দকর তার বাবা’র সাথে ফোনে যোগাযোগ করে নবীগঞ্জ আসে। এই খবর পেয়ে স্থানীয় মুরুব্বীয়ান মঙ্গলবার সকালে রনজু শব্দকর’কে থানায় হাজির করলে পুলিশ জিডি মুলে তার পিতা সনৎ শব্দকরের নিকট সমঝিয়ে দেয়া হয়। নিখোজঁ রনজু শব্দকর ফিরে আসায় হাসঁ খামার মালিক মামুন ও তার পরিবার মিথ্যা অভিযোগ থেকে রক্ষা পাওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে। 

নবীগঞ্জে অশ্লীল ভিডিও ও অবৈধ বিড়ি বিক্রি এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির দায়ে ২ ব্যাক্তিকে জেল জরিমানা প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার নবীগঞ্জ উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের ইমামবাড়ি বাজারে সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মহি উদ্দিন অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ বিড়ি ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির অপরাধের দায়ে উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের পুরানগাঁও গ্রামের ক্ষিতিস রাযের পুত্র রাজু রায় (৩৬)কে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ এর ৩৭ ধারার অপরাধে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অশ্লীল ভিডিও বিক্রি অপরাধের দায়ে উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের পুরানগাঁও গ্রামের রনি দাশের পুত্র সাগর দাশ (২২)কে দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৯২ ধারার অপরাধে ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রসিকিউশন সহায়তা প্রদান করেন নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন জানান,সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে , নকল রাজস্ব ট্যাগ লাগিয়ে দেশের লক্ষ লক্ষ টাকা ফাঁকি দিচ্ছে।অবৈধ বিড়ি বিক্রি এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।এবং ইভটিজিং ও অশ্লীল কাজ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারন হচ্ছে অশ্লীল ছবি , ভিডিও বিক্রি ও তার প্রসার। বিভিন্ন বাজারে কম্পিউটার সার্ভিসিং এর নামে এসব বিক্রি হচ্ছে! গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১ ব্যাক্তিকে ১০ হাজার টাকা ও অপর ব্যাক্তিকে ৩ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়।এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে ও বলে জানান তিনি।

নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নে পিতা মাতাকে  নির্যাতন করার দায়ে ছেলে বিশ্বজিৎ রায় (২১) নামে এক যুবককে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (১৬ জুন) রাত ১০টায় নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মহি উদ্দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এ দ-াদেশ দেন। দ-প্রাপ্ত বিশ্বজিৎ রায় নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের মামদপুর গ্রামের বিধান রায়ের ছেলে। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বাবা-মাকে নির্যাতন করে আসছিল বিশ্বজিৎ রায়। একাধিক বার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এসব কর্মকা- থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করলেও সে বাবা-মায়ের উপর নির্যাতন অব্যাহত রাখে। বুধবার ফের বাবা-মাকে নির্যাতন করে বিশ্বজিৎ রায়। পরে তাকে এলাকার লোকজন আটক করে স্থানীয় ইউপি সদস্য তোফাজ্জল হক বকুলের বাড়িতে আটকে রাখেন।
পরে খবর পেয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মহি উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সহকারে ঘটনাস্থলে গিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বাবা-মাকে মারধরের দায়ে দ-বিধি ১৮৬০ এর ৩৫৫ ধারার অপরাধে ছেলে বিশ্বজিৎ রায় (২১) ১ বছর বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়। নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মহিউদ্দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের হৈবতপুর, লস্করপুরসহ আশপাশের গ্রামে প্রায় ৪ হাজার মানুষের বসবাস। হৈবতপুর গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় শিক্ষাখাত থেকে পিছিয়ে পড়ছে ওই এলাকার মানুষ। এর ফলে বিপদগামী হচ্ছে শিশু-কিশোর ও যুবসমাজ। প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য বিভিন্ন স্থানে ঘুরেঘুরেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এ বিষয়ে অবগত হওয়ার পর