Login to your account

Username *
Password *
Remember Me
Tuesday, 23 July 2024

Tuesday, 23 April 2024 14:21

নবীগঞ্জের কৃতি সন্তান ‘ফ্রিডম অব দ্য সিটি অব লন্ডন’সম্মাননা ভূষিত হলেন মাহতাব মিয়া Featured

Written by
মোঃ আলমগীর মিয়া

ভারপ্রাপ্তর সম্পাদক :

www.nabiganjerdak.com

www.tribute71.com

নবীগঞ্জ উপজেলা দীঘলবাক ইউনিয়নের রাধাপুর গ্রামের কৃতি সন্তান হবিগঞ্জ জেলা তথা সিলেটবাসীর গর্ব  ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিবিসিসিআই) ডাইরেক্টর ও নর্থ ইস্ট রিজিওনের প্রেসিডেন্ট, নিউক্যাসল বাংলাদেশী এসোসিয়েশন ইউকের চেয়ারম্যান মননশীল সমাজ চিন্তক মাহতাব মিয়া ‘ফ্রিডম অব দ্য সিটি অব লন্ডন’ সম্মাননা লাভ করেছেন। লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী গিল্ড হলে সোমবার (১৫ এপ্রিল ২০২৪) তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ সময় তাঁর পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। লন্ডন শহরের স্বাধীনতা অর্জনের ঐতিহ্যকে জীবন্ত করে রাখার জন্য ব্রিটেনে বিশেষ অবদানের ক্ষেত্রে ‘ফ্রিডম অব দ্য সিটি অব লন্ডন’ সম্মাননা প্রদান করা হয়। ১২৩৭ সালে শুরু হওয়া এই সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ, প্রিন্স ফিলিপ, কুইন এলিজাবেথ, কিং চার্লস, প্রিন্সেস ডায়না, উইনস্টন চার্চিল, ক্লিমেন্ট অ্যাটলি, মার্গারেট থ্যাচার, ফুটবলার হ্যারি কেইন, নেলসন ম্যান্ডেলা, স্টিফেন হকিংস-সহ অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব। সমাজসেবী মাহতাব মিয়া ব্রিটেনের মূলধারার সেবামূলক কর্মকান্ডেও সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি ব্রিটেনের বর্তমান রাজা কিং চার্লস-সহ সরকারি বেসরকারি বহু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের সানিধ্য লাভ করেছেন। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী-সংগঠক ও নিবেদিত প্রাণ সমাজসেবী মাহতাব মিয়া একজন মননশীল মানুষ। পারিবারিক জীবনেও আদর্শ পিতা হিসেবে সফল ও মেধাবী পঞ্চরত্নের জনক তিনি। তার ৫ জন কন্যা সন্তান সকলেই উচ্চ শিক্ষিত। ৩ জন ডাক্তার, ১জন ব্যারিস্টার ও ১জন চার্টার্ড একাউন্টেন্ট। তারা সকলেই আপন মহিমায় উদ্ভাসিত। বিদ্যাকে কাজে প্রয়োগের দক্ষতাকে যদি জ্ঞান বলি, তাহলে জ্ঞানের সদিচ্ছা প্রণোদিত ভাবনাকে মননশীলতা বলা যেতে পারে। চিন্তাশক্তি সম্পন্ন মননশীল মানুষ আমাদের মাহতাব মিয়া একজন প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট্য সমাজকর্মী। তিনি দীর্ঘদিন যাবত সরকারী ও বেসকারী এবং আর্থিক প্রতিষ্টান ও দাতব্য সংস্থায় বাংলাদেশী কমিউনিউটিকে সহযোগিতা করে আসছেন। নিউক্যাসল আপন টাইন উত্তর-পূর্ব ইংল্যান্ডের একটি শহর। টাইন নদীর উত্তর তীরে এই শহর গড়ে উঠেছে। অতীতে এটি রোমান সাম্রাজ্যভুক্ত পন্স অ্যালিয়াস নামে অবহিত ছিল। প্রথম উইলিয়ামের জ্যেষ্ঠ্য পুত্র দ্বিতীয় ডিউক কর্তৃক ১০৮০ সালে নির্মিত নিউক্যাসল প্রাসাদ থেকে এই শহরের নামকরণ হয়েছে। উল ব্যবসা ও কয়লা উত্তোলনের জন্য নিউক্যাসল আপন ট্যাইন গুরুত্বপূর্ণ নগরে পরিণত হয়। ষোড়শ শতাব্দীতে নিউক্যাসল বন্দর ও জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্র পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ছিল। এই শিল্প ক্রমে বন্ধ হয়ে গেলেও এটি এখনো ব্রিটেনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। রক এবং পপ কনসার্টের জনপ্রিয় ভেন্যু হিসেবে খ্যাত সিটি হল এবং থিয়েটার ও যাদুঘর সমূহ বেশ জনপ্রিয়। ইউরোপের ফেরি এবং ক্রুজ জাহাজগুলির পাশাপাশি শহরের চারপাশে নৌকা ভ্রমণের জন্য এখনো আকর্ষণীয়।বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের মত নিউক্যাসলের মানুষ বেশ প্রাণখোলা। মাহতাব মিয়া  একজন চিন্তাশীল ও সৃজনশীল মানুষ। যার হৃদয় মনে আপামর জনগণ তথা সমাজ চিন্তা সদা জাগ্রত। তিনি সমাজের বৃহত্তর জনকল্যাণের সঙ্গে সম্পৃক্ত। পরিবার ও সমাজ উন্নয়নে নিজস্ব মনন-মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। তবে তার এসবের মূলে একজন মননশীল সহধর্মীনি সৈয়দা সালমা মাহতাব অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকায় রয়েছেন।

