• 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
 

Items filtered by date: Sunday, 11 October 2020

নবীগঞ্জ শহরের শেরপুর রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ও হবিগঞ্জ জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমাইয়া মমিন।এসময় সহযোগিতা করেন এস আই রতনের নেতৃত্বে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ।রবিবার(১১ অক্টোবর ) সকালে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অতিরিক্ত ভাড়া, মাস্ক বিহীন চলাচল, অবৈধ পার্কিং ইত্যাদির কারণে ৫ টি মামলায় বিভিন্ন আইনে ৩ হাজার ২ শত টাকা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি সি এন জি, অটোরিক্সা আটক করা হয়েছে এবং শেরপুর রোড বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বাস ও সিএনজি চালকদের অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন না করা, স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা ও সরকার নির্দেশিত ভাড়া যাতে যথাযভাবে আদায় করা হয় সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়।এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমাইয়া মমিন বলেন, এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

নবীগঞ্জে শনিবার সকাল ৮  টা থেকে  ১২ টা পর্যন্ত টানা ১৫ ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকার ফলে পৌর শহরের সকল ধরনের গ্রাহকদের ভোগান্তি চরম আকার ধারন করে। শনিবার সারা দিন প্রচন্ড দাবাদহে অসহনীয় দুর্ভোগে অতিষ্ট হয়ে রাতে আন্দোলনে নামেন বিক্ষুব্ধ জনতা। রাত ১০ টায় শহরের নতুন বাজার এলাকা থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে কলেজ রোডস্থ পল্লী বিদ্যুতের অফিস ঘেরাও করে ডিজিএম এর অপসারণ দাবি করে রাত ১২ টা পর্যন্ত বিভিন্ন শ্লোগান দেয় বিক্ষুব্ধরা। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার এসআই ফকরুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি নবীগঞ্জ শহরের নতুন বাজারে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষ হবার ১০ মিনিটের মাথায় বিদ্যুত চলে আসে। এদিকে, নবীগঞ্জ পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা শনিবার সকাল থেকে টানা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় থাকার ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ গ্রাহকসহ শিল্প প্রতিষ্টান বিশেষ করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। টানা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না বিদ্যুতের অভাবে অসুস্থ রোগীদের চরম বিপদে পড়তে হয়েছে বিশেষ করে শ্বাস কষ্টে আক্রান্ত শিশু ও বৃদ্ধদেরকে নিয়ে মারাত্বক ভোগান্তিতে পড়েন হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। শনিবার সকাল থেকে পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম আলী বর্দি খান সুজনের সাথে মোবাইল ফোনে ও সরাসরি যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। টানা বিদ্যুৎ না থাকার কারণে শহরের আবাসিক এলাকাগুলিতে চলে পানির জন্য হাহাকার। বিশেষ করে যারা ২/৩ তলা থেকে ৪/৫ তলা বাসায় যারা বসবাস করেন তাদের অবস্থা ছিল একেবারেই খারাপ। পানির অভাবে চরম বেকায়দায় পড়েন তারা। প্রচন্ড গরমে অতিষ্ট মানুষজনের পানির অভাবে রান্নাবান্নাসহ নানান কাজ ব্যাহত হয়। শহরের আবাসিক এলাকার বিভিন্ন বাসাবাড়িতে বিদ্যুতের অভাবে পানি তুলতে না পাড়ায় বেশীরভাগ মহিলাদের গোসল না করে থাকতে হয়েছে। তবে অনেক লোকজনকে বিভিন্ন পুকুরে গোসল করার  ভীড় দেখা গেছে।

 
  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular
X

দুঃখিত !

ওয়েব সাইটে এই অপশন নাই।