Login to your account

Username *
Password *
Remember Me

Create an account

Fields marked with an asterisk (*) are required.
Name *
Username *
Password *
Verify password *
Email *
Verify email *
Captcha *
Reload Captcha

পাহাড় অরণ্য ঘেরা মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় পর্যটকদের দৃষ্টিনন্দন স্থানের মধ্যে সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি রিজার্ভ ফরেস্টের কুরমা বনবিট অন্যতম। মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গভীরে কুরমা বন বিট এলাকায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক জলপ্রপাত বা ঝরণা হল হামহাম বা চিতা ঝর্ণা।পানির তীব্র শব্দ, আর ঝরণা সেরকমই শব্দ করে।

 

কমলগঞ্জের একেবারে শেষ গ্রামের নাম কলাবনপাড়া, যেটি তৈলংবাড়ি নামেও পরিচিত। বলতে গেলে এরপর থেকেই আর তেমন কোনো জনবসতি নেই। আর এখান থেকেই শুরু হয় হামহাম যাওয়ার আসল অ্যাডভেঞ্চার।ঝরণার যৌবন হলো বর্ষাকাল। বর্ষাকালে প্রচন্ড ব্যাপ্তিতে জলধারা গড়িয়ে পড়ে। ঝরণার ঝরে পড়া পানি জঙ্গলের ভিতর দিয়ে ছড়া তৈরি করে বয়ে চলেছে। এরকমই বিভিন্ন ছোট-বড় ছড়া পেরিয়ে জঙ্গলের পথ পেরিয়ে এই ঝরণার কাছে পৌঁছতে হয়।



কিভাবে গিয়েছিলাম

যখন গাড়ি থেকে নামলাম তখন সেখানে দেখি কিছু ছেলে/মেয়ে দাড়িয়ে আছে জিজ্ঞেস করলাম কোথায় যাবেন তখন তারা বলতেছে হাম হাম যাব তখন আমি বলে উঠলাম খুব ভালো আসতেছি তোমরা জাও। তারপর দেখি সেখান কার অধিবাসী অনেক বাচ্চা লাঠি নিয়া আসতেছে দুর দিয়ে তখন ভয় ভয় লাগতেছে এখন কি কিছু করবে বাচ্চা গুলা এসে বলতেছে লাঠি নেন ৫ টাকা আমার ভয়টা ভাঙ্গল তখন দেখি ৬/৮ টি বাচ্চা আমার চার পাশে আমাকে বলছে,আমার কাছ থেকে লাঠি নেন, ভ্রমণের সময় পাহাড়ি পথে হাটার সুবিধার্থে এবং আত্মরক্ষার্থে সাথে একটি বাঁশ নিয়েছিলাম।সবাই কে বললাম জাওয়ার সময় সবাই কে চকলেট খাওয়ার টাকা দিয়ে জাব এখন জাও তোমরা।স্থানীয় এক জন লোক এসে বলতেছে আমি নিয়ে যাব আমার সাথে জাইতে পারেন তখন বললাম চলেন তখন বাবলাম যেহেতু আমাকে নিয়া জাবে ৭ কিলোঃ দুরে তখন জিজ্ঞেস করলাম আপনাকে কত টাকা দিতে হবে সে বলতেছে ৭শ টাকা আমি বললাম ৩শ টাকা দিমু আমি ছাত্র মানুষ সে বলছে আরেকটু বাড়িয়ে দিয়েন বলে শুরু হল হাটা।চম্পারায় চা-বাগান থেকে ঝরণার দূরত্ব প্রায় ৬/৮ কিলোমিটার। শুরুতে ওই সেখানের দায়িত্বে ফরেস্ট অফিসার ডাক দিয়ে বলতেছে কোথায় জাইতেছেন আমি বললাম আপনাদের এখান কার দায়িত্বে যিনি ওনার কাছ থেকে পারমিশন নেওয়া হয়েছে পারমিশন নিয়েছেন কমলগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সদস্য আমার প্রিয় ভাই। তখন সেই অফিসার বলতেছে মনে হয়েছে আমাকে স্যার বলছিলেন গত ৪ দিন আগে আপনারা দে আসবেন ঠিক আছে জাইতে পারেন। আবার শুরু করলাম হাটা পথে অত্যন্ত খাড়া মোকাম টিলা পাড়ি দিতে এবং অনেক ঝিরিপথ ও ছড়ার কাদামাটি দিয়ে পথ চলতে তাকলাম।