মননশীল মানুষ তার প্রতিবেশী বা কমিউনিটিকে উদ্যমী ও আশাবাদী করে তোলেন। সামাজিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তাদের সততা ও নিষ্ঠা অন্যদের অনুপ্রাণিত করে। ইউরোপের রেনেসাঁ বা নবজাগরণ কিংবা শিল্প বিপ্লবের সূত্রপাত ও চালিকা শক্তি রূপে মননশীল মানুষের ভূমিকাই মুখ্য। অলিভার গোল্ড স্মিথ বলেছেন, ‘কোনো কাজে যার নিজস্ব মননশীলতা নেই, তার সাফল্য অনিশ্চিত।’অত্যন্ত পরিকল্পিত জীবন যাপনে অভ্যস্ত মাহতাব মিয়া দম্পতি আমাদের সমাজের জন্য বিশেষ করে প্রবাসিদের জন্য এক রোল মডেল। পরিশুদ্ধ ও মানবীয় গুনাবলির জন্য এসব মানুষ সময়ে সময়ে পুরষ্কৃত হন। স্থানীয়, জাতীয় বা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মননশীলতা বা সৃজনশীল চিন্তার গুরুত্বকে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য নানা পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়।

এমনি একটি সম্মাননা হচ্ছে ‘মা আমার মা’। ২০১৩ সালে এটিএন বাংলা ইউকে এই এওয়ার্ড প্রদান করে। সৈয়দা সালমা মাহতাব ‘মাদার অব দ্যা ইয়ার’ খেতাবে ভূষিত হন। এমন একটি মননশীল আয়োজনের জন্য এটিএন বাংলা ইউকে’র সিইও হাফিজ আলম বক্স কমিউনিটির পক্ষ থেকে অভিবাদন লাভ করেছেন। সৈয়দা সালমা মাহতাব সত্যিই রত্নাগর্ভা মা। দুচোখ ভরা স্বপ্ন তিনি সত্য করেছেন। তার সন্তানদের সকলেই উচ্চ শিক্ষিত। মাহতাব মিয়া ও সৈয়দা সালমা মাহতাব তাদের সুশিক্ষা শিক্ষিত করে মানুষ করেছেন। এটি আলোকিত জীবনের সফলতার স্বাক্ষর। সন্তানের সাফল্যে গর্বিত মাকে সম্মাননা জানানো হলেও মূলত এটা তাদের যৌথ প্রয়াসের ফসল। সৃষ্টি সুখের উল্লাসে সকল বাবা-মা’র আনন্দিত হবার কথা। ২০০৪ সালের আগস্ট মাসে নিউক্যাসলের অত্যন্ত জনপ্রিয় ইংরেজি ম্যাগাজিন ’নর্থ ইস্ট এক্সক্লোসিভ’ Our Father বা আমাদের পিতা শীরোনামে কভার স্টোরি করে। সেখানে মাহতাব মিয়া দম্পতির ভূয়সী প্রশংসা করা হয়। দীর্ঘ প্রতিবেদনে নিউক্যাসল আপন টাইন অঞ্চলে মান সম্পন্ন খাবারের জন্য মাহতাব মিয়ার রেসিপির অকপট স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। সেখানকার ইন্ডিয়ান রেষ্টুরেন্ট সমূহের মালিক যে বাংলাদেশি সিলেটি সেটাও গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়েছে।

