Login to your account

Username *
Password *
Remember Me

Create an account

Fields marked with an asterisk (*) are required.
Name *
Username *
Password *
Verify password *
Email *
Verify email *
Captcha *
Reload Captcha
মতামত

মতামত (21)

মতামত: 

☀☀আওয়ামীলীগের সাংসদ, তার ঘরের কাজের ছেলের হাতে সেনাবাহিনীর লেফটেন্টেন্ট, ডিসি অথবা  ইউ এন ও এর  লাত্থি গুতো  খাওয়াতে  খারাপের  কোন কিছু নাই ? প্রবাদে আছে না,"যে গরু দুধ দেয় তার লাথি খাওয়াও ভালো!"☀☀

 

✍✍ কর্ণেল মোঃ শহিদ উদ্দিন(অবঃ ) বলেছেন, গত সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর প্রতিটি অফিসার আওয়ামীলীগের কাছ থেকে ব্যাগ ভর্তি কাঁচা টাকা পেয়েছেন কারচুপির সুযোগ দেওয়ার বিনিময়ে। আর ইউএনও ডিসিদের কথা নাইবা বল্লাম।

✍✍  কারো কাছ থেকে  ঘুষ নিলে  অথবা  টাকার বিনিময়ে কারো অন্যায় আবদার পালন করে দিলে  সে আপনাকে এক পয়সারও দাম দেবেনা-এটি অবধারিত সত্য। আপনাকে মনে করবে কোরবানির মাঠে বিক্রি হওয়া গরুর মত , যে কেউ বেশি টাকা দিয়ে আপনাকে  কিনে নিতে পারবে। এসব কারণেইতো   সেনাবাহিনীর লেফটেন্টেন্ট থেকে নিয়ে  ডিসি পর্যন্ত আওয়ামীলীগের সংসদ অথবা তাদের কামলা-কাজলাদের  লাত্থি গুতো খেয়ে রাস্তা-ঘাটে  আজ  হাউমাউকরেকাঁদতেদেখি।

  ✍✍ সেনাবাহিনীর লেফটেন্টকে  ঢাকার রাস্তায় দাঁড়িয়ে হাউমাউ করে কাঁদতে দেখলাম,  সংসদ হাজি সেলিমের পুলা জুতা পেটা করে দাঁত ভেঙে ফেলে দিয়েছে  তার স্ত্রীকে লাঞ্চিত করেছে !

ফেসবুক ইউটিউবে দেখলাম , ইউএনও -ডিসিকে সংসদ নিক্সন চৌধুরী শুয়রের বাচ্চা , কুত্তার বাচ্চা, মাদারচুত ছাড়া কথা বলেনা। " হুঙ্কার  দেয়এখনই আসতেছি তোকে লাত্থি দিয়ে অফিস থেকে বের করে দিতে!” 

 

✍✍ মেজর সিনহার বুকে গুলি করে লাথি গুঁতো দিয়ে মুখ থেঁতলে দিতে প্রদীপের একটুও চিন্তা করতে হয়নি কারণ সে জানে টাকার বিনিময়ে বিক্রি  হওয়া অফিসাররা না মর্দ হয়ে থাকে। তারা তার কোন কিছু করাতো   দূরের কথা লোমটি পর্যন্তও   স্পর্শ করতে পারবেনা।   সে প্রথম শ্রেণীর বন্ধির মর্যাদা নিয়ে- এসিরুমের সোফায় গা এলিয়ে - " নাচ ময়ূরী নাচ...."  ঝংকারী গানের সাথে কোমল পানিও গলধ করন করছে।   

  ✌✌ "YOU MUST PAY FOR EVERYTHING IN THIS WORLD ONE WAY OR ANOTHER”✌✌

 


বিঃ দ্রঃ   মতামতে প্রকাশিত লিখার  জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।    

