
৩১ মার্চ মঙ্গলবার দৈনিক হবিগঞ্জ সময় পত্রিকার প্রথম পাতায় ‘নবীগঞ্জে এক ব্যক্তির দোকানঘরে হামলা-লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টি গােচর হয়। সংবাদটি বানােয়াট উদ্দেশ্য প্রনােদিত এবং মান হানিকর। আমরা এ সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই । গত ২২ মার্চ নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নে সাবেক ইউপি সদস্য সজলু মিয়ার দোকানে হামলা ও অগ্নিসংযোগের যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে, আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমাদের (ফারুল ইসলাম, ইলাছ উদ্দিনসহ অন্যান্যদের) নাম জড়িয়ে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। প্রকৃতপক্ষে, ওই দিন এ ধরণের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা আমাদের নেতৃত্বে ঘটেনি। ফজলু মিয়া এলাকায় নিজের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এবং আমাদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই মিথ্যা নাটকের আশ্রয় নিয়েছেন। সংবাদে শতাধিক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হলেও এর কোনো বাস্তব প্রমাণ বা নিরপেক্ষ কোনো সাক্ষী নেই। মূলত একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি করার লক্ষ্যেই এই সাজানো অভিযোগ করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা হলো ফজলু মেম্বারে নেতৃত্বে প্রবাসী সালেহ আহমদ কে বাড়ী থেকে ডেকে এনে কুপিয়ে জখম করে। এ ঘটনায় থানায় তাকে প্রধান আসামী করে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা হয়। মামলার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে। এমন মর্মান্তিক ঘটনার পর এলাকাবাসীর ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচারের দাবিতে নাগরিক ব্যনারে মানব বন্ধন করে। ঘটনাটি অন্য দিকে প্রবাহিত করতে এবং ন্যায় বিচার থাকি বঞ্চিত করতে ফজলু মিয়ার অনুসারীরা এই মিথ্যা নাটক সাজিয়ে সাংবাদিক ভাইদের ভূল তথ্য দিয়ে এই সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। আমরা এই ঘটনার কোন বিষয়ে অবগত নই।আমরা উক্ত মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সাথে এলাকাবাসী ও প্রশাসনকে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে এবং এই সাজানো ঘটনার পেছনের কুশীলবরা চিহ্নিত হবে।প্রতিবাদকারীফারুল ইসলাম,ইলাছ উদ্দিন, জোবায়ের, আলী হোসেন, ধন মিয়া ও আবুল কালামইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন, নবীগঞ্জ।