জাতীয় ভাবে মাহতাব মিয়ার এওয়ার্ড উইনিং রেষ্টুরেন্ট ‘ভোজন’ অস্কারখ্যাত ব্রিটিশ কারি এয়ার্ড-সহ বহুবার জাতীয় ভাবে শ্রেষ্ঠ রেস্তোরাঁ সমূহের  মধ্যে মিশেলিন গাইডে উল্লেখিত হয়েছে। ‘ভোজন’ রেস্তোরাঁর অভিজাত খাবার পরিবশেনের প্রশংসা করে ’নর্থ ইস্ট এক্সক্লোসিভ’ প্রতিবেদনে বৃটেনের মূল ধারার মানুষ এখন কারি ফুডে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে বলেও অভিমত প্রকাশ করেছে। ব্রিটেনে ‘কারি’ সাম্রাজ্য গড়ে ওঠার পেছনে ‘ভোজন’ এর মতো অভিজাত বাংলাদেশি রেষ্টুরেন্ট সমূহের ভূমিকা অনস্বীকার্য। আমাদের ক্যাটারিং সেক্টরের আধুনিকায়ন ও খাবারে নিত্য নতুন বৈচিত্র সৃষ্টিতে নতুন মাত্রা পেয়েছে। রেস্টুরেন্ট ব্যবসার ক্ষেত্রে এই সাফল্য ও খ্যাতি মেইন স্ট্রিম মিডিয়া ও মেইন স্ট্রিম রাজনীতিতেও ঈর্ষনীয় ভাবে সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়েছে।

দেশের সুনাম বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্রিটেনের এসব বাংলাদেশি মানুষের প্রেরিত রেমিটেন্সে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হচ্ছে। বিনিয়োগের মাধ্যমেও তারা দেশ গড়ায় বিশেষ ভূমিকা রাখছেন। ব্রিটেনের মূল ধারায় সুনামের সঙ্গে নিজেদের জায়গা করে নেয়া এসব স্বদেশিদের নিয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের নতুন প্রজন্ম আজ রাজনীতিসহ এ দেশে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, ম্যানেজম্যান্ট স্পেশালিস্ট এমনকি তথ্য প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসা ও পেশায় সফলভাবে বিচরণ করছে।

সূক্ষদর্শী মাহতাব মিয়া ১৯৬৭ সালে ১৭ বছর বয়সে বিলেত পাড়ি জমান। তার দেশের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জের  দীঘলবাক ইউনিয়নের রাধাপুর গ্রামে। তার মরহুম বাবা মো: গৌছ মিয়া একজন সমাজসেবী ছিলেন। দাদা মরহুম মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক সর্ব মহলে পরিচিত এবং দ্বীনের খেদমতে নিয়োজিত ছিলেন। মাহতাব মিয়া ১৯৭৬ সালে মৌলভী বাজার শহরের শাহ মোস্তফা রোডের অধিবাসী জনপ্রিয় এডভোকেট মৌলভীবাজার পৌরসভার প্রথম পৌর চেয়ারম্যান সৈয়দ সরফরাজ আলীর কন্যা সৈয়দা সালমার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৭৭ সালে মহিয়সী সালমা স্বামীর মাধ্যমে বিলেত আসেন।