Media

উইলিয়াম শেক্সপিয়র যথার্তই বলেছিলেন, "পৃথিবীর জীবন নামক নাট্যমঞ্চে সবাই একেকজন অভিনেতা /অভিনেত্রী। শুধুমাত্র চরিত্রগুলো ভিন্ন।" পৃথিবীর নাট্যমঞ্চে ভাল চরিত্রের বড়ই অভাব ! পৃথিবীর নাট্যমঞ্চের দিকে তাকালে দেখা যায় বেশির ভাগ অভিনেতা / অভিনেত্রীরা কেউ চোখের আলো থাকা সত্ত্বেও অন্ধের ভান করছে, কেউ চামবাজী করে জি হুজুর -জি হুজুর করছে, কেউ বোধশক্তি হারিয়ে নির্বোধের মতো আচরন করছে , কেউ নিজেকে আত্ত-অহমিকায় সর্বোত্তম মনে করছে,কেউ করছে লুচ্চামি, কেউ করছে নোংরামি, কেউ করছে ভন্ডামি, কেউ নিন্দার কাজে ব্যস্ত, কেউ হিংসার কাজে ব্যস্ত, কেউ ধ্বংসলীলার কাজে ব্যস্ত ,কেউ খেলছে আর কেউ হা করে নিরব দর্শকের মতো তাকিয়ে আছে , যেন এই দুনিয়াতে দেখা ছাড়া তার কিছুই করার নেই ! মাঝে মাঝে মনে উকি দেয় প্রশ্ন মানুষের এই রং বা রুপের শেষ কোথায়? আজ মানুষ হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে সমাজকে বিষাক্ত করে তুলছে। স্রষ্টা মানুষকে বিবেক-বুদ্ধি দিয়েছেন ভাল-মন্দ বুঝার জন্য। আর সেই মানুষ স্রষ্টার দেওয়া বিবেক-বুদ্ধি কে উপেক্ষা করে দিনের পর দিন মন্দ কার্যে লিপ্ত থেকে প্রকৃতি ও মানুষের জীবনকে করে তুলেছে বিষাক্ত।আর সময়বুঝে এই বিষাক্ত হওয়া প্রকৃতি নেয় সবচেয়ে বড় প্রতিশোধ তার উপর অন্যায় -অভিচারের !সময়মতো, প্রকৃতিও বুঝিয়ে দেয় প্রত্যেক মানুষকে তার পাপ্য হিসেব । এটাই "ন্যাচারাল ল"।যাইহোক, একটা গল্প বলে আজকের লেখা শেষ করছি। গল্পটা হল বিদেশী এক বাই-সাইকেল ওলা এবং এক অবসরপ্রাপ্ত আর্মি অফিসারের। বাই-সাইকেলের মালিক বয়সে খুব তরুন ছিল। প্রতিদিন সকালে সে বের হত আর মনের আনন্দে ঘুরে বেড়াত। একদিন সকালে সে দেখতে পায় রাস্তায় একজন লোক আহত অবস্থায় পড়ে আছে। সে ঐ আহত লোকটিকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। আহত ব্যক্তির জ্ঞান ফিরে আসলে সে জানতে চায় সে এখানে কিভাবে আসল? উপস্থিত থাকা সাইকেল ওলা বলে, "আপনি রাস্তায় পড়ে ছিলেন। আমি আপনাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছি।"আহত ব্যক্তি সাইকেল ওলাকে ধন্যবাদ দেয় এবং জানতে চায় তার পরিচয়। সাইকেল ওলা উত্তরে বলে বাই-সাইকেল ছাড়া এই দুনিয়াতে আমার কেউ নাই!!! কথাটা শুনে আহত ব্যক্তি খুব মর্মাহত হলেন। সাইকেল ওলা বলল আপনার সম্পর্কে বলেন। উত্তরে আহত ব্যক্তিটি বলেন," আমি একজন আর্মি অফিসার। আল্লাহ্'র‌ রহমতে আমার বউ- ছেলে-মেয়ে সবই আছে।" তারপর সাইকেল অফিসার সাহেবকে বাড়ি দিয়ে আসে। পরের দিন সাইকেল ওলা আবার যায় অফিসার সাহেব কে দেখতে।এভাবে দিনের পর দিন আসা যাওয়া করতে করতে অফিসার সাহেব ও সাইকেল ওলার মাঝে অনেক ভাল বন্ধুত্ত গড়ে উঠে।দুইজন-ই- খুব সকালে বের হত ব্যায়াম করতে। একজন - আরেক জনের সাথে সুখ-দুঃখের কথা শেয়ার করত। একদিন গল্প করার সময় অফিসার সাহেব জানতে চান সাইকেল ওলার কাছে তোমার স্বপ্ন কি? উত্তরে সাইকেল ওলা বলে, "একটি খামার বাড়ি। আমি ছোটবেলা থেকে একটি খামার বাড়ির স্বপ্ন দেখতাম আর ভাবতাম আমার স্বপ্ন সত্যি হলে আমি একজন সুখী মানুষ হব। তারপর সাইকেল ওলা অফিসার সাহেবকে বলে আপনাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করব অনেক দিন ধরে ভাবতেছি। আমি খেয়াল করে দেখলাম আপনি মাঝে মাঝে অন্যমনস্ক হয়ে কি ভাবেন?" উত্তরে অফিসার সাহেব বললেন, "তোমার সাথে আমি সব বিষয় -ই শেয়ার করি। আর এটাও লুকাব না। আমি পারিবারিক কলহে জর্জড়িত। তাই আমার বাসায় থাকতে বেশি ভাল লাগে না। আমার একটা খামার বাড়ি আছে ঐখানেই সময় কাটাই। তোমায় ঠিকানা দিচ্ছি তুমি কাল চলে এসো আমার খামার বাড়িতে।" পরের দিন সকালে সাইকেল ওলা গেল ঐখামার বাড়িতে। অফিসার সাহেব তাকে দেখে কাছে আসতে বললেন। সে কাছে আসলে অফিসার সাহেব তার হাতে একটা কাগজ দিয়ে বলেন আজ থেকে এই খামার বাড়িটি তোমার । তিনি আর ও বলেন, "তোমার স্বপ্ন আজ সত্যি হয়েছে। এটা আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা আর তুমিও আমার সবছেয়ে প্রিয় মানুষ তাই তোমায় দিলাম।" কথাগুলো শুনে সাইকেল ওলার চোখে জল এসে যায় আর সে অফিসার সাহেব কে কাঁদতে কাঁদতে জড়িয়ে ধরে বলে ,"আমার জীবন দিয়ে হলেও আমি আপনার দেওয়া উপহারটা আগলে রাখব।" তারপর দুইজন দুইজনের বাসায় চলে যায়। পরের দিন সকালে সাইকেল ওলা খামার বাড়িতে যায়। সে অফিসার সাহেবের জন্য অপেক্ষা করছে অনকেক্ষন ধরে।অপেক্ষা করতে করতে অফিসার সাহেব না আসার কারনে সে রওনা দেয় অফিসার সাহেবের বাসার উদ্দেশ্যে। বাসার সামনে হাজির হতেই সে কান্নার শব্দ শুনতে পায়। বাসার ভিতরে গিয়ে দেখে অফিসার সাহেব মারা গেছেন। অফিসার সাহেবের লাশ দেখে সে মূর্তির মতো দাড়িয়ে ছিল আর গতকালের কথা মনে করে তার দুই চোখ দিয়ে অশ্রু জড়ছিল।..................... অনেকদিন পরে অফিসার সাহেবের উত্তরাধিকারিরা খামারের সত্ত দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করে সাইকেল ওলার বিপক্ষে । আদালত বাদি ও বিবাদীর পক্ষের উকিলের সমস্ত বক্তব্য শুনে রায় দেয় সাইকেল ওলার পক্ষে। আদালত বলেন যে, "একজন সাইকেল ওলার পক্ষে কখনই সম্ভব নয় যে একজন অবসরপ্রাপ্ত আর্মি অফিসারকে প্রভাবিত করা। " পরিশেষে একটা কথা বলে শেষ করতেছি , আসুন আমরা প্রত্যেকে নিজের মনকে পরিষ্কার-পরিচন্ন করে নিজে ভাল ও সুন্দর স্বপ্ন দেখি ও অন্যের স্বপ্নপূরনে নিজের হাত বাড়িয়ে দিয়ে একটি বাসযোগ্য সুন্দর সমাজ গড়ে তুলি। 