প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। জানা যায়, উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে অবস্থিত হৈবতপুর, লস্করপুর গ্রাম। স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকে হৈবতপুর গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য বিভিন্ন জনপ্রতিনিধির আকুতি জানিয়ে আসছেন ওই এলাকার লোকজন। কিন্তু বার বার আবেদন জানালেও তারা কর্ণপাত করেনি। গ্রামগুলোর প্রায় ৪ শতাধিক শিার্থীরা দূরবর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে লেখাপড়া করেন। এর ফলে ঝরে পড়ছে অনেক শিক্ষার্থী। হৈবতপুর গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণে স্থানীয়দের অপ্রাণ চেষ্টার ফলে ১৯৯৮ সালে ৩৩ শতক জায়গা বিদ্যালয়ের নামে দান করা হয়। কিন্তু বিদ্যালয় স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। হৈবতপুর গ্রামের মুরুব্বি আব্দুল ওয়াহিদ জানান, বয়স অনেক হলো, বৃদ্ধি হয়ে গেছি, এই গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য অনেক মানুষের দ্বারে-দ্বারে গেছি কিন্তু তার প্রেক্ষিতে পেয়েছি শুধু আশ্বাস কাজের কাজ কিছুই হয়নি, স্থাপিত হয়নি বিদ্যালয়। মৃত্যুর আগে এই গ্রামে একটি বিদ্যালয় দেখে যেতে চাই। এব্যাপারে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি। শিশু মিয়া নামে এক অভিভাবক জানান, আমাদের গ্রামে স্কুল না থাকায় পাশ্ববর্তী দেবপাড়া ইউনিয়নের গোপলার বাজারে আমার সন্তানকে ভর্তি করতে নিয়ে গেলে শিক্ষকরা জানান, অন্য ইউনিয়নের ছাত্র ভর্তি করার কোনো আইন নেই এর ফলে আমার সন্তানসহ হৈবতপুর গ্রামের অনেক শিশু-কিশোর ঝড়ে পড়ছে। শিক্ষার অভাবে শিশু-কিশোর ও যুবসমাজ বিপদগামী হচ্ছে। ওই গ্রামের শিশু মিয়া জানান, আশপাশে স্কুল না থাকায় প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে ফুটারমাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমার মেয়ে ভর্তি করেছিলাম। অনেক সময় বৃষ্টি হলে রাস্তার বেহাল দশা হয়ে যায় এ জন্য ২ কিলোমিটার দূর স্কুলে যাওয়া সম্ভব হয়না, দ্বিতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করে অনেক দূর স্কুল হওয়া আমার মেয়ে পড়ালেখা ছেড়ে দেয়। ওই এলাকার আব্দুর রহিম নামের ব্যক্তি জানান, হৈবতপুর গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপন হলে সু-শিক্ষা গ্রহণ করে একটি সুন্দর সমাজ গঠন করতে পারবে এই এলাকার শিশু কিশোর। ইতোমধ্যে হৈবতপুর গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য এলাকাবাসী গণস্বাক্ষর সহকারে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, হৈবতপুর গ্রামে একটি স্কুল প্রয়োজন, উধ্বতর্ন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে বিষয়ে যা করণীয় আমি করবো। নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন বলেন, হৈবতপুর গ্রামে বিদ্যালয় নেই বিষয়টি আমি পূর্বে অবগত ছিলাম না, আমি এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের সাথে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এ প্রসঙ্গে জানতে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এলাকাবাসীর আবেদন করেছেন এর প্রেক্ষিতে ওই এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনে যথাযথ প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের ৭৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি গতকাল ১৬ জুন কমিটি অনুমোদন প্রদান করেন। একই সাথে জেলা আওয়ামীলীগের ২৯ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটিও অনুমোদন প্রদান করা হয়। সম্মেলনে নির্বাচিত জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এডঃ মোঃ আবু জাহির এমপি ও সাধারণ সম্পাদক এডঃ আলমগীর চৌধুরীর নিকট অনুমোদিত কমিটি হস্তান্তর করেন দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি। এ সময় হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জেলা যুবলীগ সভাপতি ও অনুমোদিত কমিটির ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান সেলিম ও নতুন কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ময়েজ উদ্দিন শরীফ রুয়েল উপস্থিত ছিলেন।
২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে নির্বাচিত জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এডঃ মোঃ আবু জাহির এমপি ও সাধারণ সম্পাদক এডঃ আলমগীর চৌধুরী স্থানীয় নেতৃবৃন্দের পরামর্শ অনুযায়ী ৭৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনের জন্য প্রায় এক বছর পূর্বে কেন্দ্রে প্রেরণ করেন।
