• 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
 

Items filtered by date: Monday, 12 July 2021

নবীগঞ্জে মা বােনকে নির্যাতন করার অভিযােগের প্রেক্ষিতে মােবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বুলবুল আহমেদ (২২) নামে মায়ের এক অবাধ্য পুত্রকে ৬ মাসের বিনাশ্রম করাদন্ড প্রদান করা হয়েছে । দন্ডপ্রাপ্ত বুলবুল নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কামারগাঁও গ্রামের মৃত মােস্তফা মিয়ার পুত্র । সােমবার (১২ জুলাই) দুপুরে মােবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন । নবীগঞ্জে মা বােনকে নির্যাতন করায় মােবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক বখাটেকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা যায় , দন্ডপ্রাপ্ত বুলবুল আহমেদের মা মরনব্যাধি ক্যানসার রােগে আক্রান্ত । তার এক বােন রয়েছে । অভাবের সংসারে যেখানে নুন আনতে ফুরায় । তার উপর এ কঠিন রােগের ব্যয় বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া কষ্টকর । যেখানে মা মরণাপন্ন এমন পরিস্থিতিতে বুলবুল টাকার জন্য অসুস্থ মাকে এবং তার বােনকে মারপিট ও নির্যাতন করে আসছে । ছেলেকে ভাল পথে ফিরিয়ে আনার সব চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর বাধ্য হয়ে গর্ভধারিনী মা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে অভিযােগ দেন । অভিযােগের প্রক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ কামারগাঁও গ্রামে অভিযান পরিচালনা করেন । এ সময় স্থানীয় চেয়ারম্যান , মেম্বার ও প্রতিবেশীদের সহযােগীতায় বুলবুল আহৃেদকে আটক করা হয় । পরে দণ্ডবিধি ১৮৬৯ এর ৩৫৫ ধারার অপরাধে মােবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ এর ৭ (২) অনুযায়ী তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয় । আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা করেন নবীগঞ্জ থানা পুলিশ । বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন ।

নবীগঞ্জে মহামারী করোনার প্রাদুর্ভাব নিয়ে শঙ্কিত উপজেলা প্রশাসন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।  উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মহিউদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে চালু করা হয়েছে ডিজিটাল পশুর হাট। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ডিজিটাল পশুর হাট নামে একটি ফেসবুক ফেজ খোলা হয়েছে।  পবিত্র ঈদুল আজহায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে অভিনব ওই গ্রুপ সাড়া জাগিয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ১৩টি ইউনিয়ন এবং প্রথম শ্রেণির পৌরসভা বেষ্টিত জনপদে প্রায় অর্ধশতাধিক পশুর হাট বসে।  করোনা মহামারীর তৃতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সারাদেশে চলছে কঠোর লকডাউন। সরকারের নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি পালনে নিরলস ভাবে কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন। করোনা বিজয়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মহি উদ্দিনের নেতৃত্বে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে। এনিয়ে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) উত্তম কুমার দাস সক্রিয় তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন। এরই প্রেক্ষিতে তৃণমূল স্বাস্থ্যবিধি সুরক্ষায় ডিজিটাল পশুর হাট চালু করা হয়েছে। এই গ্রুপে সংযুক্ত হয়ে পণ্য কেনা বেচা সহজ হবে। যিনি পণ্য বিক্রি করবেন তিনি তাঁর পণ্যের বাস্তব ছবি,বর্ণনা সংযুক্ত করবেন। মিথ্যা তথ্য প্রদান করে পণ্য বিক্রয়ের চেষ্টা করলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।  দাম নির্ধারণ এর জন্য এখানে কমেন্টস ব্যবহারের নির্দেশনা রয়েছে।
 ক্রেতা ও বিক্রেতা সম্পূর্ণ নিশ্চিত না হয়ে কেউ অর্থ আদান প্রদান করবে না। কথিত কোন ক্রেতা ফেক আইডি দিয়ে এখানে পণ্য বিক্রয়ে পোস্ট করলে এপ্রুভ করা হবে না। উপজেলার সকল ইউনিয়নে এ কাজে সহায়তা করার জন্য স্বেচ্ছাসেবক (অনলাইন  বেচা কেনা বুঝেন) বা গ্রুপের রোল প্লে সংযুক্ত  করা হবে। আলোচিত পশুর হাট নিয়ে উপজেলা নির্বাহি অফিসার শেখ মহি উদ্দিন বলেন, ডিজিটাল সুযোগ কাজে লাগিয়ে জনগণ উপকৃত হবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

নবীগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে মিলাদ হোসেন নামে ২ বছরের শিশু পানিতে পড়ে মৃত্যু হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সোমবার ১২ জুলাই দুপুরে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত শিশু পিটুয়া গ্রামের কামরুল হাসান বাগা’র ছেলে। বিকালে তার মৃতদেহ দাফন করা হয়েছে।স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের পিটুয়া গ্রামের কামরুল হাসান বাগা’র শিশু পুত্র মিলাদ হোসেন (২) সোমবার দুপুরে বাড়ির পাশের পুকুরে সকলের অগোচরে পড়ে যায়। পরিবারের লোকজন খোজাঁখুজি করে পুকুর থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পরিবারে শোকের মাতম চলছে। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সাহেল আহমদ।

আসন্ন পবিত্র ঈল-উল-আযহা উপলক্ষে নবীগঞ্জ পৌরসভার ভিজিএফ কার্ডধারীদের মধ্যে বিনামূল্যে ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদানের শুভ উদ্বোধন করা হয়। গতকাল সোমবার দুপুরে নবীগঞ্জ পৌরসভার কার্যালয়ের সামনে চাউল  বিতরনের  উদ্বোধন করেন নবীগঞ্জ-বাহুবল নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন নবীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন, পৌরসভার  মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরী, প্যানেল  মেয়র জায়েদ চৌধুরী, কুর্শি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী আহমদ মুসা,কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ,জাকির হোসেন, পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব,পৌর আওয়ামীলীগের নেতা এটিএম রুবেলসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। পৌরসভার ৪নং এবং ৮নং ওয়ার্ডের প্রায় ১,০০০ জন ভিজিএফ কার্ডধারীদের মধ্যে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।  আগামী ১৪ই জুলাই ৫নং এবং ৭নং ওয়ার্ডের ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হবে।

সোমবার করোনা আক্রান্ত মৃতদেহ কে স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে তথ্য গোপন করে জানাজার ব্যবস্থা করা হয়। এলাকায় রিক্সা দিয়ে মাইকিং করে মসজিদে মসজিদে মাইকে ঘোষনা দেয়া হয় জানাজার নামাজের জন্য। সবকিছুর আয়োজন সম্পন্ন হলে তাৎক্ষনিকভাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে প্রশাসনের নটক নড়ে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন একদল পুলিশ নিয়ে জানাজার কার্যক্রম বন্ধ করেন। পরে স্বাস্থ্যবিধি করোনায় মৃত ব্যক্তির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।  জানাযায়, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা আউশকান্দি ইউপির উত্তর দৌলতপুর গ্রামের আব্দুল হক সরদার (৬৫) নামে একজন করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেট শামসুদ্দিন হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে ঐ পরিবারের দুইজন সদস্য করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যূ হয়। কিছুদিন পূর্বে তার ভাই আব্দুল ওয়াহিদ সরদার সৌদি আরবে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান। রবিবার (১১ জুলাই) সকালে  আব্দুল হক সরদার করোনা পজিটিভ হলে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সিলেট শামসুদ্দিন করোনা হসপিটালে পাঠানো হয়। গত রাত ২ ঘঠিকার সময় তিনি সিলেটে সামছুদ্দিন হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। পরে গতকাল বিকাল ২টা ৩০ মিনিটের সময় স্বস্থ্যবিধি জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করা হয়।

জানাযার সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি  উত্তম কুমার দাশ সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি ক্যাপ্টেন সরিফুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ হারুন,সাব ইন্সেপেক্টর  ওয়াদুদ মিয়া,সাংবাদিক  মোঃ হাসান চৌধুরী, সাগর মিয়া প্রমুখ। নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও আব্দুস সামাদ বলেন, আব্দুল হকের গতকাল করোনা পজেটিভ সনাক্ত হলে তাৎক্ষনিকভাবে সিলেট প্রেরণ করা হয়। সেখানে তিনি মৃত্যূ বরণ করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা খবর পেয়ে তাৎক্ষনিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহন করে স্বাস্থ্য বিধি মেনে জানাজার ব্যবস্থা করি। স্বাভাবিক জানাজার কার্যক্রম বন্ধ করি।