প্রথমেই  বলে নেই আমি পৃথিবীর সকল পেশা, ধর্ম, জাতী, বর্ণ, নৃগোষ্টি সবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কাউকে আমি ছোট করে দেখি না, কোন পেশাকেই আমি অসম্মানের মনে করিনা। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি আমার পেশাকে সবার উপরে রাখি এ জন্য যে, যদি আমি আমার পেশাকে ভালই না বাসি তাহলে এ পেশায় আসলাম কেন? আমার মনে হয় সবারই সব পেশাকে সম্মানের সাথে দেখে নিজের পেশাকে সবার উপরে রাখা দোষের কিছু নয়।দেশের ৫১ হাজার আইনজীবী নিয়ে এক শ্রেণীর মানুষের মাথা ব্যথা চোখে পড়ার মতো। অথচ ১৬ কোটি মানুষের দেশে ৪০ লাখ মামলা পরিচালনার জন্য ৫১ হাজার এডভোকেট খুব যথেষ্ট বলে মনেই হয় না। আমার কিছু বন্ধু আছে যারা কলেজের শিক্ষক, ডাক্তার, সাংবাদিক, পুলিশ কিংবা অন্য পেশার সাথে সম্পৃক্ত। তাদের বেশির ভাগ আইন পেশাকে খারাপ চোখে দেখেন। আমি তাদের খারাপ চোখে দেখাকে সম্মান করি। আসলে তাদেরকে বিষয়টা ঠিকভাবে কেউ বুঝায়নি, তারাও বুঝেনি। জেলা সদরে এতো আইনজীবী দেখে তারা মনে করে পুরো জেলা আইনজীবীরাই দখল করে আছেন। বিষয়টি ঠিক এমন না। আমি শুধু তিনটি পেশার মানুষের তুলনা করতে চাই। কলেজ শিক্ষক, রেজিষ্ট্রার্ড ডাক্তার ও আইনজীবী।
হবিগঞ্জে ৯টি থানায় অন্তত ২৫টি কলেজ রয়েছে। রয়েছে একাধিক ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসা। ওইসব কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকের সংখ্যা কত হবে? সরকারী বেসরকারী মিলিয়ে শিক্ষকের সংখ্যা ৩ হাজারের নিচে হবে না। সকল শিক্ষককে যদি বলা হতো আপনারা জেলা সদরে অবস্থান করে শিক্ষাদান করবেন, প্রাইভেট পড়াবেন, ইচ্ছা মতো ছাত্রদের কাছ থেকে টাকা নিবেন, নিজেদের সাইনবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন, তাহলে বিষয়টা কেমন হতো। একবার চিন্তা করে দেখুন, শিক্ষকদের সাইন বোর্ডে শহরে তলিয়ে যেত, রাস্তাঘাটে হাটা যেত না, একেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যদি ১৫ জন শিক্ষক থাকেন, তাহলে গ্র“প থাকে ৯টা। আমি অন্তত ১ ডজন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দলাদলি কোন্দল রেষারেষি গ্র“পিং অর্থ আত্বসাত ইত্যাদি বিষয়ে সংবাদ লিখেছি। সংবাদ লেখার জন্য শিক্ষকদের একটি অংশ প্রতিনিয়ত সাংবাদিকদের সাথে যোগাযোগ করেন। সংবাদ লিখলে এসব নিয়ে প্রতিদিনই সংবাদ লেখা যাবে। বাস্তব আপনি অস্বীকার করতে পারবেন না।  হবিগঞ্জে ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ৭৮টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ১টি জেলা সদর হাসপাতাল, ১টি মাতৃ মঙ্গল, ১টি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। রয়েছে জেলা সদরসহ উপজেলা সদর গুলোতে প্রতি পাড়ায় পাড়ায় ক্লিনিক। ২০ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবার জন্য প্রতিদিন কতজন শুধু রেজিষ্ট্রার্ড ডাক্তার চিকিৎসা প্রদান করেন। প্রতিদিন অন্তত দেড় হাজার রেজিষ্ট্রার্ড ডাক্তার ২০ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত। এর বাহিরে রয়েছেন হোমিও প্যাথিক ডাক্তার, হাতুড়ে ডাক্তার, ফার্মেসী ডাক্তার ইত্যাদি। তারপরও আমরা মনে করি ডাক্তারের সংখ্যা কম, আরও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রয়োজন। শুধু দেড় হাজার রেজিষ্ট্রার্ড ডাক্তারকে যদি বলা হতো আপনারা শুধু জেলা সদরে চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন, নিজেদের সাইন বোর্ড ব্যবহার করবেন, ইচ্ছা মতো রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেবেন। তাহলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাড়াতো। ডাক্তার ও রোগীর ভিড়ে এমনিতেই শুক্রবারে শহরে চলাচল করা যায় না। যদিও নির্লজ্জভাবে কোনো কোনো চিকিৎসক শহরে বা গ্রামে গঞ্জে নিজের সাফাই গেয়ে মাইকিং করান। খুব ভাল ছাত্র হিসাবে একটি মেডিকেল কলেজে পড়ে, ডাক্তার হয়ে, সেবা দিতে গিয়ে, টাকা রুজি করতে গিয়ে, মাইকিং করা লাগবে, এতো নিচু একটা মানুষ হয় কিভাবে। তারা নিজেরা যখন নিজেদের মাইকিং শুনেন, কেমন লাগে আমার জানতে বড় ইচ্ছা হয়। আমি মনে করি না কোনো ইজ্জত সম্পন্ন ডাক্তার মাইকিং করে, গাড়িতে, বাড়িতে, দেয়ালে, পোষ্টারিং করে রোগী সংগ্রহ করতে পারেন। যদি কোনো ক্লিনিক এমন করেও তাদেরকে তাৎক্ষনিক বন্ধের নির্দেশ দেয়া ডাক্তারের নৈতিক দায়িত্ব। ডাক্তার সাহেব কোথায় রোগী দেখবেন তা পরের বিষয়, কিন্তু ডাক্তার সাহেবের সাইন বোর্ড পাওয়া যায় হাটে, বাজারে, রাস্তায়, মহাসড়কের পাশের গাছে ঝুলানো, বিদ্যুতের খুটিতে ঝুলানো। একইভাবে আপনি অন্য যে কোনো পেশাকে কনসাইস করে যদি এক জায়গায় জড়ো করেন, তাহলে বিষয়টি কেমন হবে। উদাহরণ হয়তো আরও অনেক দেয়া যেত।
এবার আসা যাক, আইন পেশার দিকে। হবিগঞ্জের ২০ লাখ মানুষের আইনী সেবা দিতে সনদপ্রাপ্ত আইনজীবীর সংখ্যা ৬শ। ( যেখানে কলেজ ও সমমানের শিক্ষার্থীর জন্য ৩ হাজারের বেশি শিক্ষক, ২০ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবার জন্য দেড় হাজারের বেশি ডাক্তার)। এরশাদ সরকারের পতনের পর উপজেলা কোর্ট গুলোকে বাতিল করে জেলা সদরে নিয়ে আসা হয়। আইনজীবীরা জেলা সদরে বসবাস শুরু করেন। ৬শ আইনজীবীর মধ্যে ৩শ আইনজীবীর মতো শহরে থাকেন, বাকীরা কিন্তু নিজ নিজ বাড়িতেই থাকেন। শহরে বসবাসকারী ৩শ আইনজীবীর মধ্যে অন্তত ২০০ আইনজীবীর সাইন বোর্ড রয়েছে। আইনজীবীদের সাইন বোর্ড টাঙ্গানোর বিষয়েও কিন্তু আইন আছে। একজন আইনজীবী তার বাসাকে চিহ্নিত করতে ৫০ গজের বেশি দুরুত্বে সাইন বোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন না, সাইন বোর্ডটি হতে হবে সাদা কালো। নিজের সাফাই গেয়ে পত্রিকায় কিংবা ডিশ লাইনে বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন না, বিজ্ঞাপনের অর্থ বহন করে এমন কোনো ক্যালেন্ডার কোনো আইনজীবী ছাপাতে পারবেন না। কোনো দিন দেখেছেন কোনো আইনজীবী তার নিজের সাফাই গেয়ে কোথাও কোনো বিজ্ঞাপন দিতে? এই জিনিসটা তো খেয়ালই করেন নাই। এটা যে একটা আইন, তাও হয়তো জানেন না। গর্ভজাত সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত থেকে শুরু করে জন্মের পর মৃত্যু পর্যন্ত এবং মৃত্যুর পর তার লাশের নিরাপত্তা নিশ্চিতেও আইন রয়েছে। ফৌজদারী বিষয় ছাড়াও সহায় সম্পদের সাথে, ব্যক্তির, ধর্মের, পেশার ইজ্জতের সাথে আইন জড়িত। জীবনের প্রত্যেকটি পর্যায়ে আপনার সাথে আইন জড়িত। ডাক্তাররা শুধু একটি মানুষের দেহের চিকিৎসা করেন, শিক্ষকরা একটি শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ব্রেইনের চিকিৎসা করেন বিপরীতে একজন আইনজীবী কিন্তু একটি মানুষের জন্মের পূর্বের ব্র“ণ থেকে জন্ম নেয়ার পর, মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত এমনকি মৃত্যুর পর লাশ দাফন পর্যন্ত তাকে সুরক্ষার যাবতীয় আইনী চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। আমাদের একটি বদ্ধমূল ধারণা হল- যারা আইনের আশ্রয়ে আসেন তারা সমাজের খারাপ, আমাদের চোখে পড়ে শুধু মার দাঙ্গা, মাদক, নির্যাতন, আগুন, এসিড, ইত্যাদি। কেউ কেউ যে শুধু তার ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য আইনের আশ্রয়ে আসেন তার খবর আমরা রাখি না। এই যে, ৬শ আইনজীবী একসাথে এক ছাদের নিচে একই বই পড়ে ২০ লাখ মানুষকে নিয়ে, তাদের সহায় সম্পদকে নিয়ে আইন ব্যবসা করছেন, আইনজীবীদের নিজেদের মধ্যকার কয়টা খারাপ উদাহরণ আপনি দিতে পারবেন? যদি দেড় হাজার ডাক্তার একই শহরে একই ছাদের নিচে বসে মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে ব্যবসা করতেন কিংবা ৩ হাজার শিক্ষক একই শহরে একই ছাদের নিচে বসে শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা করতেন, আপনি কি দেখতেন? দুচারটি ছোট খাট ঘটনা বাদ দিলে বিভিন্ন মতের, পথের, ধর্মের, রাজনীতির, সমাজের এতো প্রভাবশালী (মন্ত্রী এমপি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ধর্মীয় গুরুজন) মানুষগুলো একই ছাদের নিচে সুশৃংখলভাবে ব্যবসা করা খুব বিরল হিসাবেই দেখবেন। আর সব পেশায় তো কিছু ভাইরাস থাকবেই। কিন্তু সেটা শতাংশের বিচারে কত। করোনা মহামারী দিয়ে বিচার করলে আপনি আইনজীবীদেরকে সম্মান করতে বাধ্য হবেন। দেড় হাজার ডাক্তারকে কিংবা ৩ হাজার শিক্ষককে কিংবা অন্য কোনো পেশার মানুষকে যদি বলা হতো আপনাদের অনির্দিষ্টকালের বেতন বন্ধ বা আপনারা অনির্দিষ্টকালের জন্য রোগী দেখতে পারবেন না, প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না, তাহলে দাবী দাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ, সমাবেশ, রাস্তা অবরোধ, অনশনসহ কত ধরনের আন্দোলন হতো, বিপরীতে ৬শ আইনজীবীর জন্য অনির্দিষ্টকালের আয়ের ক্ষেত্র বন্ধ (যদিও ভার্চৃয়াল কোর্ট ওপেন, বিষয়টা শুধু হাজতী আসামীদের জন্য, অন্য কোনো প্রতিকার নেই বললেই চলে), মাসিক কোনো বেতন নেই, কোনো ধরনের প্রনোদনাও নেই, আইনজীবীদের মধ্যে কি কোনো হতাশা, ক্ষোভ, ক্ষিক্ষোভ, প্রতিবাদের ছিটে ফুটা আছে? অথচ বিশ্বাস করবেন না, কত প্রয়োজনীয় আইনী প্রতিকার পেতে হাজার হাজার মানুষ প্রতিটি সেকেন্ড গণনা করছেন আর আইনজীবীদেরকে চাপ দিচ্ছেন। আমার লেখায় শুধু হবিগঞ্জের বিষয়টি দিলাম, আপনি সারা দেশকে এর সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন। চলুন আমরা আইনজীবীকে, আইন পেশাকে সম্মানের চোখে দেখি, সব পেশাকেই মর্যাদা দেই। কাউকে মর্যাদা দিলে, সম্মান দেখালে নিজে ছোট হবেন না।

-লেখকঃ আইনজীবী ও সংবাদকর্মী

এলাকায় একসাথে এত টু-লেট কখনো দেখিনি। প্রায় সব বাড়িতেই ভাড়ার নোটিশ। অজস্র মানুষ ঢাকা ছাড়ছে। কিন্ত সব দোষ কি করোনার? আমাদের মধ্যবিত্তের বদলে যাওয়া লাইফস্টাইল কি দায়ী নয় এজন্যে?

কাজী তাহসিন আহমেদ: একটা অপ্রিয় কথা বলি, কিছু মনে করবেন না। আমাদের এই শহরে লাইফস্টাইলে প্রব্লেম ছিলো। শো অফ বেশি ছিলো। নইলে অন্তত ছয় মাস বসে খাওয়ার মতো টাকা সব পরিবারেই জমে থাকার কথা। যতটুকু ইনকাম, কালের স্রোতে গা ভাসাতে যেয়ে খরচ তারচেয়ে বেশি হয়েছে।  যতটুকু স্ট্যাটাস, যতটুকু সামর্থ্য, মানুষ নগদে তার চেয়ে উঁচু তলায় বাস করেছে।

আমি আমার এলাকায় একসাথে এত টু-লেট কখনো দেখিনি। প্রায় সব বাড়িতেই টু-লেটের নোটিশ। অজস্র মানুষ ঢাকা ছাড়ছে। দুঃখজনক।

৯০ দশকে মানুষের আর্থিক অবস্থা এখনকার চেয়ে অনেক খারাপ ছিল। কিন্তু এই গরীব মানুষদেরই আজীবন যথেস্ট সেভিংস ছিলো, খেয়ে না খেয়ে শহরের কোনায় এক টুকরো জমি ছিলো। গ্রামে একটা স্থায়ী ঠিকানা ছিলো। পরিবার গরীবি হালে চললেও মায়ের আঁচলের গিঁট আর ডানোর খালি ডিব্বাতেও কয়েক গাছি টাকা থাকতো।

আর এখনকার মানুষদের কার্ড ভর্তি লোন, ইন্সটলমেন্ট, ব্যাংক লোন। জমি জিরাতের খবর নেই অথচ শহরের প্রাণকেন্দ্রে টাইলসওয়ালা ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতে পারলেই খুশি। সঞ্চয়ের খবর নেই অথচ ঘোরাঘুরি আর রেস্টুরেন্টে খেতে পারলেই খুশি। পকেটে টাকা নেই তাই মন মানসিকতা মলিন, অথচ পার্লারে/সেলুনে হাজার টাকা খরচে ফেসিয়াল করে চামড়া চকচকে করতে পারলেই হলো। এটা কোনো লাইফ?

কেউ এখন আর ঘরের ড্রইংরুমে আড্ডা দেয়না। পাঁচ দশ টাকার বাদাম কিনে ছাদে গোল হয়ে বসে গল্পগুজব করেনা। সবার ফাস্টফুডের দোকানে যেতে হবে। মাল্টিপ্লেক্সেই মুভি দেখতে হবে। শখের সব খেলনাই কিনতে হবে। এফেয়ার করতেই হবে, ভ্যালেন্টাইন ডে থেকে শুরু করে চকলেট ডে কিস ডে সব সেলিব্রেট করতে হবে। অথচ বিশ বছর আগেও রেস্পন্সিবল লাইফ কাটাতে হবে দেখে অনেক ছেলে চাকরী পাবার আগে মেয়েদের ধারে কাছেও যেতোনা। এখন সবাই হিরো, পাপাস প্রিন্স, মাম্মাস প্রিন্সেস।

ছবি যখন কথা বলে

এসব করে মাসে মাসে যে পাঁচ সাত হাজার টাকা বেশি খরচ করেছে, সেটা জমালে বছরে ৬০-৭০ হাজার টাকা অতিরিক্ত জমতো। দশ বছরে ৬-৭ লাখ টাকা। যেটি দিয়ে এখন ঘরে বসে ছয় সাত মাস বড়লোকের মতোই পরিবারগুলো কাটাতে পারতো। অথচ সেটা না করে বরং গর্ব ভরে মিম শেয়ার করেছে যে মানিব্যাগে পাঁচশো নিয়ে বের হলে এক ঘন্টা পরে ভাংতি বিশ ত্রিশ টাকার বেশি থাকেনা।

একটু রোজগার করতে পারলেই একান্নবর্তী পরিবার থেকে সবাই আলাদা হয়ে গেছে। ইউনাইটি কি জিনিস ভুলে গেছে। গ্রামের শেকড় ভুলে গেছে গর্বের সাথে, অথচ গ্রাম থেকে বছরে দু চার আসা বস্তা ভর্তি আম কাঠাল বা চাল/মুড়ির কি বরকত সেটা বুঝতে চায়নি। ছুটিতে কক্সবাজারের ফাইভ স্টার হোটেলে খরচ না করে গ্রামের বাড়িতেও যে বেড়ানো যায় সেটা বুঝেনি। আগে মানুষ কয়েক বছরে এক আধবার লাক্সারি ট্যুর দিতো। আর এখন  প্রতি বছর লাখ টাকা খরচ করে ইন্সটলমেন্টে হলেও দেশ-বিদেশে ঘুরতে যাচ্ছে দুইটা ফটো তোলার জন্য।

আমি গত পাঁচ সাত বছরে এই শহরে মধ্যবিত্ত বলে কিছু দেখিনি। সবার ঠাঁঠবাট প্রায় একরকম। তবে এখন দেখছি, গত কয়েক মাস ধরে। এত খরুচে আর ভোগপণ্যের দাস হয়ে আজীবন বর্তমানে বেঁচে থাকতে গিয়ে দুই-তিন মাসের ভবিষ্যত নিরাপত্তাটা নিয়েও ভাবার ক্ষমতা হারানো এই শহরবাসীদের এখনকার বাস্তবতা খুব দুঃখজনক।

 আইন মানুষের জন‍্য। সুন্দর সূখী শান্তিময় জীবন যাপনের জন‍্য আইন সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই আইনকে ব‍্যক্তি জীবনে পারিবারিক এবং রাষ্ট্রীয় জীবনে মেনে চলা যেকোন দেশের নাগরিকদের অবশ‍‍্যই দায়িত্ব এবং কর্তব্য। It is obligatory duty for every cltizens. সামপ্রতিককালে মরণব‍্যদি Coronavirus বিশ্বব‍্যপি যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং মানুষ যেভাবে মারা যাচছে তাতে আমরা সবাই আতংকগ্রস্থ। আর সে হিসাবে প্রতিটি দেশের সরকার নিজ নিজ দেশের অবস্থা অনুসারে প্রতিটি নাগরিকদের সূরক্ষার জন‍্য আইন প্রনয়ন করেছে যেমন mask পরা distancing maintain করা isolation এ থাকা 14 days qurantain এ থাকা hygienic maintain করা stay at home. Big gethering avoid করা। আরও কত কিছু কিন্তু বাস্তবে আমরা কতটুকু মেনে চলছি তা ভেবে দেখার বিষয়।

এ সব না মেনে চলা কি আইন ভংগ করার সামিল নয়। আর আইন ভংগ করাতো সামাজিক অপরাধ। it is criminal offence. কোন নিয়ম কানুন ভংগ করার আগে একটু ভেবে দেখতে হবে আইন ভংগ করার ফলে আমার চেয়ে অন‍্যরা কতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হবে অর্থাৎ আমি অন‍্যের জন্য কতটুকু বিপদজনক। ব‍্যক্তির চেয়ে জাতি বড়। যাদের টক ঝাল মিষ্টি বুঝার ক্ষমতা আল্লাহ্ দিয়েছেন তাদের অবশ‍্যই নিজের এবং অন‍্যের ভালো মন্ধ বুঝার ক্ষমতা রয়েছে বিভেক রয়েছে।

এই মহামারী Virus থেকে মানুষকে বাাঁচানোর জন‍্য প্রতিটি দেশের Health service, police service এবং প্রশাসনিক বিভাগের লোকজন যে প‍্রাণপন চেষ্টা করে চলেছেন তা সত‍্যি প্রশংসার দাবীদার। তদের কাজে সহযোগিতা করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব‍্য। উদাহরণ সরুপ বলা যেতে পারে আমি নিজেও যুক্তরাজ‍্যে Natonal Health Service এ কর্মরত একজন front line যোদ্ধা। জীবনকে বাজি রেখে প্রতিদিন আমার পরিবারের আমরা দুই জন হাসপাতালে কাজে যাচছি এই ভেবে যে মানব  সেবা পরম ধর্ম। বাংলাদেেশ যেভাবে মৃত্যুর এবং আক্রান্তের হার ক্রমাণয়ে বাড়ছে তাতে আতঙ্ক হবার মত। Scientists এর কথা মোতাবেক যেহেতু এই
virus সহসা শেষ হবার মত নয় তাই এই দীর্ঘ মেয়াদি কঠিন পরিস্থিতিতে আইন নয় প্রতিটি মানুষ নিজের জ্ঞান বিভেক এবং  বুদ্ধি দিয়ে এই virus থেকে নিজেকে বাঁচাতে হবে এবং অন‍্যদেরকে বাঁচবার সুযোগ করে দিতে হবে। যদিও জীবিকার জ‍্ন‍্য ঘরের বাইরে কাজে যাওয়া দরকার তবুও সামাজিক দুরত্ত বজায় রেখে mask পরে বাহিরে যাওয়া দরকার। আইন বা নিয়ম কানুন ভংগ করার মাঝে কোন বাহাদুরি বেঠাগিরি কিংবা কোন সার্থকতা নেই। আছে শুধু দুঃখ দুর্দশা এবং মৃত্যু। আইন মেনে চলার মাঝে আছে আল্লাহর রহমত। বাংলাদেশের মানুষ যদি এখনই সতর্ক না হন তাহলে জেনে রাখুন একটি মহা বিপদ অপেক্ষা করছে যে বিপদ থেকে
পরিত্রান পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। তাই আসুন আমরা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুসরণ করে এবং সরকার প্রণীত আইন কানুন মেনে ধর্য‍্যসহকারে
virus মোকাবেলার চেষ্টা করি।


আল্লাহ্কে বেশি বেশি সরণ করি। অন‍্যায় অবিচার জিনা ব‍্যভিচার সুদ ঘুষ থেকে বিরত থাকি। হালাল হারাম চিনার চেষ্টা করি। সর্বশেষে আইনকে জীবনের সর্বক্ষেত্রে মানার চেষ্টা
করি।coronavirus থেকে নিজেকে বাঁচাতে এবং জাতীকে
বাঁচিয়ে রাখতে প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে এবং Health Service এর লোক জনের নির্দেশাবলী মেনে চলতে হবে। মনে রাখতে হবে আইনের
চোখে সবাই সমান। আইনের উর্ধে কেহ নন।

তিন বারের প্রাক্তন প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দুর্নীতিবাজ হিসাবে জনগণের কাছে প্রমান করানোর জন্য বর্তমান সরকার 'কাট এন্ড পেস্ট' আর কম্পিউটারের মাধ্যমে ভয়েজ সৃষ্টির এই ভিডিও ক্লিপটি তৈরী করে।আলজাজিরার লগোর সাথে 'দি ন্যাশনাল' এবং 'জি.আই.এন' নাম দুটো মনগড়া চ্যানেলের নামে ঢুকিয়ে এই ভিডিও ক্লিপটি তৈরী করে। যদিও এই দুই নাম বিশ্বের কোথাও কোন টিভি চ্যানেল নাই এবং এই ভিডিও ক্লিপটি বিশ্বের কোন টেলিভিশন চ্যানেলে চলেনি ।

 

 

 

 

 

 

Media

আই এ চৌধুরী শরীফ: খুব জরুরী প্রয়োজন ছাড়া আসলে ঘর থেকে বাইরে যাওয়া হয় না। চারিদিকে এক নিঃশব্দ নীরবতা। যেন এক অঘোষিত যুদ্ধ চলছে। হাল, ইংল্যান্ডের নর্থ ইস্টের ছোট ১টি শহর। লক ডাউনের ফলে রাস্তায় নেই কোন ট্রাফিক জ্যাম। নেই চিরচেনা কোলাহল পার্কে, ষ্টেশনে, ক্লাবে কিংবা অলি-গলিতে, অজানা আতংকে মাঝে মাঝে নিজেই চমকে উঠি। একটু মাথা ব্যাথ্যা, সর্দি কিংবা কাশি দিলেই মনে হয় এই বুঝি এসে গেলো। তথ্য প্রযুক্তির এই সময়ে সমগ্র বিশ্ব এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। মিডিয়ার কল্যান সবসময়ই আপডেট পাচ্ছি। আজ মৃতের সংখ্যা/সংক্রমনের সংখ্যা পৃথিবীর এই দেশে এত ছড়িয়ে গেল। এটা সম্ভবত, কোন দেশই কল্পনা করেনি চায়না থেকে এই ভাইরাস এত দ্রæত বিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়বে। সেজন্যেই পৃথিবীর সচেয়ে শক্তিধর দেশ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরুর দিকে বলেছিলেন এটি তেমন কিছুনা কেবল সামান্য সর্দি জ্বর। সামার আসলে এমনিতেই চলে যাবে। করোনা ভাইরাসকে তিনি চায়নিজ ভাইরাস বলে ব্যাঙ্গ করতে দ্বিধাবোধ করেননি। “তোমাকে বধিবে যে গোকূলে বাড়িছে সে” রবীন্দ্রনাথের এ চরন তার জানা ছিল না। আজ যখন এ লেখা লিখছি সি.এন.এন এর তথ্য অনুযায়ী আমেরিকাতে মৃতের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এখন সাংবাদিকদের সাথে হোয়াইট হাউসের নিয়মিত ব্রিফিংকে “টাইম ওয়েস্টিং” বলে অভিহিত করেছেন। কারণ সাংবাদিকদের উল্টা পাল্টা প্রশ্ন কাহাটক সহ্য করা যায়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন স্বীকার করেছেন করোনা ভাইরাস নাইন ইলেভেন কিংবা দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময়ে সংঘটিত জাপান কর্তৃক পার্লহার্বারের বোমা হামলার চেয়েও অনেক ভয়ানক। আমার নিজের স্বল্প জ্ঞান ধারা এটাই মনে হয় সারা পৃথিবীর নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের উপর কারণে অকারণে যুদ্ধের বলির অভিশাপ হিসেবে আল্লাহ এই ভাইরাস নাজিল করেছেন। অবাক হয়ে লক্ষ্য করছি পাশ্চাত্যের উন্নত প্রযুক্তির দেশগুলো এই ভাইরাস মোকাবেলায় কতটা অসহায়। এই ভাইরাস বরিস জনসন, প্রিন্স চার্লস কিংবা জ্যাস্টিন ট্রোডো কিংবা কাউকেই পরোয়া করেনা। সাউথ কোরিয়া কিংবা জার্মানীর দিকে যদি নজর দেই তাহলে কি দেখতে পাই। কোরিয়ান সরকার এবং জনগণ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তা মোকাবেলা করেছে। ফলে মৃত্যুহার এবং ইনফেকশন রেইট দুটুই প্রায় শূণ্যের কোটায়। এই দুর্যোগপূর্ণ অবস্থার মাঝে ইলেকনশনেও জনগণ মি: মুনের সরকারকে বিপুলভাবে বিজয়ী করেছে। অন্যদিকে জার্মানীর অবস্থা ইউরোপে সবচেয়ে ভালো। মৃত কিংবা আক্রান্তের সংখ্যা অত্যন্ত কম। সি.এন.এন এর রিপোর্ট অনুযায়ী চ্যান্সেলার এঞ্জেলা মার্কেলের জন্য বছরের শুরুটা ছিল খুব খারাপ। রাজনৈতিকভাবে খুব একটা সুবিধা করতে পারছিলেন না। কিন্তু এ করোনা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে মোকাবেলা করার জন্য তার জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। করোনা আসলে মিসেস মার্কেলের জন্য শাপে বর হয়ে দাড়িয়েছে। আর আমাদের দেশের চিত্র একবারেই ভিন্ন। জাতির এ দুঃসময়ে ও আমরা রাজনৈতিক কাদা ছুরাছুড়িতে ব্যস্ত। এ রকমের রাজনীতিতে সম্ভবত: আমরাই ওস্তাদ। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে যেখানে দুর্দশা গ্রস্থ: নিপিড়িত মানুষের পাশে দাড়ানো সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেখানে আমাদের দেশের নেতা নেত্রীরা হাটছেন তার উল্টো পথে। যা দেশের জন্য কোনক্রমেই মঙ্গল বয়ে আনতে পারেনা। চাল চোর কিংবা তেল চোররা তো শুধু সমাজ, দেশ কিংবা মানবতারই শক্রু নয় ওরা যে আওয়ামীলীগ তথা সরকারী দলের “ঘরের শক্রু বিভীষন” এ সত্যটি আওয়ামীলীগের হাইকমান্ড যত তাড়াতাড়ি বুঝতে পারবেন ততই ভালো। আমি ভেবেছিলাম “কাতেল হুসেন আসল মে মরগিয়া এজিদ হে।” না ধারনা মিথ্যে। এজিদ তথা এই হায়েনারা মরেনি। এদের শক্ত হাতে দমন করা প্রয়োজন। এই বিপদের সময় সরকারের দায়িত্বশীল একেক মন্ত্রীর একেক রকম নসিহত শুনে হাসবো না কাদবো ভেবে পাইনে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী টেলিভিশনে বিনোদন মূলক অনুষ্ঠানের আহব্বান জানিয়েছেন। টেলিভিশনে বিনোদনমূলক অনুষ্টানের সাথে করোনা ভাইরাসের বাড়া কমার কি সম্পর্ক তা বোধগম্য নয়। যদি বলতেন রেডিও, টেলিভিশনের জনগনকে সতর্কীকরণের জন্য কোন ধরনের প্রামান্যচিত্র বা এ জাতীয় ঘোষনা দেওয়ার জন্য তাহলে কি ভালো হতোনা। যা পৃথিবীর উন্নত দেশ গুলোকে সবসময় করা হচ্ছে। আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তথা সেতুমন্ত্রী অনেক আগেই ঘোষনা দিয়েছিলেন করোনা থেকে আওয়ামীলীগ সরকার অনেক শক্তিশালী। আড়াই বড়াই যে সবসময় ছলেনা তা বোধহয় মন্ত্রী মহোদয় নিজেই এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। এখন বুঝতে পারি স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু কতটা অসহায় ছিলেন। একে তো যুদ্ধবিধস্ত দেশ। তার উপরে নেই রাস্তঘাট কিংবা কোন কল কারখানা। উপরূন্ত আশীর্বাদ হিসাবে ৭৪ এর বন্যা মরার উপর করার ঘা। এখনকার মতো ছিলনা প্রিন্ট কিংবা ইলেকট্রনিক তথা সোস্যাল মিডিয়া যার কল্যানে মূহুর্তেই খবর পৌছে যাবে আইনশংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে। বাংলাদেশের পুলিশকে আমরা সম্পূর্ণ ভিন্নরূপে দেখতে পাচ্ছি এ করোনা মোকাবেলায় অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়ে সেবা দিতে। ধন্যবাদ বাংলাদেশ পুলিশকে। আমরা আপনাদের এই রূপটিই দেখতে চেয়েছিলাম গুটিকয়েক এমপিদের ধান কাটার নির্লজ্জ ক্যামেরা ট্রায়ালের চেয়ে ছাত্রলীগ, যুবলীগ তথা কৃষকলীগের সাধারণ মানুষের প্রতি সহযোগিতা অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরীর দুর্ভাগ্য শুধু একটাই তার জন্ম বাংলাদেশে। জাতির এ দুর্দিনে কোথায়তার প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের করোনা ভাইরাস কিট আবিস্কারকে যুগান্তকারী হিসেবে অভিনন্দিত করা হবে তা না করে ঔষধ প্রশাসন যে, তামাশা শুরু করেছে তা রীতিমত অমার্জনীয় অপরাধ। সব কিছুতেই আমরা রাজনীতি নিয়ে আসি-এটাই আমাদের আরেক মুদ্রাদোষ। ইউরোপ কিংবা আমেরিকা হলে তাকে তারা মাথায় তুলে রাখতো তা নিসন্দেহে বলতে পারি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে যদি সবকিছুতেই হস্তক্ষেপ করতে হয় তা হলে এই সমস্ত চেলা চামুন্ডাদের দরকারটা কি? মানবতার সেবায় ভিক্ষুক নাজিমুদ্দীন সরকারী তহবিলে ১০ হাজার টাকা দান ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। এটা তবে ভুলে গেলে চলবেনা যে, রাষ্ট্র যখন ১ জন ভিক্ষুকের কাছে দুর্যোগ মোকাবেলা করার জন্য হাত পাতে তখন কথায় কথায় আমাদের নেতা-নেত্রীরা যে দেশ মালয়েশিয়া কিংবা সিংগাপুর হয়ে যাচ্ছে বলে বেড়ান তা শুধুই ফাঁকা বুলি। সবশেষে শুধু এটুকুই বলতে চাই আমাদের রাজনৈতিক মত পাথর্ক্য আছে এবং তা থাকবেই যা গণতন্ত্রের অংশ। কিন্তু মহামারী মোকাবেলায় আমরা কি পারিনা সব ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে এক সঙ্গে করোনা ভাইরাসের বিরোদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে পারি না । সেই বিখ্যাত কবিতার দুটো লাইন আজ খুব মনে পড়ছে। “মেঘ দেখে করিসনে ভয় আড়ালে তার সূর্য হাসে” আমরা সেই হাসির অপেক্ষাতেই আছি। তবে তা কতদূর?