অনুমোদিত হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের পুর্ণাঙ্গ কমিটি ও উপদেষ্টা কমিটি নি¤েœ প্রদান করা হলো।
সভাপতি এডঃ মোঃ আবু জাহির এমপি, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এডঃ সিরাজুল হক চৌধুরী (সাবেক সহ-সভাপতি), বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী টিপু (সাবেক সহ-সভাপতি), শেখ সামছুল হক (সাবেক সহ-সভাপতি), এডঃ মোঃ আবুল ফজল (সাবেক সহ-সভাপতি), এডঃ মোঃ মনোয়ার আলী (সাবেক তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক), মোঃ আক্রাম আলী (সাবেক কৃষি সম্পাদক), মোঃ সজিব আলী (সাবেক শ্রম সম্পাদক), এডঃ আফিল উদ্দিন (সাবেক ত্রাণ সম্পাদক), এডঃ শাহ কুতুব উদ্দিন (সাবেক শিক্ষা সম্পাদক), ডাঃ অসিত রঞ্জন দাশ (সাধারণ সম্পাদক-স্বাচিপ) ও এডঃ প্রবাল কুমার মোদক (আওয়ামীলীগ নেতা), সাধারণ সম্পাদক এডঃ মোঃ আলমগীর হোসেন (সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, সাবেক সহ-সভাপতি), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান সেলিম (মেয়র-হবিগঞ্জ পৌরসভা ও সভাপতি-জেলা যুবলীগ), এডঃ লুৎফুর রহমান তালুকদার (সাবেক যুগ্ম সম্পাদক) ও জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম (সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক), আইন বিষয়ক সম্পাদক এডঃ ময়েজ উদ্দিন শরীফ রুয়েল (সাবেক সদস্য উপ-কমিটি), কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রেজাউল মুহিত খান (সাবেক শিল্প সম্পাদক), তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক মোঃ নিয়ামুল হক রানা (সাবেক মন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদ এর পুত্র), ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক এডঃ রুকন উদ্দিন তালুকদার (সাবেক ভিপি, এজিএস-বৃন্দাবন কলেজ), দপ্তর সম্পাদক আলমগীর খান (সাবেক দপ্তর সম্পাদক), ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এডঃ মোঃ আতাউর রহমান (সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক), প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক এডঃ হুমায়ূন কবীর সৈকত (সাবেক স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সম্পাদক), বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এডঃ আব্দুল মোছাব্বির বকুল (সাবেক উপ প্রচার সম্পাদক), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এডঃ শাহ ফখরুজ্জামান (সাবেক উপ-দপ্তর সম্পাদক), মহিলা বিষয়ক সম্পাদক স্বপ্না রানী দেব (মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী), মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল কালাম আজাদ (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদ), শিক্ষা ও মানব সম্পদ সম্পাদক এডঃ আবুল মনসুর চৌধুরী (সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক), শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক এডঃ মোঃ নুরুল ইসলাম তালুকদার (আওয়ামীলীগ নেতা), শ্রম সম্পাদক শঙ্খ শ্রভ্র রায় (সাবেক সদস্য), সাংস্কৃতিক সম্পাদক গৌতম মহারতœ (সাবেক এমপি পুত্র), স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সম্পাদক ডাঃ দেবপদ রায় (সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক), সাংগঠনিক সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী বুলবুল (সাবেক ছাত্রলীগ নেতা), মশিউর রহমান শামীম (সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক), এডঃ সুলতান মাহমুদ (সাবেক সদস্য), উপ-দপ্তর সম্পাদক এডঃ তুষার মোদক (সাবেক ছাত্রলীগ নেতা), উপ-প্রচার সম্পাদক এডঃ আজিজুর রহমান সজল খান (সাবেক ছাত্রলীগ নেতা), কোষাধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান শামীম (যুবলীগ নেতা)। সদস্য কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী, সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ, বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এডঃ মোঃ মাহবুব আলী এমপি, সাবেক জাতীয় পরিষদ সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ শরীফ উল্লাহ, সাবেক সহ-সভাপতি মুকুল আচার্য্য, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এডঃ চৌধুরী আবুবক্কর সিদ্দিকী, সাবেক সদস্য মোঃ জিতু মিয়া, সাবেক তথ্য অফিসার আবু সালেহ মোঃ শিবলী, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এডঃ সালেহ উদ্দিন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মর্তুজা হাসান, সাবেক যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এডঃ ক্ষিতিশ চন্দ্র গোপ, সাবেক শিল্প সম্পাদক মোঃ তজম্মুল হক চৌধুরী, সাবেক সদস্য এডঃ সৈয়দ আফজাল আলী দুদু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এডঃ পারভীন আক্তার, সাবেক সদস্য এডঃ কনক জ্যোতি সেন রাজু, সাবেক সদস্য এডঃ মোতাক্কিন চৌধুরী খোকন, সাবেক সদস্য মোঃ আব্দুর রহিম, সাবেক সদস্য মোঃ নাজমুল হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী, জেলা বারের সাবেক সম্পাদক এডঃ সুবীর চন্দ্র রায়, প্যানেল মেয়র জাহির উদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ হাবিব খান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা চৌধুরী ফয়জুর রহমান মোস্তাক, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি মোস্তফা কামাল আজাদ রাসেল, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ, পৌর আওয়ামীলীগ নেতা সায়েদুজ্জামান জাহির, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোঃ রাসেল চৌধুরী, সাবেক আওয়ামীলীগ নেতা সুখেন্দু রায় বাবুল, সাবেক যুবলীগ নেতা ফেরদৌস আহমেদ, সাবেক যুবলীগ নেতা এডঃ নারদ চন্দ্র গোপ, সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক শামীম আহমেদ ও সাবেক কৃষি সম্পাদক সেলিম চৌধুরী।
উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্যগণ হলেন, সৈয়দ গাজীউর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল কাদির লস্কর, এডঃ আশরাফ উদ্দিন আহমেদ, শেখ মুজিবুর রহমান, মোঃ নুরুল হক ভূইয়া, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দারুজ্জমান খান ধন মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রাণেশ দত্ত, বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আলী, জমিলা খাতুন, এডঃ ফজলে আলী, এডঃ সুমঙ্গল দাশ, ডাঃ নজারা চৌধুরী, এডঃ এআর আখল মিয়া, সুকুমল রায়, আব্দুল হাসিম, অধ্যাপক তোফাজ্জল ইসলাম চৌধুরী, নুরুল হক নুর, মোঃ গিয়াস উদ্দিন, সালাহ উদ্দিন সালু, মোঃ ইসমাইল হোসেন, এডঃ রুহুল হাসান শরীফ, শেখ একেএম সুফী, প্রকৌশলী অমিত চক্রবর্তী, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিজয় কুমার রায়, এডঃ শ্যামল কুমার চৌধুরী, সালেহ আহমেদ চৌধুরী, আওলাদ হোসেন ও এএসএম এনায়েত উল্লাহ তারেক।

নবীগঞ্জ উপজেলার বড় শাকোয়া গ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আব্দুল মাহিদ (৫৫) নামে মালেশিয়া প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে সিলেট সামছুদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। গতকাল বুধবার দুপুরে জানাযার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। সুত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার করগাওঁ ইউপির বড় শাকোয়া গ্রামের আব্দুল মাহিদ দীর্ঘদিন যাবৎ মালেশিয়া প্রবাসে থাকতেন। গেল রমজান মাসে তিনি দেশে আসেন। গত কয়েক দিন আগে তিনি নবীগঞ্জ ওসমানী রোডস্থ ভাড়া বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার শ্বাস কষ্ট বেড়ে গেলে সিলেট সামছুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে করোনার নমুনা পরীক্ষা করলে পজিটিভ রির্পোট আসে। ৩/৪ দিন যাবৎ আইসিয়োতে থাকার পর মঙ্গলবার রাতে মৃত্যুর খোলে ঢলে পড়েন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মৃতের ছোট ভাই আব্দুল আহাদ।

নবীগঞ্জ উপজেলায় জুয়া খেলার দায়ে ও জুয়া খেলার স্থান করে দেয়ায় মার্কেট মালিকসহ ১০জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছে মোবাইল কোর্ট। গতকাল বুধবার (১৬ জুন) রাত ৯ টায় নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মহি উদ্দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মহি উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সহকারে উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের গোপলার বাজারে অবস্থিত মর্তুজা কমিউনিটি সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ১০জনকে আটক করা হয়। পরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জুয়া খেলার দায়ে দেবপাড়া ইউনিয়নের জালালসাফ গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে আব্দুল বাছিত (৪৮), হাবিবুর রহমানের ছেলে ফয়জুর রহমান (৬০), বৈঠাখাল গ্রামের মৃত আলকাছ মিয়ার ছেলে