Login to your account

Username *
Password *
Remember Me

Create an account

Fields marked with an asterisk (*) are required.
Name *
Username *
Password *
Verify password *
Email *
Verify email *
Captcha *
Reload Captcha
Sunday, 09 June 2019 15:26

বিএনপির এবং আওয়ামীগের শাসনের তুলনামূলক আলোচনা।

✍ শামীম আহমদ চৌধুরী

বিএনপির আমলে তারেক রহমান হারিছ-মামুন-বাবরদের নিয়ে  হাওয়া ভবনে বিরাট এক সেন্ডিকেট গড়ে তুলে ছিল যারা বিভিন্ন কাজের টেন্ডার, নিয়োগ বদলী এমন কি কোন কাজ হবে কি,  হবেনা তাও নিয়ন্ত্রন করতো।  সাইফুর রহমানের মত প্রভাবশালী মন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেছিলেন তার দেয়া বিদ্যুৎ উতপাদন কেন্দ্রের প্রজেক্ট বন্ধ করে দেয় তারেক রহমান তার মাকে দিয়ে, টিকাধারী প্রতিষ্টান হাওয়া ভবনের শর্ত পুরন করতে রাজি হয় নাই বলে।

 

         এই সব হারিছ চৌধুরী, ববাবর আর মামুন গংরা পয়সা কামিয়েছে দুহাতে যা   পুলিশ,  আর্মি,  র‍্যাব,  বিচার বিভাগ এমন কি  সাধারন মানুষও জানত খোলাখুলি ভাবে।খাম্বা মামুনেরা খাম্বা বানিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গেছে,  বিদ্যুৎতের লাইন ছাড়া খাম্বা দিয়ে দেশবাসী কি করবে এটা তাদের মাথায় একবাও আসেনি। সাধারন মানুষের অবস্তা ছিল নুন আনতে পান্তা ফুরানোর, কোন মতে খেয়ে না খেয়ে বাঁচা, আর চাকুরীজীবিরা  নিজেদের বেতনের টাকায় কেউ ভালো করে চলতে পারতো না। এই যখন দেশের সার্বিক অবস্তা ছিল তখন কিছু লোকের রাজকীয় চলাফেরা কেউই ভালো চোখে দেখেনি। 

       যে মঈন  আহমদকে খালেদা জিয়া সিনিয়রিটি ভেংগে সেনাবাহিনী প্রধান বানালেন সে মঈন আহমদই তার বাহিনী দিয়ে ক্ষুধার্ত বাঘের  মত তারেকের হাঢ় গুড় ভেংগে দিলেন।  শধু আর্মি কেন, র‍্যাব, পুলিশ, আমলা, বিচারক এত দিন যারা বসে বসে আংগুল চুষে ছিলেন তারা সেই আংগুল বিএনপির পাচায়  ঢুকিয়ে দিয়ে প্রতিশোধ নিলেন । তারেক মামুন বাবর গংদের চেংদোলা করে একা খাওয়ার মজা বুঝিয়ে দিল পুলিশ আর্মি র‍্যাব, বিডিয়ার সবাই মিলে। 

     কেউ খাবে, কেউ খাবেনা তা হবেনা, তা হবেনা- এই প্রচলিত সত্যটিকে আওয়ামীলীগ  ভালো করে রপ্ত করছে বলে তারা বিনা নির্বাচনে  এত দিন ধরে দিব্বি ঠিকে আছে এবং আরো বেশ কয়েক বছর টিকে থাকবে। 

          আওয়ামিলীগের আমলে নির্দিষ্ট কোন হাওয়া ভবন  বা তারেক-মামুন গ্যাং গড়ে উটে নাই ঠিকই কিন্তু হাওয়া ভবনের  মত লক্ষ লক্ষ কমিশন খাওয়ার  ভবন আর গ্যাং  জেলা থেকে থানা, এমন কি গ্রাম পর্যায়েও গড়ে উঠেছে  । আওয়ামীলীগের দলীয় কাটামো শক্ত বলে  উপর থেকে নিচের লেভেল পরযন্ত সবাইকে সমান ভাবে কমিশন খাওয়ার শুযোগ করে দিয়েছে  । শুধু আওয়ামিলীগ কেনো বিএনপি,জাসদ, জাতীয় পার্টির নেতা কর্মিকেও কমবেশি কমিশন খাওয়ার ব্যাবস্তা করে দিয়েছে । 

      শুধু রাজনৈতিক নেতা ও কর্মিই না পুলিশ আর্মি র‍্যাব বিডিয়ার, আমলা, বিচার বিভাগ সবাইককে যার যার ক্যাটাগরিতে উপরি খাওয়ার সু ব্যাবস্তা করে দিয়েছে আওয়ামীলীগ সরকার যা বিএনপির সরকার করেনি। প্রধান বিচারপতির উপরি খাওয়ার স্কুপ নাই বলে তাকে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা প্রধান মন্ত্রী দান করেন বন্যার্তদের তহবিল থেকে। আমেনা, ময়মুনা আর গুল নাহারের পাচ সের আটার সাথে আবুল খয়েরকেও কয়েক লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল সেই গরীব দু:খী আর বন্যার্তদে  তহবিল থেকে। জানিনা খয়ের  খাঁ সাহেবরা টাকার জন্য  আমেনা, ময়মুনাদের সাথে লাইনে দাঁড়াইয়া ছিলেন কিনা?

       যে যেভাবে পারে সেভাবেই টাকা কামাই করছে।  পুলিশ ক্রস ফায়ারের ভয় দেখিয়ে সাধারন মানুষ, ব্যাবসায়ীর  কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করেছে যা অপেন সিক্রেট হয়ে গেছে যখন আওয়ামিলীগ দলীয় এম,পির সংসদে দাড়িয়ে ভিডিও সহ পুলিশের বিরুদ্ধ্যে  অভিযোগ তুলার মধ্যে দিয়ে । আর  কোটি টাকা নিয়ে মানুষ খুন করা র‍্যাবের প্রধান ব্যাবসা হয়ে দাড়িয়েছে এই সরকারের আমলে। এখন ক্রসফায়ার একটা মামুলী বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে,বাসা -বাড়ি  থেকে ধরে নিয়ে গুলি করে মেরে ফেলে একটা স্ট্যাটম্যান্ট দিলেই সাত খুন মাপ হয়ে যায়।

     র‍্যাবের রেট নাকি এখন   খুন প্রতি কোটি টাকা আর পুলিশের রেট তারচেয়ে অনেক কম। তবে মোল্লা নজরুল ইসলামের মত পুলিশের  বড় অফিসারের রেট র‍্যাবের চেয়েও কিন্তু বেশী।  এত সুন্দর ব্যাবসা, খাটুনী কম আয় বেশী, এমন ব্যাবসা বিশ্বের কোন সভ্য দেশে আজ পরযন্তও চিন্তা করতে পারেনি! কেরানী গঞ্জের নজরুল কমিশনারকে খুন করতে নাকি ৫কোটি টাকা নগদ দেয়া হয়েছিল, একেবারে উপর থেকে নিয়ে নিচ পরযন্ত  সবাই এর ভাগ পাবে বলে রেটটা একটু বেশী হয়ে গিয়েছিল ।

     বিএনপির আমলে এভাবে হত্যা করে টাকা রুজি করা পুলিশ,  আর্মি র‍্যাব কারো পক্ষ্যে সম্ভব ছিলনা। কারন,   বিএনপির আমলে  আর্মি,   র‍্যাব,  পুলিশ বা  বিডিয়ার কোন নির্দিষ্ট  মানুষকে বা বিরুধী দলীয় করমিকে  খুঁজে খুঁজে বের গুলি করে মারার কোন আদেশ ছিল না যা আওয়ামিলীগ সরকার নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য দিয়ে দিয়েছে। পুলিশ, আর্মি,  র‍্যাব, বিডিয়ার এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিরুধী দলীয় নেতা করমিদেরতো মারছেই,  ঘরদ্বোর  লুটতরাজ করছেই, তার উপর কোন ঝক্কি-ঝামেলায় না জড়ানো  সাধারন নিরিহ মানুষ- ব্যাবসায়ীকে ক্রস ফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা পয়সা,  জায়গা জমি নিজের নামে রেজিস্ট্রি করে নিচ্ছে।

       বিএনপির আমলে সন্ত্রাস ছিল বাংলা ভাইয়ের।  গ্রেনেড হামলা করেছিল জে,এম,বির লোকেরা শেখ হাসিনাকে মারার জন্য। জন.এফ.কেনেডি, মারটিন লুথার কিং, মালকম এক্সের মত বড় বড় অনেক লিডার মারা গেছেন বিচ্ছিন্ন সনত্রাসী আক্রমনে। ইউরুপ আমেরিকায়ও বড় ধরনের গ্যাং আছে যেমন মাফিয়া, জন গটির গ্যাম্বিনো ক্রাইম ফ্যামিলি,   বানাঞ্জা গ্যাং, স্পানিশ কিং, হ্যালাঞ্জল  অনেক কিছু।  সাধারন মানুষের এরা ক্ষতি করে, কিন্তু  প্রশাসনের শক্ত ভুমিকার কারনে  এরা এক সময় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। জন গটির মত নিউইয়র্ক  কাঁপানো মাফিয়া জেলের কুটিরে মারা গেছে।এই মানুষগুলো  মানূষরুপী হায়েনা,  সমাজের নষ্ট কীট।এরা সরকারে কোন সুশ্রিংখল বাহিনী না বলে এদের সমাজের তেমন বড় কোন ক্ষতি করার সুযোগ নাই।

         বিএনপির আমলের দুর্নীতি ছিল বিচ্ছিন্ন, বিক্ষিপ্ত, শুধু হাওয়া ভবনের সহিত  সংশ্লিষ্ট     সুপার ষ্টারই সংযুক্ত ছিল এই সব অপরাধ মুলক কর্ম কান্ডে কিন্তু আওয়ামিলিগের  আমলে সেটা ছড়িয়ে পড়েছে সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে পুলিশ,  আর্মি, র‍্যাব, বিডিয়ারের মাঝে। দুর্নিতী দেশে এখন দেশের বিভিন্ন সুশ্রিংখল বাহিনীর কালচার হয়ে দাড়িয়েছে। যে সুশ্রিংখল বাহিনীতে কাজ করে দুর্নিতী করেনা সে সেই বাহিনীতে অপাংক্তেয়, অজ্ঞ, আনস্মারট। এ ধরনের মানুষকে সে সব বাহিনী থেকে বের করে দেয়া হয় বিরুধী দলীয় এজেন্ট হিসাবে সাব্যস্ত করে।

       সাধারন মানুষ যদি দুর্নীতি বা ক্রাইম করে তার ইফেক্ট কিন্তু সমাজে তেমন গভীর গিয়ে পৌঁছায়  না। একেক জন সাধারন মানুষ হল একেকটা বিচ্ছিন্ন বিট অথবা বিক্ষিপ্তভাবে এখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পুকুরের মত। এক পুকুরের পানি বা মাছ যদি নষ্ট হয়ে যায় তখন  গ্রামের আসে পাশের  পুকুরের বা নদী-নালার  কোন ক্ষতি করতে পারেনা।  কিন্তু কোন নদী যদি নষ্ট হয়ে যায় তখন অন্যান্য নদী নালা খাল বিল সব কিছু নষ্ট হয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়।

           পুলিশ আর্মি র‍্যাব, বিডিয়ার  এরা হলো নদীর মত বহমান। এই নদীতে যদি নষ্ট শুরু হয়ে যায় তখন  দুর্যোগ অনিবার্য।  ধমনী -রক্তনালী যেভাবে রক্ত বহন করে শরীরকে বাঁচিয়ে রাখে তেমনি পুলিশ আর্মি র‍্যাব বিডিয়ার আইনের রক্তকে বহন করে দেশ এবং জাতিকে বাচিয়ে রাখে। এরা রাষ্ট্র-দেশ বএবং সমাজের অন্যায়,অবিচার দুর করে  শান্তি-শ্রিংখলার রক্ষার গুরু দায়িত্ব পালন করে। এদের  কেউই  একা বা বিচ্ছিন্ন ইউনিট নন , প্রত্যেক প্রত্যেকের সহিত অংগা অংগীভাবে জড়িত।  বিচ্ছিন ভাবে এদের কেউ  যদি  কোন ক্রাইম করে   থাকে  এটার বড় ধরনের কোন ইফেক্ট পড়েনা সমাজে। তার ধরা পড়া এবং শ্বাস্তি ভোগ করাটাই স্বাভাবিক। বিষাক্ত স্বর্পে কারো আংগুলে কামড় দিলে সেই আংগুলকে শক্ত সুতা দিয়ে টাইট করে বেধে দেয়া হয় যাতে  বিষ কনা দেহের  রক্ত প্রবাহে প্রবেশ করতে না পারে। বিষ কনা রক্ত প্রবাহ দিয়ে ফুসফুস পরযন্ত চলে গেলে সেই প্রানকে  বাঁচিয়ে রাখার সম্ভাবনা ক্ষিন।

 

     নারায়ণগঞ্জের সাত খুনে নারায়ণগঞ্জ ইউনিটতো জড়িতই তার উপর বিডিয়ারের উপপরিচালকসহ উপর থেকে নিচ পরযন্ত অনেকেই  জড়িত বলে কর্নেল সাইদ তার জবানীতে বলেছে।