 

ঝিরিপথে কদাচিৎ চোরাবালুও এছাড়া গভীর জঙ্গলে বানর,সাপ,মশা এবং জোঁকের অত্যাচার সহ্য করে পথ চলতে তাকলাম।প্রায় ২০ মিনিট হাটার পর ভয় লাগছে এবং এত উচু পাহাড় দেখে ভয় লাগার কথা তখন হাটতে তাকলাম আর পায়ে শুরু হল ব্যাথা।বনের শুরুতেই হাতের ডানে কারন ডানের পথটা দীর্ঘ এবং অনেক গুলো উঁচু টিলা ডিংগাতে হয়েছে।হাম হামে যাবার কিছু আগে পথে দেখতে পাই আরেকটি অনুচ্চ ছোট ঝরণার। হাম হামের রয়েছে দুটো ধাপ, সর্বোচ্চ ধাপটি থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছে মাঝখানের ধাপে, এবং সেখান থেকে আবার পানি পড়ছে নিচের অগভীর খাদে। জান যায়,ঝরণার নিকটবর্তি বাসিন্দারা আদিবাসী ত্রিপুরা।

 

পথের দু পাশের বুনো গাছের সাজসজ্জা যেকোনো পর্যটকের দৃষ্টি ফেরাতে সক্ষম। জারুল, চিকরাশি ও কদম গাছের ফাঁকে ফাঁকে রঙিন ডানা মেলে দেয় হাজারো প্রজাপতি। ডুমুর গাছের শাখায় চারদিকে গাছগাছালি ও প্রাকৃতিক বাঁশবনে ভরপুর এ বনাঞ্চল। মিটিংগা, কালি,ডলু, মুলি, ইত্যাদি অদ্ভুত নামের বিভিন্ন প্রজাতির বাঁশ এ বাগানগুলোকে দিয়েছে ভিন্ন এক রূপ। পাথুরে পাহাড়ের ঝিরি পথে হেঁটে যেতে যেতে সুমধুর পাখির কলরব মনকে ভাললাগার অনুভূতিতে ভরিয়ে দিয়েছে।দূর থেকে কানে ভেসে আসবে বিপন্ন বন মানুষের ডাক। কিছুদূর এগিয়ে যাওয়ার পর শুরুতে দু’চোখের সামনে ভেসে উঠছে পাহাড় থেকে ধোঁয়ার মতো ঘন কুয়াশা ভেসে উঠার অপূর্ব দৃশ্য।মনে হয়েছে যেন ওই নয়নাভিরাম পাহাড় আমাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে।

 

এভাবেই হাটতে হাটতে একসময় পৌঁছে গেলাম কাঙ্ক্ষিত হামহাম জলপ্রপাতের খুব কাছাকাছি। কিছু দূর এগুলেই শুনতে পেলাম হামহাম জলপ্রপাতের শব্দ।চলে গেলাম হাম হাম ঝর্নার কাছে তখন চারিদিকে এক শিতল শান্ত পরিবেশ। ডানে বামে কোনোদিক থেকেই চোখ ফেরাতে ইচ্ছে করে না। মনে হয়েছে অনন্তকাল দুচোখ ভরে দেখে নেই প্রকৃতির এই অপূর্ব সৃষ্টি।

এই অদ্ভুত এক রোমাঞ্চকর পরিবেশে আমি ভুলে গেছি আমি কোথায় আছি, চারদিকে গহীন জঙ্গল, উপরে আকাশ, পায়ের নিচে বয়ে যাওয়া ঝির ঝির স্বচ্ছ পানির ধারা আর সামনে বহমান অপরূপ ঝর্না।আয়নার মতো স্বচ্ছ পানি পাহাড়ের শরীর বেঁয়ে আছড়ে পড়ছে বড় বড় পাথরের গায়ে।চারপাশ গাছ গাছালি আর নাম না জানা হাজারো প্রজাতির লতাগুল্মে আচ্ছাদিত হয়ে আছে পাহাড়ি শরীর। স্রোতধারা সে লতাগুল্মকে ভেদ করে গড়িয়ে পড়ছে ভুমিতে।স্মৃতিময় হয়ে তাকবে এই দিন।

 রুপের অহংকার 

               লিখেছেন : তাজ ইসলাম .