মালা মিয়া (৩১), মৃত ছত্তার মিয়ার ছেলে সেলিম মিয়া (৪১), ভানুদেব গ্রামের মৃত সঞ্জব উল্লাহ’র ছেলে আবুল মিয়া (৬২), আব্দুল হকের ছেলে আইনুল হক (২৬), গহরপুর গ্রামের আলকাছ উল্লার ছেলে ছানু মিয়া (৪৭), সাদুল্লাপুর গ্রামের আব্দুল আহাদের ছেলে মিলন মিয়া (৩০), হৈবতপুর গ্রামের সঞ্জব আলীর ছেলে ইউনুস আলী (৩৮)কে জুয়া আইনে ১ মাস করে বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়। এবং জুয়া খেলার স্থান করে দেয়ায় মার্কেট মালিক ফুটারচর গ্রামের গোলাম মর্তুজার ছেলে জাবেদ মিয়া (৪০) কে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়। নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মহিউদ্দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নবীগঞ্জ থানা পুলিশ দেড় কেজি গাজাসহ আব্দুল হামিদ নামে এক গাজা ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। গতকাল সোমবার (১৪ জুন) বিকালে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করেন। ধৃত আব্দুল হামিদ (৬২) পুর্ব জাহিদপুর গ্রামের মৃত হাবিব উল্লার ছেলে। তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।পুলিশ সুত্রে জানাযায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের পুর্ব জাহিদপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়ি থেকে গাজা এর ব্যবসা করে আসছে। সোমবার বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই স্বপন চন্দ্র সরকার ও এএসআই আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে বাড়ি থেকে আব্দুল হামিদকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার ঘর তল্লাশী করে দেড় কেজি পরিমানের গাজাঁ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে এসআই স্বপন চন্দ্র সরকার জানান, ধৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নবীগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও হাওড় পাড়ে মুক্তিযোদ্ধা নুর উদ্দিন (বীর প্রতীক) এর ফিশারীতে গৃহবধুকে ধষর্নের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় দায়েরী মামলায় ৫ আসামীকে জেলা হাজতে প্রেরন করেছেন হবিগঞ্জের আমল আদালত-৫ (নবী) এর বিচারক।রবিবার উক্ত আসামীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে তাদের জামিন না মঞ্জুর করা হয়।
সুত্রে জানাযায়, উপজেলার সাতাইহাল গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর উদ্দিনের মালিকানাধীন একটি মৎস্য ফিশারী রয়েছে পানিউন্দা ইউপির নোয়াগাঁও রুক্ষারপাড় হাওড়ে। উক্ত ফিশারীতে পাহারাদার হিসেবে সাতাইহাল গ্রামের আব্দুর নুর এর ছেলে আবুল মিয়া,তার স্ত্রী ঝাড়– বিবি শিশু সন্তানকে নিয়ে বসবাস করে আসছে। বিগত ২৬ মে দিবাগত রাতে নোয়াগাওঁ গ্রামের একদল দুর্বৃত্ত আবুল মিয়ার বসতঘরে ঢুকে জোরপুর্বক তার স্ত্রী ঝাড়– বিবিকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। এতে আবুল মিয়া বাধা দিলে ৬/৭ জনের দুর্বৃত্তে¡র দল ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর উপর হামলা চালায়। বর্বর এই হামলায় আবুল মিয়া (২৭) ও তার স্ত্রী ঝাড়– বিবি(২২) গুরুতর আহত হয়। আহত ঝাড়– বিবির হাতের কব্জি দ্বিখন্ডিত হয়ে পরে। মাথায় উর্পযুপরি কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দুর্বৃত্তরা। পরে পুলিশ স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহতদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। বর্তমানে ঝাড়– বিবির অবস্থা আশংখ্যা জনক বলে তার পরিবার জানিয়েছেন। এই বর্বর হামলার ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। অমানবিক এই লোমহর্ষক ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন গজনাইপুর ইউপির সাতাইহাল গ্রামসহ ৬ মৌজার মানুষ। এই ঘটনার জেরধরেই পরবর্তীতে নোয়াগাওঁ গ্রামে তান্ডবের ঘটনা ঘটে। এদিকে গতকাল রবিবার হবিগঞ্জ আমল আদালত-৫ (নবী)তে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন নোয়াগাওঁ গ্রামের সফর আলীর ছেলে রমজান মিয়া(৩৫), হেলাল মিয়া (৩২), আফজল মিয়ার ছেলে এমরান মিয়া (৩৫), আওলাদ মিয়া (৩২) ও আবু বক্কর (২৭)। বাদী-বিবাদী পক্ষের বিজ্ঞ কৌশলীদের শুনানী শেষে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পবন চন্দ্র বর্বণ তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরন করেন।

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular
X

দুঃখিত !

ওয়েব সাইটে এই অপশন নাই।