      এই কর্নেল সাইদ এত সাহস পেল কিভাবে দিনে দুপুরে সাত জন মানুষকে অপহরন করে পাকিস্তানী হায়েনাদের মত বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে  হত্যা করার। প্রত্যেকের নাভি বরাবর বেয়োনেট দিয়ে ফুড় করে দিয়েছিল তারা । লক্ষিপুরের আর ফেনীর বিরুধী দলীয় অপ্রতিরোধ্য  আন্দোলনকে থামাতে   এই  কর্নেল সাইদের নেত্রীত্বে র‍্যাবের একটা টিমকে মাঠে নামায়  সর্বময় ক্ষমতা দিয়ে বর্তমান আওয়ামিলীগ সরকার।   ফেনীতে অপারেশন চালাতে গিয়ে গুলি-হত্যা করেও যখন তারা জনতার দ্বারা প্রবল ভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ফিরে আসতে পারতেছিল না তখন হেলিকপ্টার দিয়ে তাদের অস্ত্র আর গোলারুদ  পাটিয়ে সাহায্য করা হয় এমন কি তাদের ফিরিয়ে আনাও হয় হ্যালিকপ্টার দিয়ে।  এরাই লক্ষিপুরের জামাত নেতা ডা: ফয়েজ আহমদকে রাতে গুলি করে হত্যা করে যা তার ছেলে ছাদের কার্নিশে লোকিয়ে প্রত্যক্ষ করেছিল। মধ্যরাতে  ডা: ফয়েজ র‍্যাবের পরিচয় শুনে দরজা খুলে দিলে তারা তাকে ছাদে নিয়ে বুকে অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে হত্যা করে বাড়ি থেকে কয়েক গজ দুরে লাশ ফেলে রেখে চলে যায়। কচু কাটতে কাটতে হাত পাঁকানোর মত তারা বিরুধী দলের নেতা করমিকে  মেরে এমন ভাবে হাত পাকিয়ে ছিল যে, যে কাউকে হত্যা  করতে আর তাদের হাত কাঁপছিল না। তাদেরকে এমন ধারনা হয়েছিল যে তাদেরকে হত্যাকান্ডের জন্য ইম্যুনিটি দেয়া হয়েছে, তারা বিনা বাধায়  যে কাউকে হত্যাকরতে পারে।একাউন্টিবিলিটির উরধে চলে যাওয়ার এই  সহজ সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে শুধু সাইদ কেন পুলিশ আর্মি র‍্যাব, বিডিয়ারের অনেকে আংগুল ফুলে কলাগাছ বনে  যায়।

       আগষ্ট ৩০ আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষে ঢাকায় যে অনুষ্টান হয় তাতে দেখা যায় বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে  অপহৃতকে র‍্যাবের পরিচিয়ে তুলে নিয়ে  গুম করা হয়েছে। আইন শৃখলা বাহিনীর পরিচিয় বিশেষ করে র‍্যাবের পরিচিয় দিলে যে কেউই গাড়ি থামিয়ে দিতে বা  ঘরের  দরজা খুলে দিবে এটাই স্বাভাবিক । কমিশনার নজরুল তার বেশ কয়েকজন অস্ত্রধারী বডিগার্ডসহ  সাতজনেরএকটি  টিমকে নিয়ে বাড়ী ফেরার  পথে  র‍্যাবের আদেশে গাড়ী থামিয়ে চেক করার অনুমতি দিয়েছিলেন, ডা: ফয়েজ র‍্যাব দেখে দরজা খোলে  দিয়েছিলেন।কিন্তু র‍্যাব আইন আদালত মানবতাকে বৃদ্ধাংগুলী দেখিয়ে পাকিস্তানী হায়েনাদের মত হত্যায় মেতে ওটে। আইন শ্রিংখলা রক্ষাকারী বাহিনী এমন অনৈতিক কাজ করতে পারবে বলে স্বপ্নেও নজরুল, ফয়েজ তাদের কেউ ভাবেনি যেমন ভাবেননি  ইলিয়াস আলী, আলম চৌধুরীসহ অসংখ্য এবং অগনীত গুম হয়ে যাওয়া ব্যাক্তিরা।

 

     আওয়ামিলীগ যেভাবে সাধারন মানুষ থেকে নিয়ে পুলিশ আর্মি র‍্যাব বিডিয়ার, আমলা আর  বিচার বিভাগের চরিত্র নষ্ট করে দিয়েছে যা একদিন তাদেরকেও এই নষ্টের জন্য পস্তাতে হবে। যারা আজ নষ্টের নেত্রীত্বে আছেন ভবিষ্যত প্রজন্ম তার ছেলে মেয়ে নাতি নাতনি এই অধ:পতনের জ্বালায় জ্বলবে।