রুপকে দেখে
ভালবাসিস না রে 
মনকে দেখে 
ভালবাসিস রে 

যদি হয় মন ভালো 
রুপ তখন থাকে ভালো 
রুপের কদর করে যারা
তারা ভালো থাকে না রে

মন যাদের হয় ভালো 
তারাতো রুপের মানুষ হয় রে
হতে পারে কালো 
যদি হয় মন ভালো 
তারা তো রুপের মানুষ রে

রুপকে দেখে ভালবাসিস না রে 
মনকে দেখে ভালবাসিস রে।

পৃথিবী ঘুরে তাজুল বলে 
মনকে দেখে ভালবাসিস রে।

রুপকে নিয়ে যারা বড়াই করে 
তারা তো হয় না ভালো মানুষ রে
মনকে দেখে ভালবাসিস রে।

 

 

 

 

 

 

অন্ধ লোক

             জুলফিকার শাহাদাৎ.

কেমন কলিকাল
কাঁঠাল গাছে খুঁজতে দেখি তাল
তালগাছে তাল ঝুলেই আছে। দেখার তো নেই চোখ
আহা! দেশজুড়ে আজ দেখছি শুধু অন্ধ কিছু লোক।

ইতিহাসের গবেট ছাত্র বিজ্ঞানে দেয় ভাষণ
যোগ্যরা রয় বাইরে তখন খোঁড়ার জন্য আসন
কামাররা দেয় কোরান ছবক। ক্কারির আসন নেই
আমরা এখন কাটাচ্ছি দিন অন্ধ মুলুকেই।

জ্ঞানির কাছে যায় না লোকে। স্তাবক ভরা দেশ
বধির এখন সেজে আছে আসমানি দরবেশ
হাততালিতে মঞ্চ কাঁপে, তাদের জন্য শোক
আহা! দেশজুড়ে আজ দেখছি শুধু অন্ধ কিছু লোক।

দার্শনিকের দর্শনে আজ নেই তো কারো খেয়াল
চতুর্দিকে যাচ্ছে দেখা মস্ত বড় দেয়াল
কী বিপর্যয় সামনে আছে। তার অবসান হোক
আগবাড়িয়ে হাঁটছে দেখো অন্ধ কিছু লোক।

 

 

আলোর প্রদীপ.
   :শামীম আহমদ চৌধুরী.


আট ফাগুনের রক্ত স্নাত -
পিচ ঢালা পথ বেয়ে,
হিরন্য এক প্রদীপ পেলাম -
আলোক দিল ছেয়ে ।

 

সেই আলোতে আলকিত -
আমরা বিশ্বময় ,
বিশ্বজুড়ে আজ জয়গান -
বাংলা ভাষার জয় ।

 

দেশটা রসাতল.

      শামীম আহমদ চৌধুরী.

 

দলের নামে অন্ধ কেহ-

কেহ অন্ধ লীগ ,

গোয়াল  বন্ধি গরু  যেন-

কাদায়বন্ধিপিগ।

 

কর্মি বন্ধি  উচ্ছিস্টে  -

থাবায় ভুষি  কুড়া ,

কাক শকুনের   কাড়াকাড়ি -

বেহায়ামুখপোড়া।

 

বৃত্তশালী বিলেত  গেলো-

বাংলা উজাড় করে ,

পাইক্কারাও কম গেলোনা -

রাজার কান্দে  চড়ে।

 

ধুপের মত  জ্বলছ যারা  -

নানান  নেতার নামে,

দেশ বিদেশে বিত্ত বিভব-

মোদের রক্ত ঘামে।

 

ফরেন বীজের  বর্গি এরা-

বিষবৃক্ষের  ফল,

সুইস ব্যাঙ্ক সেকেন্ড-হুম -

দেশটারসাতল।

 

 

 

 

রক্ত চোষা জোঁক !
          শামীম আহমদ চৌধুরী।

থাবার ঊপর গাপুস গুপুস-
দেখলে গিলে চিনি ,
মালিক কে তার ধার ধারেনা -
খেলবে চিনি মিনি ।


হালুম হুলুম ব্যাংকের হাওয়া-
হাজার হাজার কোটি ,
মন্ত্রি বলেন "কি আর এমন -
সামান্য এক মুটি ।"


ব্যাঙ্ক বিমানে পেট ভরেনা -
পাহাড় নদী খেয়ে ,
লোকের ঘাড়ে ঝাপিয়ে পড়ে -
টাকার গনধ পেয়ে ।


পরের ঘামে জমান টাকায় -
হিংস্র লুলুপ চোখ ,
সব খেয়ে আজ কোটিপতি-
রক্ত চোষা জোঁক।

Image may contain: 1 person, smiling No photo description available.