ব্যবসায়িক জীবনে মাহতাব মিয়া ১৯৭৪ সালে যৌথ মালিকানায় সান্দারল্যান্ডে মতিরাজ তান্দুরি করেন। ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সান্দারল্যান্ডে মাহতাব ক্যাটরিং সার্ভিস আজো সগৌরবে অব্যাহত আছে। ১৯৮০ সালে তিনি সাউথশিল শহরে তান্দুরি ইন্টারন্যাশনাল চালু করেন। সবশেষে নিউক্যাসলে চালূ করেন ‘ভোজন’ রেস্তোরা। ১৯৯০ সাল থেকে এটি সাফল্যের সাথে চালিয়ে আসছেন। এছাড়াও তিনি ‘কাট পে মার্চেন্ট সাভিস লিমিটেডের’ চেয়ারম্যান।

 

সমাজসেবী মাহতাব মিয়া অল্প বয়স থেকেই সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িয়ে পড়েন। তিনি ১৯৭১ সালে তরুণ বয়সে মানচেষ্টার অঞ্চলে প্রবাসী নেতা এম এ মতিন ও ড. কবির চৌধুরীর নেতৃত্বে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে সক্রিয় ভাবে কাজ করেছেন। ১৯৭৪ সালে সান্দারল্যান্ড জামে মসজিদের কো অর্ডিনেটর ও চেয়ারম্যান ছিলেন। একই সময়ে সান্দারল্যান্ড শাপলা যুব সংঘের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

কমিউনিটি নেতা মাহতাব মিয়া ১৯৭৫ সালে টাইন এন্ড ওয়্যার বাংলাদেশি এসোসিয়েশনের ডেপুটি জেনারেল সেক্রেটারি, ১৯৭৬ সালে টাইন এন্ড ওয়্যার কমিউনিটি রিলেশন সার্ভিসের নির্বাহী সদস্য, ১৯৭৮ সালে নর্থামব্রিয়া পুলিশ ও কমিউনিটি লিয়াজো গ্রুপের সদস্য হিসেবে কমিউনিটির বিকাশে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগনঠনের নেতৃত্বে মাহতাব মিয়ার বুদ্ধি বৃত্তিক প্রয়াস সর্ব মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে। তিনি ১৯৮১ সালে  মুক্তিযোদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল আতাউল গনি ওসমানীর গড়া রাজনৈতিক দল জাতীয় জনতা পার্টি নর্থ ইস্ট ইউকে সেক্রেটারি জেনারেল, ১৯৮৬ সালে নর্থ ইস্ট যুব সংঘের চেয়ারম্যান, ১৯৯৩ সালে গ্রেটার সিলেট ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল ইউকে’র ভাইস চেয়ারম্যান, ১৯৯৪ সালে যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যন হিসেবে দেশের এবং প্রবাসিদের কল্যাণে ব্যাপক কর্মকান্ড পরিচালনা করেন।

২০১১ সাল থেকে মাহতাব মিয়া নিউক্যাসল বাংলাদেশি এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। তার নেতৃত্বে এসোসিয়েশনের প্রকল্প বাংলা স্কুল, নিউক্যাসল বাংলাদেশি কমিউনিটি সেন্টার ও জামে মসজিদ সুচারুরূপে পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে ২০১৬ সালে মসজিদটির নতুন ভবন গড়ে তোলা হয়েছে। ২০১৩ সালে তিনি " British Bangladeshi Power&Inspiration 100,, স্থান করে নিয়েছিলেন৷ 