        কেউ কেউ বলেন শেখ হাসিনা আবার বাকশাল তৈরি করেছেন। আমি বলি শেখ হাসিনা বাকশালের বাবার বাবা তৈরি করেছেন। যে সব ভুলের কারনে বাকশাল ধ্বংস হয়েছিল শেখ হাসিনা সে সব ভুলের যায়গা বন্ধ করে দিয়েছেন বলে বাকশালের মত শেখ হাসিনার সরকারের পতন সম্ভব নয়।

         স্বাধীন মনোভাবাপন্ন যত আর্মি অফিসার ছিলেন, যারা বাকশাল গঠনে প্রধান বাধা হয়ে দাড়াতে পারতেন,  শেখ হাসিনার সরকারের প্রথম ধাপেই তাদের বিডিয়ার দরবার হলে শেষ করে ফেলা হয়েছে। তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের মত আলাদা বাকশাল সৃষ্টির চিন্তা  না করে পুলিশ, বিডিয়ার,  র‍্যাব আর  আর্মিকেই বাকশাল রুপে গড়ে তোলার   চেষ্টা করতেছেন। তার বাবার আমলে আর্মি অবহেলিত হয়ে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার্থে বাকশালের ধ্বংসে সাহায্য করেছিল কিন্তু শেখ হাসিনার আমলে আর্মিকে পুর্ন সম্মানের সহিত আরাম আয়েসে ভূগ বিলাসে থাকার ব্যাবস্তা করা হয়েছে। অতএব এই আর্মি, পুলিশ, র‍্যাব, বিডিয়ার কেউই এই সরকারের বিরুদ্ধ্যে নাক গলাবেনা, গলানোর প্রশ্নই আসেনা।

    দেশের শাসন ব্যাবস্তায় নর্থ কোরিয়ার কাটামোকে পরিপুরন ভাবে গ্রহন করা হয়েছে বলে  দেশে যে আর সরাসরি  নির্বাচন হবে না এটা মোটামোটি নিশ্চিত করে বলা যায়। আগামীতে ১৫৬ আসনে  নয় ৩০০ আসনেই একক প্রার্থী দাঁড় করানো হবে জাতীয় এক্যের  সরকারে নামে যেমনটা নর্থ কোরিয়ায় হয়ে থাকে। তবে হয়তো ২-৪ জন ডামী প্রার্থী দাড় করানো হবে বিশ্বকে দেখানোর জন্য।  জনগনের এই  সব নিরবাচনে গেলেও যা, না গেলেও তাই? 

     অতএব এই আওয়ামী সরকার যে আরো ১৫-২০ বছর ক্ষমতায় আছে তা হল্ফ করে বলা যায়।ফিলিপিন প্রেসিডেন্ট ফারনান্দো মারকোস নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ছিলেন শেখ হাসিনার মত,  যখন দেখলেন  আর নির্বাচিত হওয়া সম্ভব নয় তখন সংবিধান পরিবরতন করে নিজে নিজেই নির্বাচিত হতে লাগলেন। ৫জানুয়ারি ২০১৪ স্টাইলে  নিরাচন যে এ পৃথিবীতে  একটা হয়েছে তা নয়, সাদ্দাম, মোবারক,  গাদ্দাফিরা লাইফে অসংখ্য বার এ ধরনের নির্বাচন করেছেন, শেখ হাসিনাও করেছেন এবং ভবিষ্যতেও করবেন। একটা সংবিধানের অধীনে নির্বাচিত হয়ে গনভোট ছাড়া পুরু নিরাচন ব্যাবস্তাকেই  পরিবতন করা কোন সভ্যদেশে সম্ভব নয়। 

    বিএনপির তারেক-মানুন গং  দেশে লুটতরাজ করেছে কিন্তু পুলিশ র‍্যাব, আর্মি বিডিয়ারের মাঝে লুটতরাজের সংস্কৃতি ঢুকিয়ে সমস্ত দেশটাকে জলন্ত আগ্নেয়গিরিতে রুপান্তরিত করেনি। ঐশীর মত অসংখ্য ঐশীরা বাবা-মার লুটতরাজের পয়সায় জাহান্নামের কবর খোদছে প্রতিদিন। আওয়ামিলীগ সরকার যে সংস্কৃতি শুরু করেছে এর জন্য তাদেরকেই ভোগতে হতে হবে।

শামীম আহমদ চৌধুরী (নিউ ইয়র্ক  ২০ শে অক্টোবর, ২০১৪)

Last modified on Sunday, 09 June 2019 15:34
Rate this item
(1 Vote)
Login to post comments
  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular

LIVE STREAMING

Jun 11, 2019 391 Movies

X

দুঃখিত !

ওয়েব সাইটে এই অপশন নাই।