 

 

সবাই সুখী হতে চায়। পৃথিবীতে এমন কাউকে পাওয়া যাবে না যে সুখী হতে চায় না। অনেকেই ভাবেন- অর্থকড়ি, শিক্ষা-দীক্ষা, বিবাহ, সন্তান-সন্ততি, পরিবার, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রতিপত্তি মানুষকে সুখী করতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে, এসব অর্জন আসলে মানুষকে সুখী করতে পারে না।

 সুখ পেতে আসলে বহুতল বাড়ি লাগে না। ছোট্ট চিলেকৌঠায়ও পাওয়া যায় সুখ।আসলে লাখ লাখ মানুষের জন্য প্রকৃত সুখ যেন সোনার হরিণ। তারা সুখ কিনতে চায়, গাড়ি, বাড়ি, অলঙ্কার, কাপড়চোপড় বা ধন-দৌলতের মতো সুখও তাদের কাছে এক ধরনের পণ্য। এসব প্রাপ্তি মানুষকে সাময়িকভাবে কিছুটা সুখ দিতে পারলেও প্রকৃত প্রস্তাবে ¯’ায়ী সুখ প্রাপ্তির জন্য এসব অর্জন বড় ভূমিকা পালন করে না বলে সমাজবিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী বা চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা মনে করেন। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, সুখ বৈষয়িক বা জাগতিক কোনো ব্যাপার নয়। সুখ বহুলাংশে মনস্তাত্ত্বিক বা আধ্যাত্মিক ব্যাপার।

এলিজাবেথ গিলবার্টের বিখ্যাত অনুপ্রেরণামূলক বই ‘ইট, প্রে, লাভ’। তার কাছে সুখের মানে মানুষের ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা। বইটিতে বলা আছে, ‘সুখের জন্য যুদ্ধ কর“ন, সংগ্রাম কর“ন, কামড়ে ধরে থাকুন, সারা পৃথিবী চষে ফেলুন সুখের খোঁজে! সুখ পেতে আপনাকে হয়তো কর“ণ কঠিন প্রতিযোগিতার মাঝে দিয়ে যেতে হবে। আর একবার অর্জন করা হয়ে গেলে সুখের সমুদ্রে ভেসে থাকার জন্য নিরন্তর সাঁতার কাটতে হবে আপনাকে, যদি না করেন, চুঁইয়ে পড়বে আপনার সš‘ষ্টি, শেষ হয়ে যাবে সুখ।

নিরন্তর প্রচেষ্টার এই পদ্ধতি কারো কারো জন্য কাজ করতে পারে, তবে সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে ভিন্ন তথ্য। এই পদ্ধতি অধিকাংশের ক্ষেত্রেই উল্টো ক্ষতি ডেকে আনে। সাথে আসে চাপ, একাকিত্ব ও ব্যক্তিগত পরাজয়। এই দর্শন অনুযায়ী, সুখ হলো লাজুক কোনো বুনো পাখির মতো, ধরতে গেলে সে উড়ে যাবে।

অনেক মনোবিজ্ঞানী বলেন, সুখ হল জেনেটিক বা বংশানুগতিসম্বন্ধীয়। আবার কিছু বিজ্ঞানী তাদের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের সূত্র ধরে বলেছেন, তারা মস্তিষ্কের এমন কিছু অংশ নির্ণয় করেছেন যেখান থেকে সুখ নিঃসৃত হয়। মিশিগানের হোপ কলেজের সাইকোলজি বিভাগের প্রফেসর ডেভিড মায়ার বলেন, জেনেটিক বা বংশানুগতিসম্বন্ধীয় তত্ত্বের ভিত্তিতে যে যাই বলুন না কেন, সুখ অনেকাংশেই মানুষের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি অনুভূতি। এটি অনেকটা মানুষের কোলেস্টেরল লেভেলের মতো, যা জেনেটিক্যালি প্রভাবান্বিত, আবার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মানুষের আচার-আচরণ বা লাইফস্টাইল এবং খাদ্যাভ্যাস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।সুখকে মাঝে মাঝে এক ধরনের স্বার্থিক উদ্দেশ্য বলে মনে করা হয়। মানুষের কী আছে- তার ওপর সুখ নির্ভর করে না। মানুষ কী ভাবে বা কিভাবে ভাবে- তার ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে সুখ। যার যা আছে বা যে অব¯’ায় আছে তার জন্য শোকরিয়া জানিয়ে যদি দিন শুর“ করা হয়- তাতে সুখ আসবে। মানুষ আজ যা ভাবছে তার ওপর ভিত্তি করে তার ভবিষ্যতের সুখ গড়ে উঠবে। সুতরাং কাজ-কর্ম ও চিন্তাধারায় পজিটিভ অ্যাপ্রোচ নিয়ে শুর“ করলে জীবনে সুফল আসবে। আত্মবিশ্বাসে বিশ্বাসী, মর্যাদাবান, হৃদয়বান, জ্ঞানী-গুণী, সৎ মানুষ সাধারণত সব সময় সুখী হয়।