মাহতাব মিয়া বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন ইউকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকাকালে সংগঠনের মাধ্যমে ২৫ হাজার পাউন্ড ফান্ড সংগ্রহ করা হয়, যা প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডর ও সুনামি সংকটে ক্ষতিগ্রস্থদের দেয়া হয়েছে।

২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর নিউক্যাসল বাংলাদেশি এসোসিয়েশনের উদ্যোগে রোহিঙ্গা স্বরণার্থিদের বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা কল্পে ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে অক্সফামের সহায়তায় গভীর নলকুপ স্থাপন করা হয়। এতে দৈনিক ১৫ হাজার মানুষ বিশুদ্ধ পানি পান করতে সক্ষম হচ্ছেন।

মাহতাব মিয়ার নেতৃত্বে ২০১৭ সালের ৩ নভেম্বর সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অর্থ সহায়তা দিয়েছে নিউক্যাসল বাংলাদেশি এসোসিয়েশন ইউকে।  সুনামগঞ্জ  জেলার শাল্লাা উপজেলার শাহীদ আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে হত-দরিদ্র ৭০০ জনের মাঝে ১৫ লক্ষ নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। এদিকে মাহতাব মিয়ার উপস্থিতিতে ২০২০ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী নবীগঞ্জ ইউকে আইসিটি ইন্সটিটিউটের শিক্ষা সনদ বিতরণ করা হয়। নবীগঞ্জ এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের অর্থায়নে পরিচালিত সনদ পত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ৯৪ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদ পত্র বিতরণ করা হয়। ২০২২ইং সনে সিলেট,সুনামগঞ্জ,হবিগঞ্জ মৌলভীবাজার জেলায়  বন্যায় প্লাবিত হলে  মাহতাব মিয়ার প্রচেষ্টায় তিনি নিউক্যাসল বাংলাদেশি এসোসিয়েশন ইউকে উদ্দ্যেগে ৪০ লক্ষ টাকা বন্যার্তদের মাঝে আর্থিক অনুদান বিতরন করেন।  দুবাইয়ে মর্যাদাপূর্ণ বিশ্বব্যাপী ব্যবসা কনফারেন্স ২০২৩  সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যবসা আমেরিকা ম্যাগাজিনের বিশেষ সংখ্যায় ডিসেম্বর ২০২৩তে প্রকাশিত ১০০ জন  প্রবাসী আইকন ব্যবসায়ীদের মাঝে তিনি স্থান করে নিয়েছিলেন।  এবিষয় নিয়ে বিসনেস আমেরিকা গ্লোবাল বিসনেস আইকন নামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।  

 

প্রবাসী বাংলাদেশিদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশিজ‘র ডিরেক্টর অফ ফাইন্যান্স মাহতাব মিয়া দেশ মাতৃকার জন্য বহুমুখী কর্মপ্রয়াসে আত্ম নিবেদিত। নবীগঞ্জ এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে’র বর্তমান চেয়ারম্যান ও অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি হিসেবে জন্ম মাটির জন্য তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। নবীগঞ্জের দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা তথা শিক্ষাসেবা প্রদানের স্বপ্ন ও পরিকল্পনা নিয়ে ২০০০ সালে এই সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। ইতোমধ্যে নবীগঞ্জ ইউকে আইসিটি ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা-সহ এলাকার শিক্ষা বিস্তারে বেশ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।জনদরদি মাহতাব মিয়া পারিবারিকভাবেও বিভিন্ন ব্যক্তি এবং সংস্থাকে নানা রকম সহায়তা করে থাকেন। তিনি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মানসে দেশের রাজনীতি ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সক্রিয় ভাবে জড়িত রযেছেন।

Read 390 times
Rate this item
(0 votes)
  1. Popular
  2. Trending
  3. Comments

Calender

« July 2024 »
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
1 2 3 4 5 6 7
8 9 10 11 12 13 14
15 16 17 18 19 20 21
22 23 24 25 26 27 28
29 30 31