• 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
 

Items filtered by date: Tuesday, 16 February 2021

নবীগঞ্জে নসিমনের চাপায় নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাড়ী ঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ঘাতক নসিমন গাড়ি আটক হলেও চালক পালিয়ে যায়।এলাকাবাসী সুত্রে জানাযায়, মঙ্গলবার দুপুরের দিকে নবীগঞ্জ থানা পয়েন্টে বেপরোয়া নসিমন (বটবটির) চাপায় রাজাবাদ গ্রামের মৃতঃ ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে মোঃ বাবুল মিয়া (৫০) গুরুত্বর আহত হন। পরে গুরুত্বর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে নবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে আহত ব্যক্তির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পরে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেলে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এদিকে ঐ দুর্ঘটনায় মৃত ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নসিমন গাড়ির পক্ষে স্থানীয় রাজাবাদ গ্রামের কিছু লোকজন পক্ষালম্ভন করলে দু পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা সংগঠিত হয়। এর জের ধরে বিকেলের দিকে একদল লোক হরিপুর গ্রামের মৃতঃ হাকিম মিয়ার ছেলে ফরহাদ মিয়ার বাড়ী ঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের চালায় একদল লোক। এরপর আবার রাজাবাদ গ্রামের আখলিছ মিয়ার বাড়িতেও হামলা চালায় ওই লোকেরা।এ ঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশের ওসি মোঃ আজিজুর রহমানসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ফরহাদ মিয়ার স্ত্রী তাকমিনা বেগম বলেন, হঠাৎ করে আমার পুরুষশুন্য বাড়ীতে রাজাবাদ গ্রামের দুলু মিয়া তার ছেলে রিপন রুবেল রিয়নসহ তাদের আতœীয় স্বজনের নেতৃত্বে একদল লোক বাড়ী ঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের চালায়। এসময় আমাদের উপরও অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় আমার দুই সন্তান গুরুত্ব আহত হয়। এবং বাসায় থাকা ব্যবসায়ী কাজের জন্য ৩০লক্ষ টাকা স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান আসবাবপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ আজিজুর রহমান জানান, ঘটনার খবর পেয়ে সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। এবং নসিমন গাড়িকে আটক করা হযেছে। চালক পালিয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

নবীগঞ্জে প্রথমবারের মতো স্মার্টকার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার নবীগঞ্জ পৌরসভার ১-৫ নং ওয়ার্ডের ২০১৯ইং সালের নতুন ভোটারদের মাঝে স্মার্ট কার্ড বিতরণের মাধ্যমে নবীগঞ্জ উপজেলায় স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু করা হয়েছে। স্মার্টকার্ড বিতরণ শুরু করেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দেবশ্রী দাস পার্লি। ১৬ ফেব্রুয়ারী নবীগঞ্জ পৌরসভার ৬-৯নং ওয়ার্ডের ২০১৯ সালের নতুন ভোটারদের স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, পর্যায়ক্রমে নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ২০১৯ সালের নতুন ভোটারদের মাঝেও স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হবে। স্মার্ট কার্ডে ব্যক্তির নাম (বাংলা ও ইংরেজি), মা-বাবার নাম, জন্মতারিখ ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন নম্বর দৃশ্যমান থাকছে। কার্ডের পেছনে থাকছে ব্যক্তির ভোটার এলাকার ঠিকানা, রক্তের গ্রুপ ও জন্মস্থান। তবে সব মিলিয়ে স্মার্ট কার্ডের মধ্যে থাকা চিপ বা তথ্যভান্ডারে ৩১ ধরনের তথ্য থাকছে, যা মেশিনে পাঠযোগ্য হবে।

২২ ধরনের সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে এই স্মার্ট কার্ড কাজে লাগবে। আয়করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর পাওয়া, শেয়ার আবেদন ও বিও হিসাব খোলা, ড্রাইভিং লাইসেন্স করা ও নবায়ন, ট্রেড লাইসেন্স করা, পাসপোর্ট করা ও নবায়ন, যানবাহন রেজিস্ট্রেশন, চাকরির আবেদন, বিমা স্কিমে অংশগ্রহণ, স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়, বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রেশন, ব্যাংক হিসাব খোলা, নির্বাচনে ভোটার শনাক্তকরণ, ব্যাংকঋণ, গ্যাস-পানি-বিদ্যুতের সংযোগ, সরকারি বিভিন্ন ভাতা উত্তোলন, টেলিফোন ও মোবাইলের সংযোগ, সরকারি ভর্তুকি, সাহায্য ও সহায়তা, ই-টিকিটিং, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি, আসামি ও অপরাধী শনাক্তকরণ, বিজনেস আইডেনটিফিকেশন নম্বর পাওয়া ও সিকিউরড ওয়েব লগে ইন করার ক্ষেত্রে এটি কাজে লাগবে।

হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জেলা বিএমএ ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ সভাপতি ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী স্বপরিবারে করোনা ভাইরাস টিকা গ্রহণ করেছেন। গতকাল সোমবার দুপুরে ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী, উনার স্ত্রী নুসরাত মাহমুদ চৌধুরী ও মেয়ে ডাঃ মেহরাব বিনতে মুশফিক টিকা গ্রহন করেন। একই সময় ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মুখলিছুর রহমান এবং জেলা পরিষদের স্টাফগণও টিকা গ্রহণ করেন। এ সময় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুরুল ইসলাম, ডাঃ মোঃ সোলায়মান, ডাঃ আশরাফ উদ্দিন, ডাঃ মিথুন রায়,আরএমও ডাঃ শামীমা আক্তার, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ ফজলুর রহমান সহ জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

এ সময় ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী প্রতিক্রিয়া জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, করোনা বাংলাদেশে প্রথম সনাক্ত হবার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণে আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশে করোনা ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারেনি।

 তিনি বলেন, তৃতীয় বিশ্বের দেশ হিসেবে আমরা আতংকিত ছিলাম সঠিক সময়ে টিকা পাব কি না।

কিন্তু উন্নত দেশের সাথে আমাদের দেশেও টিকা আসায় আশ্চর্য হয়েছি। এটা সম্ভব হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণে। এবং ওই টিকা প্রত্যেকটি উপজেলায় পৌছেছে। দেশের মানুষ টিকা নিতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, একটি পক্ষ সবসময়ই নেতীবাচক কথা বলে। জনগন যাতে টিকা না নেয় সেজন্য বিভিন্ন বিভ্রান্তিমুলক অপপ্রচার চালিছে। অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে তিনি সকলকে টিকা গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি টিকাদান কার্যক্রমে যারা সম্পৃক্ত তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে করোনা ভ্যাকসিন বিদেশ থেকে নিয়ে আসায় তিনি তার প্রতি কৃজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, টিকার কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে টিকা নেয়ার জন্য প্রতিদিন আগ্রহ করে লোকজন ভীড় জমাচ্ছেন। তিনি বলেন-টিকা নিলে করোনার ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

অস্বাভাবিক ওজন নিয়ে জীবনযুদ্ধে হেরে অবশেষে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন ৩০২ কেজি ওজনের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাখন মিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল (৪০) বছর।সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। মাখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের দক্ষিণ মৌড়াইলের মিলন মিয়ার ছেলে।পারিবারিক সূত্র জানায়, মাখন মিয়ার ওজন প্রথমে স্বাভাবিক থাকলেও পরে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। মৃত্যুকালে তার ওজন ছিল ৩০২ কেজি। অস্বাভাবিক এই ওজন নিয়ে মানবেতর দিন কাটিয়ে ছিল মাখন। অবশেষে ওজনের কারণে জীবন-যুদ্ধে হেরে  মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। মাখনের পিতা মিলন মিয়া জানান, গত কয়েকদিন যাবত মাখন শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগ ভুগছিলেন। গত ২০ বছর বয়স পর্যন্ত স্বাভাবিকই ছিল মাখন। তারপর হঠাৎ তার শারীরিক গঠন বাড়তে থাকে। সে সাথে তার শরীরের ওজনও অস্বাভাবিক বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত তার ওজন ৩০২ কেজিতে গিয়ে দাঁড়ায়। ছেলেকে সুস্থ করার জন্যে চিকিৎসাও করেছেন একাধিকবার, কিন্তু অস্বাভাবিক ওজনের কারণে ব্যাহত হচ্ছিল চিকিৎসা। তার চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে এখন নি:স্ব তার পরিবার। দুই সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে আর্থিক কষ্টে বেঁচে থাকাই ছিল কষ্ট কর।ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগ কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন মৃত্যু নিশ্চিত করে জানান, সোমবার রাতে মাখন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা। তার ওজনের কারণে হাসপাতালের ভেতরে জরুরী বিভাগে ঢুকানো সম্ভব হয়নি। হাসপাতালের গেইটেই তাকে চিকিৎসা দিতে হয়েছে।তিনি বলেন, মাখনের শ্বাসকষ্ট সমস্যা ছিল। তার বুকে ব্যথা ছিল। হৃদযন্ত্র ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। 

Published in সংবাদ
  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular
X

দুঃখিত !

ওয়েব সাইটে এই অপশন নাই।