যারা শুধু নিতে চায়, দিতে জানে না বা চায় না, তারা সুখী হয় না।তাহলে কীভাবে সুখী হবেন? ডোপামিন নামক একটি নিউরোট্রান্সমিটারকে ‘ভালো লাগার হরমোন’ বলা হয়। গভীর ভালোবাসা বা মাদক যে তীব্র আনন্দ দেয়, তা এই ডোপামিনের জন্যই। নানা প্রক্রিয়ায় আমরা ব্রেইনের ডোপামিন লেভেল বাড়াতে পারি।তবে নিয়মিত ব্যায়াম কর“ন, আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ কর“ন, জীবনে যা পেয়েছেন, হয়েছেন তার হিসাব কর“ন, কী পাননি তা নয়—কোনো বিষয়েই কারও সঙ্গে নিজেকে তুলনা করবেন না। কেননা, মূলত জীবনে তুলনা বলে কিছু নেই। আপনি এ পৃথিবীতে অনন্য ও অসাধারণ। এ জীবনে যা পেয়েছেন, হয়েছেন তার জন্য গর্ব ও তৃপ্তি অনুভব কর“ন। বর্তমানে বাঁচুন, বর্তমানে জীবন যাপন কর“ন, অতীত, ভবিষ্যৎ বা অন্য কিছু যেন মনোযোগকে বিঘ্নিত করতে না পারে—একে আমরা বলি মাইন্ডফুলনেস; যারা আনন্দ দেয়, সম্মান করে, তাদের সঙ্গে থাকুন। যা করছেন গভীর মনোনিবেশ দিয়ে কর“ন, এর মধ্যে ডুবে থাকুন—একে বলে ফ্লো। আত্মবিশ্বাস ও আত্মসম্মান বৃদ্ধি করে তেমন কিছু কর“ন। যা কিছু ভালো তা ধরে রাখুন, যা কিছু মন্দ সেসব ‘চলে যেতে’ দিন। ভালোবাসুন—মানুষকে, প্রাণীকে, প্রকৃতিকে। বেরিয়ে পড়ুন, ঘুরতে যান, প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকুন। ভালো আছি, সুখে আছি—এটি হোক নিত্যদিনের জপমন্ত্র। শেয়ার কর“ন নিজের আনন্দ সুখকে। জীবনে অনেকভাবে বাঁচা যায়, এক পথ বন্ধ হলে শত পথ খুলে যাবে।