নারায়ণগঞ্জ ভুলতা এলাকায় সজীব গ্রæপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কারখানায় দূঘটর্নায় নিহত অমৃতার মা আনোয়ার বেগম’র বিলাপ থামছে না। তার কান্না ও আহাজারিতে এলাকার বাতাস ভারি হয়ে উঠছে। ‘ও অমৃতা রে, এখন কই তুই মা ? ও আল্লাহ, তুই ছাড়া এখন আমরার কেউ নাই...। আমাদেরকে আর কে দেখবে মা, আমার বুকে ফিরে আয় মা’। সোমবার (১২ জুলাই) এ প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে অমৃতার মা নবীগঞ্জের বড় ভাকৈর(পূর্ব) ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের মোতালিব মিয়ার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম বাড়িতে আহাজারি করে কথাগুলো বলছিলেন। ওই কারখানাতেই কাজ করতেন তার মেয়ে অমৃতা বেগম (৩০)। স্বামী রিক্সা চালায় নারায়ণগঞ্জে। গেল শুক্রবার রাতে মায়ের সাথে ফোনে কথা হয়েছিল এই অমৃতার। কিন্তু অগ্নিকান্ডের পর থেকে আর তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এখন মায়ের একটাই কথা , আমি আর কিছু চাই না,আমি শুধু আমার মেয়ের লাশ চাই- বিচার চাই।
আনোয়ার বেগমের  সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর(পূর্ব) ইউনিয়নের রামপুর। তার স্বামী পঙ্গু । ০৩ মেয়ে ০১ ছেলের সংসারে  অমৃতার টাকায় চলতো তাদের সংসার। প্রায়ই টাকা দিয়ে পরিবারকে সহযোগীতা করত। ফ্যাক্টরিতে কাজ করার সুবাধে স্বামী ও মেয়েকে নিয়ে তারা নারায়ণগঞ্জের ভুলতা-গাউছিয়ার ভোলাকান্দা-নতুন বাজার(দক্ষিণ পাড়ার) হাবিব মিয়ার বাড়িতে বাসা ভাড়া করে থাকতো। তিন মেয়ে এক ছেলের মধ্যে সবচেয়ে বড় মেয়ে অমৃতা। বড় ভাই বিয়ে করে আলাদা সংসার নিয়ে থাক। অল্প বয়স থেকে সে বাবা-মাকে দেখছে। শত বাধার মধ্যেও চালিয়ে যায় স্বামীর সংসারের সাথে বাবা-মার সংসার। ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত পড়াশোনা করে সংসারের হাল ধরেছিল অমৃতা। সংসারের হাল ধরতে ৫ হাজার ৭০০ টাকা বেতনে চাকরি নেন গত জুন মাসে হাসেম ফুড লিমিটেডে। সুমা নামে ৭ বৎসরের এক মেয়ে আছে। তার ভবিষ্যৎ নিয়ে শংকিত। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, একটি দুর্ঘটনায় এক মুহূর্তে সবকিছু যেন এলোমেলো হয়ে গেল। কথাগুলো শেষ না হতেই ঢুকরে কেঁদে ওঠেন অমৃতার মা আনোয়ার বেগম। স্মৃতি টেনে কেঁদে কেঁদে  বলেন, দূর্ঘটনার আগের দিন মা’কে ফোন দিয়েছিল অমৃতা। আগামী কোরবানির ঈদে আমি বাড়ি আসবো, সবার জন্য নতুন কাপড় নিয়ে আসবো। এবার সবাইকে নিয়ে বাড়িতে ঈদ করবো। জবাবে মা বললেন, বাবা রে, আমার কিছু লাগবো না মা, তুই আমার বুকে ফিইরা আয়।’তুই ছাড়া আমাদেরকে কে আর দেখবো।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা এলাকায় সজীব গ্রæপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কারখানায় বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিখোঁজ শ্রমিকদের মধ্যে আনোয়ারা বেগমের মেয়ে আমৃতা বেগম ছিল। এখনও অমৃতার লাশ পাওয়া যাচ্ছে না। অমৃতার স্বামীসহ পরিবারের লোকজন ছুটে যান ঢাকা হাসপাতাল মর্গে। সেখানে লাশ সনাক্তের জন্য অমৃতার মেয়ে সুমা, বোন মুমিনাসহ পরিবারের লোকজন নমুনা দিয়েছেন। ডিএন টেস্ট্রের রিপোর্ট আসার পরও অমৃতার মৃতদেহ সনাক্ত করা হবে বলে কর্তৃপক্ষ তাদের জানিয়েছেন। অগ্নিকান্ডে নিহত অমৃতার শশুড় বাড়ী কিশোরগঞ্জে। ঢাকায় একটি কোম্পানীতে চাকুরীর সুবাধে পরিচয় এবং পরবর্তীতে প্রায় ১০/১৫ পুর্বে বিয়ে হয় অমৃতার। স্বামী রিক্সা চালক। অমৃতা মাইক্রো কোম্পানীতে চাকুরী করতো। ছুটি নিয়ে মা-বাবা’কে দেখতে নবীগঞ্জে পিত্রালয়ে আসে দু’ মাস আগে। দেরীতে ফিরায় চাকুরি হারায় মাইক্রো কোম্পানীর। জুন মাসের প্রথম দিকে চাকুরী নেয় সজীব গ্রæপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কারখানায়। অমৃতার স্বপ্ন ছিল, স্বামী, কন্যা সন্তানসহ মা-বাবাকে নিয়ে সুখের একটি সংসার। মা-বার মুখে এক মুষ্টি আহার তোলে দেয়ার। তার সেই স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেলো একটি দুর্ঘটনায়। অমৃতার মা আনোয়ারা বেগমসহ পরিবারের একটাই দাবী তাদের মেয়ে অমৃতার লাশ ফিরিয়ে দেয়া হউক। ঘটনার ন্যায় বিচারও চান তারা।

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular