• 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
 

Items filtered by date: Monday, 12 October 2020

নবীগঞ্জ পৌর শহরে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ও হবিগঞ্জ জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমাইয়া মমিন।এসময় সহযোগিতা করেন নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ।সোমবার(১২ অক্টোবর ) বিকেলে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অতিরিক্ত ভাড়া, মাস্ক বিহীন চলাচল, অবৈধ পার্কিং ইত্যাদি কারণে ৮ টি মামলায় বিভিন্ন আইনে  ২ হাজার ৯ শত টাকা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। শেরপুর রোড বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বাস ও সিএনজি চালকদের অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন না করা, স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা ও সরকার নির্দেশিত ভাড়া যাতে যথাযভাবে আদায় করা হয় সে বিষয়ে  সতর্ক করা হয়।এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমাইয়া মমিন বলেন,এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ এর ৯ (১) ধারায় ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড সোমবার মন্ত্রিপরিষদ সভায় অনুমোদিত হয়েছে। আগামীকাল অধ্যাদেশটি জারি হবে ও আগামী নভম্বরের সংসদে অধ্যাদেশটি আইন আকারে পাশ হবে। সমাজের সকলের সহযোগিতায় দেশ থেকে ধর্ষণ প্রতিহত করা সম্ভব হবে। যার ফলে ধর্ষণ ও নির্যাতন বন্ধ হবে।আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে মন্ত্রীসভা বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড মন্ত্রিপরিষদ সভায় নীতিগতভাবে অনুমোদিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আজকের এই আইনের সংশোধনীর মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন আরো ধাপ এগিয়ে গেল। এ সময় আইনমন্ত্রীকেও সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। এ ছাড়া যারা ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবিতে রাজপথে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে জোরালো বক্তব্য ও পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তাদেরকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের মাধ্যমে আমাদের এদেশ ধর্ষণ মুক্ত হবে। আমি চাইনা কোনো একজন নারী বা শিশু ধর্ষিত হোক। সমাজ থেকে ধর্ষণ নির্মূল করতে পরিবার, সমাজ, বিভিন্ন মিডিয়া ও কমিউনিটির দায়িত্ব রয়েছে।এই সংশোধনের মাধ্যমে কি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব শেষ হয়ে যাবে এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখনতো মাত্র অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। যেহেতু সংসদ নেই তাই অধ্যাদেশের মাধ্যমে আইনটি সংশোধন করা হয়েছে। আগামী মাসে অর্থ্যাৎ নভেম্বরে সম্ভবত সংসদ অধিবেশন বসবে তখন আমরা এই অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করতে একটি বিল নিয়ে আসবো। আগামীকালই অধ্যাদেশ হয়ে যাবে।নতুন এই সংশোধনীত অধ্যাদেশ বাস্তবায়নের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি যে নতুন যে সংশোধনী আনা হয়েছে সেটা কাজ করবে। বিচারের যে দীর্ঘ প্রক্রিয়াটাও কমে আসবে বলে আশা করছি।রাজনৈতিক ক্ষমতার সাথে ধর্ষণের সম্পর্ক বেশি সে পরিস্থিতিতে আইন করে কিভাবে দেশে ধর্ষণ কমবে এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেন, শুধুমাত্র আইন ও সরকার দিয়ে সব কিছু কিন্তু করা সম্ভব নয়। সরকারের সাথে সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি তাহলে অবশ্যই হবে। ধর্ষক ধর্ষকই তার পরিচয় ধর্ষক। তার অন্য কোনো পরিচয় থাকতে পারে না। এখানে পরিবারেরও দায়িত্ব অনেক রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি আইনের সঠিক প্রয়োগ, ইতিবাচক মনমানসিকতা ও সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে সমাজ ধর্ষণ মুক্ত হবে। যারা এ অপরাধের সাথে জড়িত হবে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বাংলার মানুষ অচিরেই স্বচক্ষে দেখতে পাবে।তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরই কিন্তু দেশে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার, বিচার ও ডিএনএ টেস্ট হচ্ছে যা অতীতের কোনো সরকার করে নাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের আমলেই ধর্ষণের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা হয়েছে। এই সরকারের আমলে ধর্ষণের বিচার অতি দ্রুত সময়ে সঠিক বিচারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করবে বলে আমি মনে করি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব ফরিদা পারভীন, অতিরিক্ত সচিব ড. মহিউদ্দীন আহমেদ, যুগ্মসচিব মো মুহিবুজ্জামান ও প্রকল্প পরিচালক ড. আবুল হোসেন।

Published in সংবাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর দায়ের করা ধর্ষণ ও ধর্ষণের সহযোগিতার মামলায় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতাকে দুইদিন করে রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। তাঁরা হলেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম ও সংগঠনটির ঢাবি শাখার সহ সভাপতি মো. নাজমুল হুদা।আজ সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূইয়ার আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের দুজনকে সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। পরে আদালত শুনানি শেষে তাঁদের দুজনকে দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এদিকে গতকাল রবিবার দুপুরে রাজধানীর ভিন্ন এলাকা থেকে এ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Published in সংবাদ

 নবীগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলা হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন।
সভায় বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ, নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট গতি গোবিন্দ দাশ, সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) সুমাইয়া মমিন, নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. আজিজুর রহমান, উপজেলা জাপার সভাপতি ডাঃ শাহ আবুল খায়ের, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সরওয়ার শিকদার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক মোস্তাক আহমেদ মিলু, পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম আলী বর্দি খান সুজন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নুসরাত ফেরদৌসী, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল, ইউপি চেয়ারম্যান ইজাজুর রহমান, সত্যজিৎ দাশ, বজলুর রশিদ, মোঃ আবু সাঈদ এওলা মিয়া, আলী আহমেদ মুসা, আব্দুল মুহিত চৌধুরী, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নারায়ন চন্দ্র রায়, সাধারন সম্পাদক উত্তম কুমার পাল হিমেল, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শাহিন আহমদ, কমিটির সদস্য শেখ সইফা রহমান কাকলি প্রমুখ।

বাহুবল উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির মাসিক সভায় দিগাম্বর শ্মাশান কালী মন্দির ভাংচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। গতকাল রবিবার বিকাল ৪টায় বাহুবল অফিসার্স ক্লাবে আয়োজিত সভা উপরোক্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্নিগ্ধা তালুকদারের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহনওয়াজ মিলাদ গাজী এমপি।বক্তব্য রাখেন, বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ খলিলুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াকুত মিয়া, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিলুফার ইয়াছমিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল হাই, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আহমেদ কুটি, বাহুবল মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি নূরুল ইসলাম নূর, ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম, আজমল হোসেন চৌধুরী, হাবিবুর রহমান চৌধুরী টেনু, সাইফুদ্দিন, কামরুজ্জামান বশির, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নীহার রঞ্জন দেব প্রমুখ।উপজেলার সাতকাপন ইউনিয়নের গকলপুর ও আশপাশের ১৬ গ্রামের চিহ্নিত চোরদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবির জবাবে সভায় উপস্থিত বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এক সপ্তাহের সময় নেন। এ সময়কালের মধ্যে তিনি চিহ্নিত চোরদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে সভাকে আশ্বস্থ করেন।

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular

LIVE STREAMING

Jun 11, 2019 405 Movies

X

দুঃখিত !

ওয়েব সাইটে এই অপশন নাই।