 ছোট বেলা থেকেই কবিতা লেখা শুরু (১৯৮৮) সময়কার কথা। মা গান গাইতেন, ভাল লাগছে। সেই অনুপ্রেরণা থেকেই গানের প্রতি ভালবাসার সৃষ্টি। সময় এসেছে গান লিখার। কলেজে নবীবরন অনুষ্ঠান, সহপার্ঠি বললো নতুন ছাত্রদের বরন নিয়ে একটি গান লিখতে হবে। সেই থেকে গানের যাত্রা শুরু।
বলছিলাম এ সময়ের এক নক্ষত্র সুদূর প্রবাসে থেকে ও সংগীত জীবনে মন প্রাণ উজাড় করে দিয়েছেন যিনি হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ পৌর এলাকার রাজাবাদ গ্রামের কৃতি সন্তান জনপ্রিয় গীতিকার ও টিভি উপস্থাপক জাহাঙ্গীর আলম রানার কথা।
বাবা-মা’র দেয়া নাম মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এর সাথে ছোটবেলার ডাকনাম রানা যুক্ত হয়ে জাহাঙ্গীর রানা হিসেবেই লেখালেখির জগতে নিজেকে পরিচিত করে তুলে ধরেন শুরু থেকেই। ১৮ ডিসেম্বর ১৯৬৯ সালে হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ পৌর এলাকার রাজাবাদ গ্রামের এক সম্ব্রান্ত পরিবারে জন্ম তাঁর।
অষ্টম শ্রেণীতে পড়ার সময় এ.টি.এম নুরুল ইসলাম খেজুরের সম্পাদিত স্থানীয় সাহিত্য কাগজ শাখাবরাক এ আর্তি কবিতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে লেখালেখির শুরু।
কবিতা , গল্প, গান, সব জায়গায় তার কলম চলছে সমানে। আধুনিক, দেশাত্মবোধক, লোকোগীতি , বাউল অঙ্গ, এসব মিলিয়ে প্রায় ৫০০ শত গান লিখেছেন তিনি।
শুরুটা- কলেজে নবীন বরন অনুষ্ঠান শামস খেলা নামে এক বন্ধু আবদার করলেন রানা তুই একটা গান লিখে দিতে হবে। তখন তো আমি হিমশিম খাচ্ছি কী করে যে কী করি। বন্ধু পিছু ছাড়ছে না। শেষে নিরুপায় হয়ে একটা গান লিখে দিলাম।
গানটি আমার বন্ধু শামস খেলা তার নিজের সুরে গাইলো আমি দর্শকের সারিতে বসে গানটি শুনলাম। সেদিন নিজের লিখা গানের প্রেমে পড়ে গেলাম।
শুরু হলো নতুন এক চ্যাপ্টার। ৮৭ থেকে ২০১৪। ২৭ বছর। কম সময় নয়। আধুনিক গান লিখতাম। তৃষ্ণা  মিটছিল না। কোথায় যেন একটা অতৃপ্তি,না পাওয়া, হাহাকার ভেতরে ভেতরে কাজ করছিল। বুকের গহিনে যেন কিছুটা আটকে ছিল যা প্রকাশিত হবার বেদনায় ছটফট করছিল। ১৯৯০, ৯১ সাল হবে। একদিন আষাঢ় মাস। আকাশ ভেঙে নেমেছে অঝোর বৃষ্টি। দরজা জানালা বন্ধ করে ঘরে বসে আছি। সেদিন সারাটা বিকেল মাথার মাঝে দুটি লাইন ঘুরপাক খাচ্ছিল।

আমার বুকের ভিতর কে বানাইল বাড়ি
অনুমতি ছাড়াই আমার হুকুম চলে তারি
সেতায় হুকুম চলে তারি’
লিখা চলবে,
(পর্ব ১)
 


.
প্রশ্নঃ ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানানোর বিধান কি? ঈদের নামাজের পর হাত মিলানো এবং কোলাকুলি করার বিধান কি?
.
উত্তর দিয়েছেন শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল মুনাজ্জিদ
.
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। বর্ণিত হয়েছে যে, সাহাবাগণ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) ঈদ উপলক্ষে একে অপরকে এই বলে শুভেচ্ছা জানাতেন, “তাকাব্বাল আল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম” [আল্লাহ আমাদের এবং আপনার পক্ষ থেকে (এই ইবাদত) কবুল করুন]। যুবাইর ইবনে নুফাইর হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবাগণ ঈদের দিন যখন পরস্পর সাক্ষাত করতেন তখন একে অপরকে বলতেন, “তাকাব্বাল আল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম” [আল্লাহ আমাদের এবং আপনার পক্ষ থেকে (এই ইবাদত) কবুল করুন]। আল হাফিয বলেন, এটির সনদ হাসান।
.
ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ঈদের দিন একে অপরকে “তাকাব্বাল আল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম” [আল্লাহ আমাদের এবং আপনার পক্ষ থেকে (এই ইবাদত) কবুল করুন] এ কথা বলাতে কোন দোষ নেই। এটি ইবনে কুদামাহ কর্তৃক আল মুগনী কিতাবে বর্ণিত হয়েছে।
.
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাকে “আল ফাতাওয়া আল কুবরা” (২/২২৮)-তে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ঈদের শুভেচ্ছা “ঈদ মুবারাক” ইত্যাদির কোন ভিত্তি কি শরীয়তে আছে নাকি নেই? যদি শরীয়তে এর কোন ভিত্তি থাকে তাহলে আমাদের কি বলা উচিত?
.
উত্তরে তিনি বলেন, ঈদের দিন শুভেচ্ছা প্রদানের ক্ষেত্রে লোকেরা যে নামাজ পরবর্তী সাক্ষাতের সময় একে অন্যকে বলে থাকে, “তাকাব্বাল আল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম ওয়া আহালাহু আল্লাহ আলাইকা” [আল্লাহ আমাদের এবং আপনার পক্ষ থেকে (এই ইবাদত) কবুল করুন এবং পরবর্তী ঈদ দেখার জন্য আল্লাহ আপনাকে বাঁচিয়ে রাখুন] ইত্যাদি; এটি কয়েকজন সাহাবীগণের নিকট থেকে বর্ণিত হয়েছে যারা তা করতেন এবং অন্যদেরও তা করার অনুমতি দিতেন এবং ইমামগণের নিকট থেকেও তা বর্ণিত হয়েছে যেমন, ইমাম আহমাদ। তবে ইমাম আহমাদ বলেছেন, আমি কাউকে শুরুতে এই শুভেচ্ছা প্রদান করি না। তবে কেউ যদি আমাকে এই পন্থায় শুভেচ্ছা প্রদান করে তাহলে বিনিময়ে আমিও তাকে শুভেচ্ছা প্রদান করি। কারণ শুভেচ্ছার বিনিময়ে শুভেচ্ছা প্রদান করা বাধ্যতামূলক, কিন্তু শুরুতেই (নিজের পক্ষ থেকে) শুভেচ্ছা প্রদান করা সুনির্দিষ্ট সুন্নাহ নয় এবং তা হারামও নয়। যে ব্যক্তি এটি করে তার দলিল আছে এবং যে ব্যক্তি এটি করে না তারও দলিল আছে। এবং আল্লাহ ভাল জানেন।
.
শাইখ ইবনে উসাইমীনকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ঈদের শুভেচ্ছা প্রদান করার বিধান কি এবং এক্ষেত্রে কি কোন নির্দিষ্ট বাক্য রয়েছে? উত্তরে তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো বৈধ এবং এক্ষেত্রে বিশেষ কোন শুভেচ্ছা বাক্য নেই। বরং লোকেরা সাধারণত যে শুভেচ্ছা বাক্য ব্যবহার করে তা বৈধ যতক্ষণ না তাতে কোন পাপ সম্পৃক্ত হয়।
.
তিনি আরো বলেন, কিছু সংখ্যক সাহাবা ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাতেন। যদি আমরা ধরেও নেই যে, তারা তা করতেন না, তবুও বর্তমানে এটি একটি প্রচলিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে যা মানুষ সাধারণত করে থাকে, ঈদ উপলক্ষে এবং সিয়াম ও কিয়াম সম্পূর্ণ হওয়ার পর তারা একে অপরকে অভিনন্দন জানিয়ে থাকে।
.
তাঁকে আরো জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ঈদের নামাজের পর একে অপরকে অভিনন্দন জানানো, হাত মিলানো এবং কোলাকুলি করার বিধান কি? উত্তরে তিনি বলেন, এই বিষয়গুলোতে কোন দোষ নেই কারণ লোকেরা এই কাজগুলো আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়ার উদ্দেশ্যে ইবাদত হিসাবে করে না, বরং একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে প্রচলিত কর্ম হিসাবে তারা এগুলো করে থাকে। যে পর্যন্ত না শরীয়তে এমন কিছু পাওয়া যায়, যা নির্দেশ করে যে কাজটি নিষিদ্ধ, সে পর্যন্ত মৌলিক নীতিমালা অনুযায়ী তা বৈধ। [মাজমু ফাতাওয়া ইবনে উসাইমীন,

 

    ইলেক্ট যিনি হবার পারেন-        
      কেউ না দিলেও ভোট,
      তার সাথে কি চলতে লাগে-      
      সামান্য পাসপোর্ট !!

   থাকলে পচন মাছের মাথায়-      
      অঙ্গে  পচন ধরে,
      বিচার বিহীন ভুতের আছর-       
      ভিত্তি কি  নড়বড়ে !!

              --------

             শামীম আহমদ চৌধুরী.
              তারিখ জুন ৯,২০১৯.

 

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular

LIVE STREAMING

Jun 11, 2019 391 Movies

X

দুঃখিত !

ওয়েব সাইটে এই অপশন নাই।