আই এ চৌধুরী শরীফ, ইউ.কে.

কানেকটিকাটে ডাঃ উমা রানী মধুসূদনা কোরুনা মহামারীর ফ্রন্টলাইনের যুদ্ধা। তার অক্লান্ত পরিশ্রমের কৃতজ্ঞতা স্বরূপ তাকে সম্মান জানিয়ে পুলিশ, ফায়ার ফাইটার, সর্স্তরের জনতা বাড়ির সম্মুখে ধন্যবাদ সাইন প্রোথিত করে, এবং পুলিশ, ফায়ার ফাইটার সাইরেন বাজিয়ে তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে!!

ডাঃ উমা মাদুসুদানা নিউইয়র্কে একটি হসপিটালের কাজ করেন। উনার নিরলস প্রচেষ্টায় অনেক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রুগী সুস্থ হয়েছে। তার কৃতজ্ঞতা স্বরূপ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, কমিউনিটি কর্মী আর সুস্থ হওয়া রুগী ও তাদের স্বজনদের মোটর শোভাযাত্রা ডাক্তারের বাড়ির সামনে।

অথচ বাংলাদেশের ডাক্তারর মঈন, রুগীর সেবা দিতে গিয়ে নিজে কোরুনা রোগাক্রান্ত হলে নিজের কর্মস্থলে সিলেট ওসমানী ম্যাডিকেলে চিকিৎসা সেবা পান নাই। চেয়েও পাননি এয়ার এম্বুলেন্স সাপোর্ট , এমনকি নিজের টাকায়ও।
ড: মইনের জীবন চলে গেলো নির্ভয় বিভাগের হেলাফেলায়।
তাই বাংলাদেশে ডাক্তার না হয়ে বিসিএস দিয়ে একজন এসিল্যান্ড হওয়াও যুক্তিযুক্ত। একজন এসিল্যান্ড চাইলে এয়ার এম্বুলেন্স পায় অথচ ডাঃ মঈন পায়নি , যে কিনা মেডিক্যাল কলেজের এসিসেন্ট প্রফেসর, এসিল্যান্ডের চেয়ে অনেক উপরে তার রেঙ্ক।
ভালো ছাত্রের বাবা মা তার সন্তানদের ডাক্তার -ইঞ্জিনিয়ার বানানোর স্বপ্ন দেখেন। প্রতিটি ক্লাসে প্রথম দিকের সেরা ছাত্ররাই বিজ্ঞান বিভাগে পড়ে , এখন সময় এসেছে , চিন্তা করার : আপনার মেধাবী সন্তানকে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার বানিয়ে লাস্ট বেঞ্চের বখাটেদের হাতে তুলে দেবেন কিনা। এরাই বেশির ভাগ রাজনীতিবিদ আর প্রভাবশালী চাকুরে।

