• 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
 

Items filtered by date: Thursday, 04 February 2021

নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে কাঁমার গাঁও গ্রামের বাবলু ইসলাম এবং একি গ্রামের বুরহান গং দের জায়গা জমি নিয়ে বিরুদ্ধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিগত দিনে (২০২০) হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক,এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী ও নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, আলহাজ্ব ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম সাহের মাধ্যমে প্রথম সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম সালিশ বৈঠকে প্রথম পক্ষ বাবলু ইসলামের জবানবন্দিঃ- কাঁমার গাঁও মৌজার জেল নং ৪০/ খতিয়ান নং ১৯১/ দাগ নং ৬৭/ অধ্য দাগে ১৯, শতক জায়গা আমার পিতা নজরুল ইসলাম সহ উনারা ৪ ভাই মৌরসী সত্তে মালিক আর,এস খতিয়ানের কপি সহ উপস্থাপন করলাম। এবং উল্লেখযোগ্য জায়গা আমাদের দখলে নেই, বুরহান উদ্দিন গংদের দখলে রয়েছে। দ্বিতীয় পক্ষ বুরহান উদ্দিনের জবানবন্দিঃ রেসটারি দলিল মূলে ৫টি দলিলে ২৮ শতক এবং মৌখিকভাবে খলিলুর রহমান চৌধুরী হইতে ১শতক মোট ২৯ শতক ভূমি আমাদের দখলে আছে। ক্রয়-বিক্রয়ের ডকুমেন্টস উপস্থাপন করলাম। এবং বাবলু যে বললেন উনার দখলে কোনো জায়গা নেই সে কথা মিথ্যা এখন তাদের দখলে আছে ২৫,২৬ শতক জায়গা যা মার্কেট নির্মাণ করে দৃশ্যমান। আমরা গরিব বলে জোরপূর্বক ভাবে ক্রয়-বিক্রয়ের ডকুমেন্ট ছারাওই টাকা ও ক্ষমতার জোরে ভুয়া রেকর্ড করিয়ে ঐ যায়গার মালিক সেজে আমাদের কে বিভিন্ন ভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে উচ্ছেদ করে দখল নিতে চান। আমরা নিরীহ মানুষ তাই মহামান্য বিজ্ঞ বিচারকমণ্ডলী মহোদয় গণের কাছে এর সুষ্ঠ বিচার চাই।। দু,পক্ষরে জবানবন্দি শোনার পরই আলমগীর চৌধুরী ও সেলিম চৌধুরী বিভিন্ন তাগিদে, ৯সদস্য বোর্ড গঠন করে এবং পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করে উনারা ছলে যান বোর্ডের প্রধান হলেন ৪নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানাব আবুসাঈদ এওলা মিয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সাইফুল জাহান চৌধুরী। ৩নং ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জানাব বজলুর রসিদ বজলু। মিনাজপুর গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বি খনা মাষ্টার। উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক খয়ের মিয়া,জহুর আলী তাজপুর.নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব সাবেক সভাপতি সরওয়ার শিকদার,জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল মালিক ,কাঁমার গাঁও গ্রামের প্রবীণ মুরুব্বি দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী। দ্বিতীয় তারিখের বোর্ডে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সদস্য সংখ্যা কম হওয়ায় তাই তৃতীয় তারিখ করা হয়। তৃতীয় তারিখে বাবলু চৌধুরী উপস্থিত না থাকায় তাহার প্রতিনিধিত্ব করেন চাচা ছাদিরুল ইসলাম।বোর্ড সদস্যগণ প্রথম কার্যক্রম শুরু করিতে প্রথম পক্ষের কাগজ চাইলেন, প্রথম পক্ষ ছাদিরুল ইসলাম বলেন,তাহাদের ১৯ শতকের মধ্যে, কিছু জমি আমাদের মৌরসী সত্য আর কিছু জমি আমাদের করিদা সত্য, কিন্তু করিদা সত্ত্বের দলিল হারাইয়া গিয়াছে। তখন জহুর আলী ছাদিরুল ইসলাম কে জেরা করেন ঐ দাগে তোমাদের দকলে কোনো জমি আছে নাকি। তখন ছাদিরুল ইসলাম উত্তর দিলেন আমাদের দখলে কোনো জায়গা জমি নাই। তারপর বুরহান উদ্দিন তাহার রেয়েস্টারি দলিলগুলা সহ যত কিছু দেখানোর প্রয়োজন সব কিছু দেখেছেন, এবং মনোয়ার চৌধুরী কাছ থেকে ঐ দাগে যে জায়গা বুরহান কিনেছিলেন তাহার ডকুমেন্টারি দলিল দেখান। এর পর বোর্ড সদস্য গন কার্যক্রম নির্ধারণ করার আলোচনা করেন, এরি মধ্যে বুরহান এবং সুমন চৌধুরী সভাপতিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ছাদিরুল ইসলাম দখলে ২৫-২৬ শতক জমি আছে। কিন্তু উনিত বললেন তাদের দখলে কোনো জমি নাই, তখন সভাপতি ছাদিরুল ইসলাম কে আবারো জিজ্ঞাসা করেন তোমাদের দখলে তো জমি আছে আপনি মিথ্যা কথা বললেন কেন তখন তিনি মুচকি হাসি দিয়া আমতা করে স্বীকার করেন জি আমাদের দখলে কিছু জমি আছে, সঙ্গে সঙ্গে বোর্ড সদস্য কনা মাস্টার ও খয়ের মিয়া রাগ করে বলে উটেন, হেমিয়া আগে কইলায় দখলে জমি নাই, এখন বলছ তোমাদের দকলে জমি আছে,। যাও যাও মিয়া তোমাদের দু পক্ষের বিষয়ঃ আলমগীর চৌধুরী ও সেলিম চৌধুরী ছাড়া এই বিষয়ের সমাধান হবে না। বোর্ডে উপস্থিত সদস্য একজন আরেকজন কে বলেন চল আমরা চলেযাই ওরা মিথ্যা কথা বলে এমত অবস্থায় এলোমেলোভাবে বোর্ডের সদস্য গণ উঠে জান। তখন কিন্তু বিজ্ঞ বিচারকগণ বুরহান উদ্দিন এর উপর নাখোশ হন নাই বরং ছাদিরুল ইসলামের উপর নাখোশ হয়েছেন। (মিথ্যা কথা বলার কারনে) উক্ত সালিশ বৈঠকে উপস্থিত থাকা মানুষজন বলাবলি করেন একবার বলে মৌরসী সত্য আরেক বার বলে করিদা সত্য,, আবার বলে দলিল হারিয়ে গিয়াছে, এক বার বলে দকলে আছে একবার বলে দখলে নাই এই সমস্ত কথা বার্তা শুনে লোকজন হাসি ঠাট্টা করে।। ঐ,বিষয়ে প্রথম পক্ষ বাবলু ইসলাম বোর্ড সদস্য গণ দের জেরার এখন পর্যন্ত কোন জবাব দিতে পারেননি।

