Login to your account

Username *
Password *
Remember Me

Create an account

Fields marked with an asterisk (*) are required.
Name *
Username *
Password *
Verify password *
Email *
Verify email *
Captcha *
Reload Captcha
Sunday, 11 August 2019 18:57

একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানো, হাত মিলানো, কোলাকুলি করা জায়েজ


.
প্রশ্নঃ ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানানোর বিধান কি? ঈদের নামাজের পর হাত মিলানো এবং কোলাকুলি করার বিধান কি?
.
উত্তর দিয়েছেন শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল মুনাজ্জিদ
.
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। বর্ণিত হয়েছে যে, সাহাবাগণ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) ঈদ উপলক্ষে একে অপরকে এই বলে শুভেচ্ছা জানাতেন, “তাকাব্বাল আল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম” [আল্লাহ আমাদের এবং আপনার পক্ষ থেকে (এই ইবাদত) কবুল করুন]। যুবাইর ইবনে নুফাইর হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবাগণ ঈদের দিন যখন পরস্পর সাক্ষাত করতেন তখন একে অপরকে বলতেন, “তাকাব্বাল আল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম” [আল্লাহ আমাদের এবং আপনার পক্ষ থেকে (এই ইবাদত) কবুল করুন]। আল হাফিয বলেন, এটির সনদ হাসান।
.
ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ঈদের দিন একে অপরকে “তাকাব্বাল আল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম” [আল্লাহ আমাদের এবং আপনার পক্ষ থেকে (এই ইবাদত) কবুল করুন] এ কথা বলাতে কোন দোষ নেই। এটি ইবনে কুদামাহ কর্তৃক আল মুগনী কিতাবে বর্ণিত হয়েছে।
.
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাকে “আল ফাতাওয়া আল কুবরা” (২/২২৮)-তে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ঈদের শুভেচ্ছা “ঈদ মুবারাক” ইত্যাদির কোন ভিত্তি কি শরীয়তে আছে নাকি নেই? যদি শরীয়তে এর কোন ভিত্তি থাকে তাহলে আমাদের কি বলা উচিত?
.
উত্তরে তিনি বলেন, ঈদের দিন শুভেচ্ছা প্রদানের ক্ষেত্রে লোকেরা যে নামাজ পরবর্তী সাক্ষাতের সময় একে অন্যকে বলে থাকে, “তাকাব্বাল আল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম ওয়া আহালাহু আল্লাহ আলাইকা” [আল্লাহ আমাদের এবং আপনার পক্ষ থেকে (এই ইবাদত) কবুল করুন এবং পরবর্তী ঈদ দেখার জন্য আল্লাহ আপনাকে বাঁচিয়ে রাখুন] ইত্যাদি; এটি কয়েকজন সাহাবীগণের নিকট থেকে বর্ণিত হয়েছে যারা তা করতেন এবং অন্যদেরও তা করার অনুমতি দিতেন এবং ইমামগণের নিকট থেকেও তা বর্ণিত হয়েছে যেমন, ইমাম আহমাদ। তবে ইমাম আহমাদ বলেছেন, আমি কাউকে শুরুতে এই শুভেচ্ছা প্রদান করি না। তবে কেউ যদি আমাকে এই পন্থায় শুভেচ্ছা প্রদান করে তাহলে বিনিময়ে আমিও তাকে শুভেচ্ছা প্রদান করি। কারণ শুভেচ্ছার বিনিময়ে শুভেচ্ছা প্রদান করা বাধ্যতামূলক, কিন্তু শুরুতেই (নিজের পক্ষ থেকে) শুভেচ্ছা প্রদান করা সুনির্দিষ্ট সুন্নাহ নয় এবং তা হারামও নয়। যে ব্যক্তি এটি করে তার দলিল আছে এবং যে ব্যক্তি এটি করে না তারও দলিল আছে। এবং আল্লাহ ভাল জানেন।
.
শাইখ ইবনে উসাইমীনকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ঈদের শুভেচ্ছা প্রদান করার বিধান কি এবং এক্ষেত্রে কি কোন নির্দিষ্ট বাক্য রয়েছে? উত্তরে তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো বৈধ এবং এক্ষেত্রে বিশেষ কোন শুভেচ্ছা বাক্য নেই। বরং লোকেরা সাধারণত যে শুভেচ্ছা বাক্য ব্যবহার করে তা বৈধ যতক্ষণ না তাতে কোন পাপ সম্পৃক্ত হয়।
.
তিনি আরো বলেন, কিছু সংখ্যক সাহাবা ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাতেন। যদি আমরা ধরেও নেই যে, তারা তা করতেন না, তবুও বর্তমানে এটি একটি প্রচলিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে যা মানুষ সাধারণত করে থাকে, ঈদ উপলক্ষে এবং সিয়াম ও কিয়াম সম্পূর্ণ হওয়ার পর তারা একে অপরকে অভিনন্দন জানিয়ে থাকে।
.
তাঁকে আরো জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ঈদের নামাজের পর একে অপরকে অভিনন্দন জানানো, হাত মিলানো এবং কোলাকুলি করার বিধান কি? উত্তরে তিনি বলেন, এই বিষয়গুলোতে কোন দোষ নেই কারণ লোকেরা এই কাজগুলো আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়ার উদ্দেশ্যে ইবাদত হিসাবে করে না, বরং একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে প্রচলিত কর্ম হিসাবে তারা এগুলো করে থাকে। যে পর্যন্ত না শরীয়তে এমন কিছু পাওয়া যায়, যা নির্দেশ করে যে কাজটি নিষিদ্ধ, সে পর্যন্ত মৌলিক নীতিমালা অনুযায়ী তা বৈধ। [মাজমু ফাতাওয়া ইবনে উসাইমীন,

Last modified on Sunday, 11 August 2019 19:39
Login to post comments
  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular
X

দুঃখিত !

ওয়েব সাইটে এই অপশন নাই।