Media

বাংলাদেশকে মাস খানেক আগেও যারা সিঙ্গাপুরের সিঙ্গাপুর বলে জুর গলায় আওয়াজ দিতো এখন তাদের গলার আওয়াজ বসে গেছে।কোরুনা জনগণের সম্মুখে তাদের উলঙ্গ করে দিয়েছে। দেশ ও জাতির সম্মুখে এটি পরিষ্কার হয়েছে যে নেতা/নেত্রী নামক গলাবাজরা সিঁদেল চোর , চাল চোর আর ত্রাণ মারা ডাকাত।
এখন জনগণের সহানুভূতি আদাতের জন্য তাদের হৃদয়ে স্থান পাওয়ার জন্য নানা ধরনের সাহায্যের নাম ফটো সেশন শুরু করে দিয়েছে। ভুরি ভুরি ফোরসেশনের মধ্যে দুএকটির কথাই যথেষ্ট।
"কৃষকের সাহায্যে এম.পি. শামিমা শাহরিয়ারের ধান কাটার" খবর মেইন কয়েকটি স্ট্রিম মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচারিত হয়। ফটোতে দেখা গেলো এম.পি সহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা পাকা জমির মধ্যে নানান স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে অঙ্গভঙ্গি করছেন। কারো হাতে কাস্তে নেই , নেই ধানের আটি ।
বাংলাদেশে অনাদিকাল থেকে চলে আসা সনাতন পদ্মতিতেই ধান কাটা হচ্ছে, এক হাতে ধানের গোছা ধরে আরেক হাতে কাস্তের পুছ দিয়ে ধান কাটা হয়। পরে জমায়িত ধান দিয়ে আটি বাধা হয়। এক পাশ থেকে ধান কাটা শুরু হয় আরেক পাশে গিয়ে শেষ হয়।
পাকা ধানের উপর শিলা বৃষ্টি হলেই ধান ঝরে যায়,
ঝড়ো হাওয়া হলেও ক্ষতি হয়। পাকা ধানের উপর হাটা চলা করতো রীতিমত দুশমনি , ধান ঝরে যাবে। পাকা ধানের উপর ফটোসেশনের নামে নেতা নেত্রীরা যদি হাঁটাচলা করেন তবে কৃষকের সব ধান ঝরে যাবে।
দয়া করে, মাথা খাটান, মানুষ হন , ফটোসেশনের নামে পাকা ধানে মই দিয়ে কৃষকের পেটে লাথি দেবেন না।

 

বাংলাদেশের সনাতন পদ্ধতিতে ধান কাটার দৃশ্য। 

 

বাংলদেশে আমেরিকান হাসপাতাল: নিজাম হাজারী , জয়নাল হাজারী , বদিরদের জন্য (ভি.ভি.আই.পি।) সাধারণ মানুষ সাধারণ মানুষ থেকে নিয়ে ডাক্তার-প্রফেসরদেরও সেখানে   প্রবেশ নিষিদ্ধ।

সরকার ভি.ভি.আই.পিদের কোরুনা চিকিৎসার জন্য লন্ডন-আমেরিকার মত ভেন্টিলেটর সমৃদ্ধ আলাদা হাসপাতালের ব্যবস্থা করতে ব্যতিব্যস্ত। এসব হাসপাতালে ডজন ডজন ডাক্তার ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকবেন ভি.ভি.আই.পিদের সুচিকিৎসার বন্দোবস্ত করতে। ভি.ভি.আই.পিদের সুচিকিৎসা দিতে গিয়ে কোন ডাক্তার যদি কাউন্টারফ্রেইট N-95 মাস্কের বদৌলতে কোরুনা আক্রান্ত হোন, তাহলে তাদের কি ব্যবস্থা হবে, ডাক্তাররাতো ভি.ভি.আই.পি না?
ভি.ভি.আই.পিদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে ডাক্তার কোরুনা আক্রান্ত হলে তাকে সাধারণ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। আর তাদের জন্য ভেন্টিলেটর সাপোর্টের ব্যবস্থা থাকা কল্পনারও অতীত।
হুমরা চামড়া কেউ একটা না হওয়ার কারণে , ডাক্তার মইন সিলেট ওসমানি মেডিক্যালের সহকারী অধ্যাপক হয়েও সেই হাপাতালের ভেন্টিলেটর সাপোর্ট পায়নি। চেয়েও পায়নি এয়ার এম্বুলেন্স !
সরকারের কর্তা ব্যক্তিরা  বলে থাকেন কোন হাসপাতালেই ডাক্তারদের মাস্ক , গাউন , পিপিইর কোন অভাব নাই । এতো মাস্ক ,গাউন, পিপিইর পরও ডাক্তাররা কিন্তু সবচেয়ে বেশি কোরুনা আক্রান্ত হচ্ছেন, কিন্তু কেন ?
তাদের মাস্ক , গাউন, পিপিইতে কি কোন সমস্যা আছে।

 হ্যা , আছে। তাদেরকে N-95 নাম যে মাস্ক দেওয়া হয়েছে তা কাপড়ের তৈরী কাউন্টারফ্রেইট প্রডাক্ট। এটির মান সাধারণ সার্জিক্যাল মাস্কের চেয়েও অনেক নিচে , এটি জার্মকে প্রটেক্ট করতে পারেনা।   এই কাউন্টারফ্রেইট N-95 মনে করে যারা কোরুনা রুগীর সংস্পর্শে এসেছেন তারাই কোরুনা আক্রান্ত হয়েছেন।  ডাক্তাররাতো ভি.ভি.আই.পি না তাই ডাক্তাররা এই সব ভি.ভি.আই.পি হাসপাতালে চিকিৎসা পাবেন না।

যে দেশেই কোরুনা রুগের সন্দেহে সন্তান মাকে জঙ্গলে ফেলে দেয়, বাবার লাশ নিতে চায়না , সেখানে একজন ডাক্তাররা ঘণ্টার পর ঘন্টা পাশে কোরুনা রুগীকে সেবা শুশ্রূষা দেবেন রুগ মুক্তির জন্য। N-95 মাস্ক এবং প্রপার পিপিই সরবরাহ না করে ডাক্তারদেরকে কোরুনা রুগের চিকিৎসায় নিয়োজিত করার মানে হলো ইচ্ছে করেই তাদরেকে মৃত্যু মুখে ঠেলে দেওয়া।

Media

Page 1 of 2
  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular
X

দুঃখিত !

ওয়েব সাইটে এই অপশন নাই।