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার ছালামতপুরস্থ হাজারী কমিউনিটি সেন্টার সংলগ মাঠে ৪৮ ঘন্টার জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে নবীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। ফলে শুক্রবার (০৫ ফেব্রæয়ারী)  বাদ আছর থেকে আয়োজিত সুন্নী মহাসম্মেলন ভন্ডুল হয়ে গেল।এলাকাবাসী ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ পৌর এলাকার ছালামতপুরস্থ হাজারী কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন মাঠে প্রতি বছরের ন্যায় ছালামতপুর যুব সংঘের উদ্যোগে ২৩তম ঐতিহাসিক ইসলামী সুন্নী মহা সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। উক্ত সুন্নী সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে দেশের আলোচিত বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত্-তাহেরীসহ খ্যাতমান উলামায়ে কেরামণের বয়ান করার কথা ছিল। মাহফিলকে ঘিরে বিশাল প্যান্ডেলের কাজ সম্পন্ন করে আয়োজক কমিটি। কিন্তু মাহফিলের পোষ্টারে গ্রামবাসীর অগোচরে সহ-সভাপতি হিসেবে বর্তমান কাউন্সিলরের নাম পাশ কাটিয়ে সাবেক কাউন্সিলর রুহুল আমীন রফুর নাম লেখাকে কেন্দ্র করে আয়োজকদের মধ্যে বিভক্তি দেখা দেয়। গ্রামের সিংহভাগ লোকের দাবী সহ সভাপতি হিসেবে রুহুল আমীন রফুর নাম পোষ্টারে আসার ব্যাপারে তাদের অনীহা। বিষয়টি নিয়ে বুধবার রাতে নবীগঞ্জ থানায় দু’পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসে পুলিশ। এতে কোন সুরাহা হয়নি। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। যেকোন সময় বড় ধরণের দাঙ্গা-হাঙ্গামা সংঘঠিত হওয়ার আশংকা দেখা দেয়। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে গেলে বৃহস্পতিবার(০৪ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মহি উদ্দিন আহমদ একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সরেজমিন গিয়ে এলাকার আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার আশংকা থাকায় ওই এলাকায় শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখার লক্ষ্যে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা অনুযায়ী হাজারী কমিউনিটি সেন্টার এর মাঠ ও মাঠ সংলগ্ন এলাকা ও পাশ্ববর্তী ৫০০ গজের মধ্যে ৪ ফেব্রæয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৬ ফেব্রæয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৪৮ ঘন্টা মাইকিং, পিকেটিং, কোন প্রকার যন্ত্র দ্বারা উচ্চস্বরে শব্দ উচ্চারণ বন্ধসহ ৫ বা ততোধিক লোকের সমাবেশ নিষিদ্ধ করেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন আহমদ।

নবীগঞ্জ পৌরসভার কানাইপুর এলাকায় “ক” তফসিলভুক্ত ভিপি জায়গা থেকে অবৈধভাবে এক্সকেভেটর মেশিন দিয়ে মাটি উত্তোলনের দায়ে আক্তার হোসেন নামে জনৈক এক ব্যক্তিকে ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানাযায়,বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টায় নবীগঞ্জ পৌরসভার কানাইপুর এলাকায় “ক” তফসিলভুক্ত ভিপি জায়গা থেকে অবৈধভাবে এক্সকেভেটর মেশিন দিয়ে মাটি উত্তোলন করার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) সুমাইয়া মমিন সদর তহশীল অফিসের লোকজন ও নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনার সত্যতা পেয়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুযায়ী কানাইপুর গ্রামের আক্তার হোসেনকে নগদ ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন। অর্থদন্ড প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী কমিশনার(ভূমি) সুমাইয়া মমিন।

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular
X

দুঃখিত !

ওয়েব সাইটে এই অপশন নাই।